পশুভর্তি হাটে ক্রেতার অভাব
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঝালকাঠির বিভিন্ন হাটে কোরবানির পশু উঠছে। হাটভর্তি পশু থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। কিছু ক্রেতা এলেও ঘুরেফিরে দেখে দাম যাচাই করে ফিরে যাচ্ছেন।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঝালকাঠির বিভিন্ন হাটে কোরবানির পশু উঠছে। হাটভর্তি পশু থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। কিছু ক্রেতা এলেও ঘুরেফিরে দেখে দাম যাচাই করে ফিরে যাচ্ছেন।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঝালকাঠি জেলায় এবার প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১৯ হাজার পশু। জেলায় বাণিজ্যিকভাবে কোনো খামার না থাকলেও পারিবারিকভাবে এসব পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব পশুকে প্রাকৃতিক উপায়ে কাঁচা ঘাস, খড়, বিভিন্ন প্রকারের ভুসি, ডালের গুঁড়া, ভাত, ভাতের মাড়, খৈল ও কিছু ভিটামিন খাইয়ে মোটাতাজা কর
ঝালকাঠির বিভিন্ন হাট-বাজার ও এলাকা মৌসুমি ফলে ছেয়ে গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন যানবাহনে আসছে এসব ফল। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখর থাকছে এসব বাজার।
বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১২শ-১৩শ টাকায়। কিন্তু সরকারিভাবে প্রতি মণ ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫০ টাকা। বাজার দরের চেয়ে সরকারি মূল্য কম হওয়ায় ধান সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি খাদ্য বিভাগ। তবে চাল সংগ্রহে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে জেলা খাদ্য অধিদপ্তর।
ঝালকাঠির বিস্তীর্ণ মাঠে যতদূর চোখ যায় সোনালি ধানের সমাহার। নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা চারপাশ। পাকা আমন ধানের ক্ষেতে নানা রঙের পাখিদের ওড়াউড়ি। পৌষের শীত ও কুয়াশা ভেদ করে ওঠা হালকা রোদ গায়ে মেখে পরম আনন্দে ধান কাটছেন কৃষক। একই সঙ্গে চলছে ধান মাড়াই, শুকানো ও ভাঙানোর কাজ। কৃষকের পাশাপাশি এ কাজে ব্য
ঝালকাঠির ভাটারাকান্দা ও দিয়াকুল গ্রামের বিশখালী নদী তীরবর্তী এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি। এসব পাখির আগমনে বেড়েছে প্রকৃতির শোভা। পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত বিষখালী নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো। প্রতিবছর শীতে দূর-দূরান্ত থেকে পরিযায়ী পাখিরা আসে আমাদের দেশে। ভ্রমণপিপাসু মানুষ পাখি দেখতে ভিড় করে ন
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর উন্মুক্ত হয়েছে ঝালকাঠির সঙ্গে সড়কপথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের বাণিজ্যিক পথ। বিশেষ করে জেলার কৃষিখাতে বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে । এমনটাই স্বপ্ন দেখছিলেন ঝালকাঠির সবজি চাষিরা। স্বপ্নের দ্বার উন্মোচিত হওয়ায় কৃষকরা পাচ্ছেন তাদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য। তাই কৃষকদের চোখে-মুখে এখন হাসির ঝিলিক
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঝালকাঠির ৪ উপজেলার ২৮টি স্থানে বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী কোরবানির পশুহাট। স্থানীয় খামারি ও দূর-দূরান্ত থেকে নিয়ে আসা ফড়িয়াদের গরুতে সরগরম হয়ে উঠছে হাটগুলো। কিন্তু ঈদের মাত্র তিনদিন বাকি থাকলেও গরু বিক্রি হচ্ছে কম। ক্রেতা না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় হাট বিক্রেতা ও ইজারাদাররা।
ঝালকাঠি জেলায় ডিমের উৎপাদন বেড়েছে। গত এক বছরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৭৩ লাখ ডিম বেশি উৎপাদন হয়েছে। জেলায় ডিমের চাহিদা বাড়ায় পোল্ট্রি শিল্পে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকে। তবে মুরগির খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ জেলার খামারিরা।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ঈশ্বরকাঠী গ্রামের দিনমজুর জালাল সিকদার (৬০) বাবুই পাখির ছানা মেরে ফেলার দায় স্বীকার করে সবার কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন। তিনি বলেছেন, পাখির বাচ্চা মেরে ফেলা যে আইনগত অপরাধ তা আমি জানতাম না। এমন অপরাধ আর জীবনে কখনো করব না।
ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলায় হঠাৎ করে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ। এই রোগে জেলার বিভিন্ন গ্রামের খামারে ও কৃষকের কয়েক হাজার গরু আক্রান্ত হয়েছে।
ঝালকাঠিতে ঘাস না দিয়ে বাজারের ফিড খাওয়ানোয় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হারাচ্ছে প্রাণীরা। ফলে সহজেই স্ট্রোক করে প্রাণ হারাচ্ছে এই প্রাণীগুলো। গরুর ক্ষুরা চাল রোগের পাশাপাশি স্ট্রোক রোগ নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খামারি এবং কৃষকরা।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে সুগন্ধা, বিশখালী, গাবখান ও ধানসিঁড়ি নদী। এ চার নদীর মোহনার পশ্চিমদিকে গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন, দক্ষিণে পোনাবালিয়া ইউনিয়ন এবং উত্তর-পূর্ব কোণে ঝালকাঠি পৌর এলাকা। শীতকালের অতিথি পাখিরা আশ্রয় নিয়েছে বিশখালী নদীর পশ্চিম পাড়ে গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ভাটারাকান্দা ও পো