৩০ হাজার টাকার ১০০ হাঁস থেকে ইনকিউবেটর, মেহেরপুরের দিলরুবার মাসে আয় চার লাখ
মেহেরপুরের দিলরুবা খাতুনের খামারে এখন প্রায় এক হাজার হাঁস; ৩৬ হাজার ডিম ধারণক্ষমতার ইনকিউবেটরে সপ্তাহে প্রায় দুই হাজার বাচ্চা ফোটান তিনি।
মেহেরপুরের দিলরুবা খাতুনের খামারে এখন প্রায় এক হাজার হাঁস; ৩৬ হাজার ডিম ধারণক্ষমতার ইনকিউবেটরে সপ্তাহে প্রায় দুই হাজার বাচ্চা ফোটান তিনি।
আঙিনা কৃষিশরীয়তপুরের জাজিরার খানকান্দিতে আইরিন আক্তার ২০০ বস্তায় আদা চাষ করে খরচ বাদে প্রায় ৪০ হাজার টাকার বিক্রির আশা করছেন; বস্তাপ্রতি মিলছে এক থেকে দেড় কেজি আদা।
ফলকরোনায় স্কুল বন্ধে বেতন না পেয়ে আমের আঁটি থেকে চারা করা শুরু করেছিলেন খাগড়াছড়ির ম্রানুচিং মারমা; এক একরের নার্সারির চারা বেচে এখন বছরে আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।
ফুড ফর মজান্সিতে এক কলামে সাকাউয়ের প্রধান নির্বাহী ইসমাইল সুঙ্গা লিখেছেন, তরুণ ও নারী পরিচালিত পোলট্রি উদ্যোগকে টিকে থাকার চাষ থেকে মাঝারি ব্যবসায় তুলতে মিশ্র অর্থায়ন, যৌথ অবকাঠামো ও নিশ্চিত ক্রয়চুক্তি দরকার।
লাইভস্টকসাত বছর আগে সোনালি মুরগিতে প্রায় এক লাখ টাকা লোকসান দিয়েছিলেন নাটোরের গুরুদাসপুরের শারমিন আক্তার; এখন তার খামারে কাজী ফার্মসের লাল পুলেট জাতের প্রায় ২ হাজার লেয়ার মুরগি।
লাইভস্টকদক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটালের সিনেথেম্বা গেবাশে ২০১১ সালে মাটির ইটের মুরগির ঘর দিয়ে শুরু করেন, ভারী বৃষ্টিতে সব হারান; পৌরসভার সহায়তা ও প্রাদেশিক সরকারের ৪ লাখ র্যান্ড অনুদানে তিনি এখন পাইকারদের ডিম দেন, লক্ষ্য ৫,০০০ লেয়ার।
ফলস্বামীকে হারিয়ে ২০১৮ সালে কৃষিতে নামেন জলঢাকার খাদিজা আক্তার; তিন বিঘায় কফি আর দুই বিঘায় রামবুটান, ড্রাগন, প্যাশন ফল ও কোকো, গত বছর প্রায় ৪০০ কেজি রামবুটান বিক্রি করেছেন।
গ্যালারিলাদাখের চোগলামসারে পাথর সরিয়ে মাটি বানিয়ে লাল, হলুদ, গোলাপি ও সাদা লিলি ফুটিয়েছেন স্টানজিন ও তাঁর ১৪ সঙ্গী; লেহ থেকে ১৫ হাজার লিলি গেছে দিল্লি, মুম্বই ও চণ্ডীগড়ে, এক বছরে ২০০ একরে চাষের পরিকল্পনা।
রান্নাবান্নানিরাপদ খাবারের ভাবনা আর সামাজিক মাধ্যমের অনুপ্রেরণায় ঢাকায় বাড়ছে বাসায় বেকিং; অল্প পুঁজিতে অর্ডার নিয়ে কেক ও বেকারি পণ্য বানিয়ে আয় করছেন হোম বেকাররা।
মৎস্যখুলনার ২৪ বছরের কৃষক রাজিয়া খাতুন সমন্বিত বহুস্তর জলজ চাষ (আইএমটিএ) পদ্ধতিতে ১৫ শতকের পুকুর থেকে এক মৌসুমে ৮০ হাজার ২১৪ টাকা লাভ করেছেন এবং এখন অন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডফিশ।
লাইভস্টকদক্ষিণ আফ্রিকার মপুমালাঙ্গার বুশবাকরিজে ২০২৩ সালে ভাইপোর ছোট মুরগির খামারের দায়িত্ব নিয়ে জেনিফার গাজিদে এখন ২০০ ব্রয়লার ও প্রায় ৩৬০ লেয়ার মুরগি আর সবজি চাষ করে স্থানীয় দোকান ও পরিবারে সরবরাহ করছেন।
পাবনার ঈশ্বরদী পৌর এলাকার গৃহিণী জান্নাতুল ফেরদৌস যুথি শখের ছাদবাগানকে ক্যাকটাস ও সাকুলেন্টের চারা বিক্রির ব্যবসায় পরিণত করেছেন; অনলাইন-অফলাইনে বিক্রি করে তাঁর মাসিক আয় এখন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।
পাবনার চাটমোহরের হোগলবাড়িয়া গ্রামের শারমিন খাতুন লিজ নেওয়া দুই বিঘা অনাবাদি জমিতে ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান করে গত বছর দুই লাখ টাকার বেশি লাভ করেছেন; এবার সব খরচ বাদে অন্তত চার লাখ টাকা লাভের আশা তাঁর।