লক্ষ্মীপুরে আমন ধান উৎপাদনে ধস
উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যা এবং টানা বর্ষণে লক্ষ্মীপুরে এ বছর আমন ধানের উৎপাদন অর্ধেকেরও কম হয়েছে। সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেতে হাঁটু বা কোমর পর্যন্ত পানি জমে থাকায় কৃষকেরা সময়মতো আমন চাষ করতে পারেননি।
উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যা এবং টানা বর্ষণে লক্ষ্মীপুরে এ বছর আমন ধানের উৎপাদন অর্ধেকেরও কম হয়েছে। সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেতে হাঁটু বা কোমর পর্যন্ত পানি জমে থাকায় কৃষকেরা সময়মতো আমন চাষ করতে পারেননি।
বিটি বেগুন জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ফসল। এদের পরিচর্যা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক শরীফ-আল-রাফি। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বেগুন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ফসল। এ দেশের আবহাওয়ার অনুকূল হওয়ায় বেগুন চাষে ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা
জেসমিন আরার শখ গাছ লাগানো। এই ভালো লাগা সৃষ্টি হয়েছে বাবাকে দেখে। জেসমিন যখন খুব ছোট; তখন থেকেই বাবাকে বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগাতে দেখতেন। বাবা গড়ে তুলেছিলেন আম বাগান। নিজেও একদিন মস্ত বড় বাগান গড়বেন, সেই স্বপ্ন ছিল জেসমিনের। নিজের শ্রম আর চেষ্টায় সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। গড়ে তুলে
ক্রমান্বয়ে শীতের ব্যাপ্তি ও তীব্রতা ক্রমাগত বাড়ছে। ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং ফলন হ্রাসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফসলের পরাগায়ন ব্যাহত হবে। অতি ঠান্ডায় আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ ইত্যাদি ফসলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যাবে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় নষ্ট হবে বোরোর বীজতলা। নষ্ট হচ্ছে কৃষকের শিম, লাউ, কর
আগস্ট মাসের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কৃষিখাতে বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন ফেনীর কৃষকেরা। নিত্য নতুন ফসল চাষের পাশাপাশি ফেনীতে গত মৌসুমের তুলনায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষা চাষ করেছেন তারা। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, 'চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদে ফেনীতে বাম্পার ফলন হওয়ায় সম্ভাবনা আছে। এ
মানিকগঞ্জের মাঠজুড়ে এখন সরিষা ফুলের হলুদ সমারোহ। সরিষা ফুলে ঘুরে ঘুরে মধু সংগ্রহ করছে মৌমাছির ঝাঁক। সংগৃহীত মধু নিয়ে জমা করছে পাশে স্থাপিত মৌ-বাক্সে। এতে সরিষা ফুলের পরাগায়নে সহায়তা হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন সরিষার উৎপাদন বাড়ছে; তেমনই বাড়ছে মধুর উৎপাদন। সরিষা ও মধুর সমন্বিত চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক ও মৌ
এই সময়ে গ্রামের প্রায় বাড়িতে গাঁদা ফুল গাছ দেখা যায়। গাছে গাছে এখন ফুলের সমারোহ। এই ফুলের বীজ থেকেও গাছ গাঁদা ফুল গাছ চাষ করতে পারবেন।
ঘন সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে রসালো কমলা। দূর থেকে মনে হয়, গাছের পাতার ফাঁকে আলো জ্বলছে। দুই সারির মাঝে হাঁটাপথ। নজরকাড়া কমলা। গাছজুড়ে রসে টইটুম্বুর পাকা কমলার থোকা। বাগানজুড়ে যেন রসালো 'চায়না' কমলার রঙিন হাসি। মানুষ কমলা বাগান ঘুরে ঘুরে নেড়েচেড়ে দেখছেন আর অন্যরকম সুখানুভূতিতে আপ্লুত হ
মানিকগঞ্জ জেলায় মাঠে মাঠে হালি পেঁয়াজের চারা রোপণের ধুম পড়েছে। শীত উপেক্ষা করে কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফসলি জমিতে দলবেঁধে পেঁয়াজের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।
শহরের কোলাহল ছেড়ে পাহাড়ের আঁকা-বাঁকা মেঠোপথ পেরিয়ে সীমান্তঘেঁষা তাইন্দংয়ে স্থানীয় কৃষক আলী হোসেন শখের বশে গড়ে তুলেছেন চা বাগান। খাগাড়ছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী তাইন্দংয়ের কৃষ্ণদয়াল বিজিবি ক্যাম্পের পাশেই ৩০ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে এ চা বাগান। উঁচু-নিচু পাহ
দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের তিনভাগের একভাগই উৎপাদন হয় পাবনায়। তাই পেঁয়াজে দেশীয় অর্থনীতিতে পাবনার অবদান ব্যাপক। নতুন জাতের পেঁয়াজ চাষে তুলনামূলক কম খরচে সাড়ে তিনগুণ বেশি ফলন হয়। ফলে এবার সংকটেও আশার গল্প রচনা করছেন পাবনার চাষিরা। বারি-৫ নামক নতুন জাতের এই পেঁয়াজ নিয়ে আশাবাদী কৃষি বিভাগও।
ফল২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জাগো নিউজ জানায়, আবহাওয়া ও মাটির গুণে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় চায়না, দার্জিলিং ও ম্যান্ডারিন কমলার চাষ বাড়ছিল; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাষিদের প্রশিক্ষণ ও চারা দিয়ে সহায়তা করছিল।
সারাবছর কোনোভাবে চাষাবাদ করে টিকে থাকলেও শীতের মৌসুমে বেশি লাভের আশায় তাকিয়ে থাকেন তারা। তেমনই একজন চাষি মো. হাবিব। বয়স তার ৫৫ পেরিয়েছে। এর মধ্যে ২০ বছর ধরে কৃষিকাজ করছেন। লাভবান মৌসুমি ব্যবসায়ীদের মধ্যে তিনি একজন। এবারও তার জমিতে ভালো ফলন হয়েছে। চাষ করেছেন ফুলকপি আর লাউশাক। সবুজ রঙের ফসলে ছেয়ে গেছ