৪০ লাখ টাকার ইলিশ মিললো এক ট্রলারে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চার দিন সাগরে জাল ফেলে ১৯৫ মণ ইলিশ ধরেছেন ১৭ জেলে। পরে এসব মাছ ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চার দিন সাগরে জাল ফেলে ১৯৫ মণ ইলিশ ধরেছেন ১৭ জেলে। পরে এসব মাছ ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
গ্যালারিশীতকালে খাল-বিলের পানি কমে যাওয়ায় গ্রাম-গঞ্জে বেশ ঘটা করে মাছ ধরতে দেখা যায়। বিবিসি প্রবাহ টিভি অনুষ্ঠানের জন্য আপনাদের কাছে এমন ছবি চাওয়া হয়েছিল। বাছাই করা কিছু ছবি নিয়ে আমা
জৈবভারতের পশ্চিমবঙ্গের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকে ‘জলপরী’ প্রকল্পে জৈব পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে প্রায় তিনশো পরিবার, যাদের অধিকাংশই নারী, এক বছরে প্রায় দুই লাখ রুপি লাভ করেছে বলে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়। ব্লক প্রশাসন তাঁদের আরও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়।
মনে পড়ছে সেই আশির দশকে যখন পুকুরে মাছ চাষের কথা গ্রামের কৃষককে বলতাম তখন কৃষক অবাক হতো। বলত, মাছের আবার চাষ কী? চাষ তো হয় ধান-পাটের। কৃষক ধান-পাট ছাড়া আর কোনো কিছু চাষের কথা চিন্তা
আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। অনেক বেকার যুবক মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। লাভজনক হওয়ায় দিন দিন মাছ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে মাছ চাষকে আরও বেশি লাভজনক করত
সাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে দিশেহারা বরগুনার জেলেরা। শুধু জেলে নয়, মাছ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যরাও। এ অবস্থায় ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে অনেক ট্রলার মালিক বন্ধ রেখেছেন মৎস্য শিকার। এদিকে মাছের অভাবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পাথরঘাটায় রাজস্ব
মৎস্য আহরণ বন্ধে সময় নির্ধারণে দ্রুত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
ইলিশ মাছের ডিম খেতে সবাই পছন্দ করেন। ইলিশের ডিম ভাজি বা এর তরকারি সুস্বাদু হলেও এর ভর্তা কিন্তু দুর্দান্ত। একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে এই ভর্তা। কম উপকরণে ঝটপট তৈরি করা যায় এই ভর্তা। রইলো রেসিপি-
টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রচুর মাছ আসছে। দীর্ঘদিন পর সাগরে মাছ ধরতে পারায় খুশি জেলেরাও। ক্রেতারাও মাছ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। তবে দাম চড়া।
প্রজননের জন্য সাগর থেকে নদীতে আসা ইলিশ নিয়ে প্রতিবছরই গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ কাজটি করেন মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র চাঁদপুরের গবেষকরা। এ বছরও পদ্মা-মেঘনা নদীতে ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন জেলার প্রায় ৭০ কিলোমিটার নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধা
ইলিশের প্রজনন রক্ষায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। রোববার (৩ নভেম্বর) দিনগত মধ্যরাত থেকে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে আবারও ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা শুরু করেছেন জেলেরা। ইলিশ ধরা শুরু হওয়ায় ফের জমে উঠেছে নদীপাড়ের আড়তগুলো।
নিষেধাজ্ঞা শেষে রোববার (৩ নভেম্বর) রাত থেকে সাগর ও নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। এর ফলে ঝালকাঠির বাজারে বেড়েছে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের সরবরাহ।
রাত ১২টার পর থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা। দীর্ঘদিন পর নদীতে নামবেন জেলেরা। এরইমধ্যে প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন তারা। তাদের স্বপ্ন নিষেধাজ্ঞা শেষে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলবে।