পাহাড়ে গরমে কদর বেড়েছে তালের শাঁসের
সারাদেশের মতো পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়িতেও তাপপ্রবাহ বইছে। টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিন-রাতের এই খরতাপ থেকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে রসালো তালের শাঁসের কদর বেড়েছে পার্বত্য খাগড়াছড়িতে।
সারাদেশের মতো পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়িতেও তাপপ্রবাহ বইছে। টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিন-রাতের এই খরতাপ থেকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে রসালো তালের শাঁসের কদর বেড়েছে পার্বত্য খাগড়াছড়িতে।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার গোবিন্দ নগর গ্রামকে 'লিচুর গ্রাম' বলেই চেনেন সবাই। বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এ গ্রামে লিচু কিনতে আসেন। প্রতি বছর কোটি টাকার বেশি লিচু বিক্রি হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লিচু পাঠানো হয়।
প্রচণ্ড গরমে চারদিকে হাঁসফাঁস অবস্থা। তার ওপর ভোগান্তি বাড়াচ্ছে লোডশেডিং। একটু স্বস্তি পেতে চেষ্টার কমতি নেই মানুষের। তারপরও গরম থেকে মিলছে না মুক্তি।
প্রথমবারের মতো জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বারোমাসি কারিশমা জাতের তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন আব্দুল আলীম সবুজ সরকার নামে এক তরুণ উদ্যোক্তা। মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলনে খুশি তিনি। কৃষি বিভাগ বলছে, দিনদিন তরমুজ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেক বেকার তরুণ। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহ
কম খরচে ভালো ফলন ও লাভজনক হওয়ায় কলা চাষে সফলতা পেয়েছেন কৃষক আনোয়ার হোসেন আনার। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাদে শোলাকিয়া গ্রামে কলা চাষে বছরে কমপক্ষে ৯ লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই কৃষকের। এই প্রথম চম্পা কলা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তিনি। বাগান থেকে প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা কিনে নিচ্ছে
গ্রামের অধিকাংশ মানুষই জড়িত কলা চাষে। এ কলা চাষই তাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম। বছরের পুরো সময়েই কোনো না কোনো জাতের কলা উৎপাদন হয়। কলা চাষকে কেন্দ্র করেই ঘোরে এলাকার অর্থনীতির চাকা। যেদিকে চোখ যায় শুধু কলার বাগান। বাগানে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ঝুলন্ত কলার কাদি। এ চিত্র পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর
বাংলাদেশের বাজারে এখন ফলের সমারোহ। চারিদিকে নানা রকম ফলের সুবাস। গ্রামবাংলার এসব ফলে ছেয়ে গেছে শহরের অলিগলি ও বাজার। বছরের আর কোনো মাসে এত ফলের আগমন ঘটে না। তাই তো ভুল করে অনেকে জ্যৈষ্ঠ মাসকেই 'মধুমাস' বলে ফেলেন।
নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা এলাকার কৃষক সামছুল ইসলাম। ধান, ভুট্টা, আলুসহ অন্য সবজি চাষ করেন। এসব ফসল উৎপাদনের পর উপার্জিত অর্থ দিয়েই চলে তার সংসার। তবে কয়েক বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ভালো ফলন পাননি সামছুল। কিছু ভেবে না পেয়ে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেন হলুদ বর্ণের নত
আমের খুব বেশি মাত্রায় অর্থনৈতিক গুরুত্ব আছে। এর ভালো স্বাদ এবং বিবিধ জাতের জন্য উপভোক্তাদের মধ্যে জনপ্রিয়। এ ফল ভিটামিন এ ও সি পুষ্টিগুণে ভরপুর। আম গাছের কাঠ বাড়ি ঘরের জানালা তৈরির কাজে ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদি
খাগড়াছড়ির হাট-বাজারে এখন মৌসুমি ফলের সমাহার। সকাল হতে না হতেই মৌসুমি ফলের পসরা সাজিয়ে বসেন বাগানি ও ব্যবসায়ীরা। বাগান থেকে তুলে আনা তাজা বিষমুক্ত ফল পেয়ে খুশি স্থানীয় ও পর্যটকরা। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই মৌসুমি ফলের বাজার দখল করেছে রসালো মিষ্টি স্বাদের লিচু। খাগড়াছড়ির বিভিন্ন বাজারে মিলছে বাহারি লিচু।
ভুট্টা থেকে তৈরি হচ্ছে পচনশীল পরিবেশবান্ধব ব্যাগ। ছয় মাস ধরে এসব ব্যাগ উৎপাদন করছে রাজশাহীর পবা এলাকার ক্রিস্টাল বায়ো টেক নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে এসব ব্যাগ। তবে পলিথিনের বিকল্প হলেও এর সঙ্গে পেরে উঠছে না পণ্যটি। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে পরিবেশে
শখের বশে বাসার ছাদে বাগান করেছিলেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা বিসিক এলাকার সজীব চৌধুরী। বাগানের জন্য বেছে নিয়েছিলেন পছন্দের ফল আঙুরের চারা। সেই বাগানে এখন প্রায় ৭০-৮০টি গাছ রয়েছে। যার মধ্যে আঙুর গাছের চারাই বেশি। সজীবের শখের বাগানে প্রায় ৩৫ জাতের আঙুর গাছ রয়েছে।
লিচুর ফলন ও দামে খুশি মেহেরপুরের চাষিরা। গত কয়েক বছর লিচু চাষে লোকসান হলেও এবছর অনেকটাই অনুকূল আবহাওয়া ছিল। লিচু চাষ করে কৃষকরা লাভবানও হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ বলছে, অপরিপক্ব লিচু বাজারজাত করলে তাদের বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।