এবার কোরবানিযোগ্য পশু সোয়া কোটি, উদ্বৃত্ত থাকতে পারে ২০ লাখ
আসন্ন ঈদুল আজহায় সর্বমোট কোরবানিযোগ্য মোট গবাদিপশুর সংখ্যা এক কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। এবার প্রায় ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৫টি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহায় সর্বমোট কোরবানিযোগ্য মোট গবাদিপশুর সংখ্যা এক কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। এবার প্রায় ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৫টি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজধানীর আফতাবনগরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
লাইভস্টকমুরগির ‘এইডস’ নামে পরিচিত গামবোরো আসলে বারসা ধ্বংসকারী একটি ভাইরাসজনিত রোগ, মানুষের এইডসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এর কোনো চিকিৎসা নেই; সময়মতো টিকা ও খামারের জীবনিরাপত্তাই সুরক্ষা।
সিরাজুল ইসলাম রেখন। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও ইউনিয়নের হাঁটুভাঙা গ্রামের বাসিন্দা। গরুর খামার থেকে শুরু করে ঠিকাদারি ও পাথরের ব্যবসা ছিল তার। কিন্তু কোনো কিছুতেই সাফল্য আসছিল না। ২০১৩ সালে সিলেটে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ব্যবসায় লোকসানের মুখে পড়েন। ব্যর্থ হয়ে সবকিছু ফেলে চলে যান গ্রা
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে শিয়ালখোওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বসানো হচ্ছে হাটবাজার। এতে বিঘ্ন হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ। খেলাধুলার চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। যাতায়াতে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তি।
লাইভস্টকদুটি গাভী ও ৩,৮০,০০০ টাকার বাজেটে ছোট ডেইরি খামার শুরুর একটি হিসাব, সঙ্গে এফএও ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যে গোয়ালঘর, খাবার, প্রজনন ও রোগ প্রতিরোধের নির্দেশনা।
দেশি মুরগির ব্র্যান্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে গ্রামীণ প্রোটিন। বুধবার (৩০ এপ্রিল) এ ব্র্যান্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
বাজারে এসে গেছে কাঁচা আম। কেউ খাচ্ছেন লবণ-মরিচে ডলে, কেউ দিচ্ছেন ডালে। বৈয়ম ভরে আচার হয়ে সেসব সারা বছরের জন্য ঘরে ঢুকবে কারও কারও। কিন্তু তরকারি খেয়ে দেখবেন না? কাঁচা আম ও কাঁচামরিচ দিয়ে মুরগির মাংস রান্না করে খেয়ে দেখুন। দক্ষিণ ভারতীয় এ রেসিপি একবার চেখে যদি ভালো লাগে, দেখবেন এটা আপনার হয়ে যাবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, গোখাদ্য কখনো বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোর মুনাফার জায়গা হতে পারে না।
আগামী কোরবানির ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর বনশ্রীর মেরাদিয়ায় এবার গরুর হাট বসানো যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গ্রামীণ অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে হাঁস পালন। এর মধ্যে মাসকোভি হাঁস উল্লেখযোগ্য। যা 'চীনা হাঁস' নামেও পরিচিত। বর্তমানে এই হাঁস বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সহজ পালন পদ্ধতি, কম খরচে অধিক লাভ এবং পুষ্টিকর ডিম ও মাংসের কারণে এটি গ্রামীণ কৃষকদের কাছে আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠছে।
মায়ের নির্দেশে ১৪ হাজার ৬শ টাকা দিয়ে একটি গরু কেনেন। সেই এক গরু থেকে এখন শতাধিক গরুর মালিক তিনি। প্রতিদিন তার খামারে ৪৫০ থেকে ৫০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। দুধ ও গরুর বাছুর বিক্রি করে প্রতিবছর আয় করেছেন লাখ লাখ টাকা। গরু থেকে দুধ সংগ্রহের পাশাপাশি গোবর থেকে বায়োগ্যাস, কেঁচো কম্পোস্ট জৈব সার ও ট্রাইকো ডার
'নিজেদের গরুর গোবর ড্রামের মধ্যে রেখে জৈব সার তৈরি করতাম। স্বামীর অজান্তে নিজেদের ফসলের জমিতে সেই সার ছড়িয়ে দিয়ে আসতাম। যখন পাশের জমি ছাড়া আমাদের ফসলের গাছ দেখতে সবুজ ও সতেজ হতো তখন সবাই আমার স্বামীর কাছে জানতে চাইত কী বীজ ও সার ব্যবহার করে। কিন্তু আমার স্বামী তাদের বলতো, তোমরা যা দিয়েছ, আমিওতো তাই