ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ বিক্রি করে স্বাবলম্বী তারা
জিহাদুল ইসলাম
জিহাদুল ইসলাম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দ্বিতীয়বারের মতো বিভিন্ন রঙের ফুলকপির আবাদ হয়েছে। সাদা ফুলকপির চেয়ে কিছুটা কম সময় লাগে রঙিন ফুলকপি চাষ করতে। তাই কৃষকদের মধ্যে রঙিন ফুলকপি চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেগুন চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। দিন দিন চাষের পরিধি বাড়াচ্ছেন তারা। এখানকার উৎপাদিত বেগুন এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বছরে অন্য সবজি চাষ করলেও শীত মৌসুমে বেগুন চাষ করেন অনেকেই। অনেকে আধুনিক পদ্ধতিতে উচ্চ ফলনশীল 'তাল বেগুন' চাষ
দেখতে সুন্দর। চাষের খরচ কম। সাদা ফুলকপির চেয়ে পুষ্টিগুণও বেশি। শুধু জৈব সার ব্যবহার করেই এ ফুলকপি চাষ করা যায়। এমন রঙিন ফুলকপি চাষে লাখ টাকা আয় করেছেন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বড় আজলদী গ্রামের কৃষক আবুল হাসিম। হলুদ ফুলকপি নিয়ে এরই মধ্যে কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কিস্তাকাঠির যুবক আব্দুর রহিম সিকদার। তিনি বাবার সঙ্গে ৩০০ শতাংশ জমিতে বরই চাষ করে সফল হয়েছেন। তাতেই এখন আত্মনির্ভরশীলতার পথে পা বাড়াচ্ছেন।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে স্কোয়াস চাষে সফল হয়েছেন কৃষক মুসলিম উদ্দিন। উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নে বাড়ির পাশে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ১০ শতক জমিতে স্কোয়াস চাষ করেছেন তিনি। দু'একদিন পর পর জমি থেকে ফলন তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন। অনেকে এসে জমি থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার তরুণ কৃষক মো. রেজাউল ভার্মি কম্পোস্ট সার (কেচো সার) উৎপাদন করে এখন সফল ও স্বাবলম্বী। উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে মনোনিবেশ করেন তরুণ এ উদ্যোক্তা।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পরীক্ষামূলকভাবে গাজর চাষ করে প্রথমবারেই সফল হয়েছেন কৃষক নূর আলম। মাটির নিচে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে গাজর। মাটি থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পেয়ে ফলও বৃদ্ধি হচ্ছে।
# ৯০ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন# ৬০ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন# প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ টাকা
উদয়ন প্লাস জাতের টমেটো চাষে ব্যাপক লাভের আশা করছেন কৃষক। বাজারদর ভালো, পরিশ্রম ও খরচ তুলনামূলক কম হয় বলে উচ্চফলনশীল জাতের এ টমেটো চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। ফেনী জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠ ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বরই চাষে সফল হয়েছেন মো. মুসলিম উদ্দিন। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কেমিক্যাল ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে। তিনি উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব কাটাছড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী মাঈন উদ্দিনের ছেলে। তিনি এইচএসসি পাস করার পর ক
ঈশ্বরদীর মাঠে মাঠে চলছে মধু সংগ্রহের কাজ। ফুলে ফুলে মধু আহরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মৌমাছিরা। সরিষা ক্ষেতের পাশে সারি সারি মৌবক্স। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবক্স স্থাপন করলে মৌমাছি মধু সংগ্রহের ফলে পরাগায়ন বৃদ্ধি পেয়ে ফলন বেশি হয়। অন্যদিকে মধু বিক্রি করে বিপুল অর্থ উপার্জন হয়। এর আ
কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় বিনা চাষে মাসকলাই উৎপাদনে সফল হয়েছে কিশোরগঞ্জ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) সরেজমিন গবেষণা বিভাগ। ৮০-৮৫ দিনে কৃষক এ মাসকলাই ঘরে তুলতে পারবেন। এতে আমিষের পরিমাণ ২১-২৪ শতাংশ। ফলন হেক্টর প্রতি ১৫০০-১৬০০ কেজি। এ মাসকলাইয়ের জাত হলদে মোজাইক রোগ প্রতিরোধী।