বাংলাদেশের জিআই পণ্য এখন ৫৫টি
বাংলাদেশের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য এখন ৫৫টি। এর মধ্যে নতুন করে সনদ পেয়েছে ২৪টি।
বাংলাদেশের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য এখন ৫৫টি। এর মধ্যে নতুন করে সনদ পেয়েছে ২৪টি।
গাছ থেকে আম পাড়া ও বাজারজাত করার জন্য আম সংগ্রহের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।
সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি জাতের আমের কদর আছে দেশ বিদেশে। আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণের কারণে এখানকার আম দেশের অন্য এলাকার তুলনায় অগ্রিম পরিপক্ব হয়। আগে বাজারে ওঠার কারণে বেশি দামে বিক্রিও হয় এই আম।
কয়েক বছর আগেও আমের ঘ্রাণ পাওয়া যেত শুধু মৌসুমে। বর্তমানে সারাবছর সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিক্রি হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম। এসব আম ব্যতিক্রমী উদ্যোগে চাষ করছেন চাষিরা। এমন একজন সফল উদ্যোক্তা জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম। রাজশাহী কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে ২০১২ সালে শুর
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগান পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
আমসত্ত্ব আমাদের সবারই কম-বেশি খেতে ভালো লাগে। টক-ঝাল-মিষ্টি আমসত্ত্ব মুখে স্বাদ এনে দেয়। এই বৈশাখী ঝড়ে পড়ে যাওয়া যে কোনো আম দিয়ে আমসত্ত্ব বানিয়ে ফেলুন এখনই। বিস্তারিত জানাচ্ছেন রোকেয়া সুলতানা—
বাংলার বুকে এক টুকরো আমের রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গাছের শাখায় শাখায় ঝুলে আছে রসালো কাঁচা আম। প্রকৃতি যেন আপন হাতে সাজিয়েছে এই রাজ্য। জেলার উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু এবং কৃষকের অভিজ্ঞতা মিলিয়ে এখানে উৎপন্ন হয় বিশ্বের অন্যতম সুস্বাদু ও সুগন্ধি আম।
জাপানের বিখ্যাত সূর্যডিম (মিয়াজাকি) আম ঝুলছে যশোরের অভয়নগর উপজেলার একটি খামারে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই আম চাষে সাফল্য পেয়ে উচ্ছ্বসিত খামার মালিক আসাদুর রহমান।
বৈশাখের সঙ্গে কাঁচা আম এসেছে বাজারে। রাজধানীর প্রায় সব বাজারেই বিক্রি হচ্ছে কমবেশি। প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে কিনছেন ক্রেতারা।
আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আম কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চীন।
দীর্ঘদিন পর বৃষ্টির দেখা পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। শুক্রবার(২১ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। এতে আম চাষিদের মনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। মুষলধারে না হলেও কৃষি বিভাগ বলছে আমের জন্য এই বৃষ্টি আশীর্বাদ।
সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদে দ্রুত জনবল নিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে আগামী উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে কোন কোন প্রতিষ্ঠানে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে সে সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের নির্দে
জাতীয় সংস্কার কমিশনের কিছু কিছু সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।