শাকসবজি১৬ শতকের পুকুরে মাছ, পাড়ে সবজি: হোমনার ওয়ালি উল্লাহর সমন্বিত খামার
কুমিল্লার হোমনায় বাড়ির পাশের ১৬ শতকের পুকুরে মাছ আর পাড়ে শাকসবজি চাষ করে পরিবারের পুষ্টি মেটাচ্ছেন, বাড়তি আয়ও করছেন চাষি ওয়ালি উল্লাহ।
শাকসবজিকুমিল্লার হোমনায় বাড়ির পাশের ১৬ শতকের পুকুরে মাছ আর পাড়ে শাকসবজি চাষ করে পরিবারের পুষ্টি মেটাচ্ছেন, বাড়তি আয়ও করছেন চাষি ওয়ালি উল্লাহ।
লাইভস্টকভাড়া নেওয়া কসাইখানাকে কেন্দ্র করে বাসাদি এগ্রিবিজনেস গড়েছেন জেরেমিয়া জোথাম; সঙ্গে খরগোশ পালন আর পালং ও কেল চাষ, যাতে কসাইখানার পানি ও উপজাত কাজে লাগে।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের শিবপাশা হাওরে ধানক্ষেতের মাঝে পুকুর কেটে মাছ আর পাড়ে ফল-সবজি চাষ করছেন চাষিরা; ইউনিয়নের ৫৫টি খামারে বছরে প্রায় আড়াই হাজার টন মাছ হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা।
মৎস্যঢাকার ধামরাইয়ের ললিতনগর গ্রামের তরুণ এস এ লালন পড়াশোনা শেষে গ্রামে ফিরে গড়ে তুলেছেন মাছ ও সবজির আধুনিক সমন্বিত খামার।
খুলনার বান্দা গ্রামে ‘বিশ্বাস এগ্রো প্রজেক্ট ও মৎস্য হ্যাচারি’তে তিন হাউস ও ছয় পুকুরে মলি, গাপ্পি, গোল্ডফিশ, অ্যাঞ্জেল, কৈ-কার্পসহ প্রায় ২০ প্রজাতির পোনা, জোড়া বা পিস ২০-২০০ টাকা, খালিশপুর থেকে কাটাবন পর্যন্ত ক্রেতা; ১৬ বিঘায় ৯ পুকুরের ৮টিতে অল-মেল গলদা, ছয়জনের কর্মসংস্থান।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সাড়ে পাঁচ একরের পুকুরের এক একর পাড়ে ঢেঁড়স, ডাটা, পুঁইশাক ও ফলগাছ লাগিয়ে ১৮০ মণ ঢেঁড়স বিক্রি করেছেন হাজী সরল মিয়া; সার-কীটনাশক ছাড়াই আরও ২০০-২৫০ মণ আসছে।
কৃষি দিবানিশিসময়ের বিবর্তনে সবকিছু পাল্টে যাচ্ছে। পাল্টে যাচ্ছে কৃষি, জীবন-জীবিকা, সাফল্য সবকিছুই। গোটা বিশ্বেই চলছে এ পরিবর্তনের হাওয়া। যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে পরিবেশ, প্রকৃতি আর কৃষিতে। ফলে কৃষি এখন আর শুধুই কৃষকের বিষয় নয়। এখানে যুক্ত হচ্ছে বড় বড় ব্যবসায়ী, গবেষক, পেশাজীবী থেকে শুরু করে অনেকেই। যাদের হাত ধ
কৃষি দিবানিশিটাংগাইল ঘাটাইলের রসুলপুর গ্রাম। এ গ্রামের চিত্র বছর দশেক আগেও ছিল একটু অন্যরকম। গতানুগতিক চাষাবাদ আর আনারসই ছিল তখনকার মুল অর্থকরী ফসল। কিন্তু এখন আর শুধু আনারসে সীমাবদ্ধ নেই কৃষক। সময়ের প্রয়োজনে বৈচিত্রময় কৃষিতে হাত বাড়িয়েছেন তারা।
ভিডিওযে খামার নীরব
ভিডিওকৃষি এখন শুধু পৈত্রিক পেশা ধরে রেখে কোনমতে টিকে থাকা নয়, কৃষি এখন একটি সমন্বিত বাণিজ্যিক উদ্যোগ। এমন চিন্তায় অনেকেই নিজেকে পরিবর্তন করেছেন।
ভিডিওকৃষিতে নারীর সাফল্য এখন আর নতুন কোন বিষয় নয়। নারীর হাতেই কৃষির গোড়াপত্তন। এমনি একজন উদ্যমী নারী গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সিংগারদিঘী গ্রামের জোহরা আক্তার। পেশায় তিনি একজন স্কুল শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করানো, গৃহস্থের কাজ সবকিছু সামলিয়েও তিনি চিন্তা করেছেন একজন কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার।
ভিডিওসুজনের শুরুটা একেবারে শূন্য থেকে। কখনও বেগুন চাষ করে, কিংবা কলার গাছ লাগিয়ে বুঝতে চেষ্টা করছিলেন কৃষি অর্থনীতির হিসেব নিকেশ। বুঝলেন শুরু করতে হবে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে। তাই পাঁচশো বয়লার মুরগি এবং ত্রিশটা লেয়ার মুরগি নিয়ে শুরু করলেন পোল্ট্রিখামার।
ভিডিওকরোনা পরিস্থিতিতে কৃষির সকল খাতই কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত। একদিনে বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে মাঝে মাঝেই লকডাউনসহ নানা কারণে সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থায় সংকট দেখা দিচ্ছে। এতে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদেরকে এই ক্ষতির জের টানতে হচ্ছে বেশি। তারপরও এক শ্রেনীর উদ্যোক্তা এই সংকটে