জি-থ্রি রুই মাছে সাফল্য দেখছে মাছ চাষীরা
দ্রুত বর্ধনশীল জি-থ্রি রুই মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছে যশোরের মাছ চাষীরা। যশোরের চাঁচড়ায় তৃতীয় প্রজন্মের তরুণ উদ্যোক্তারা এই মাছ চাষ করছেন। তারা বলছেন মাছ চাষে জি-থ্রি রুই নতুন সম্ভাবনা।
দ্রুত বর্ধনশীল জি-থ্রি রুই মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছে যশোরের মাছ চাষীরা। যশোরের চাঁচড়ায় তৃতীয় প্রজন্মের তরুণ উদ্যোক্তারা এই মাছ চাষ করছেন। তারা বলছেন মাছ চাষে জি-থ্রি রুই নতুন সম্ভাবনা।
যশোরবছরতিনেক আগে করোনাকালীন সময়ে গাছপালা আর প্রকৃতিকে ভালোবেসে নিজের ভূবন সাজিয়েছেন যশোরের ইসমত জেরিন খান ও তার পরিবার। এখন বিষমুক্ত ফল ফসল আর সৌখিন কৃষির সঙ্গেই তাদের বসবাস৷
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে দেশের কৃষিখাতে। যশোরের চুড়ামনকাঠিতে আগাম শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদনকারী কৃষকরা বলছেন এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় চারা বিক্রি কমেছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে দেশের কৃষিখাতে। যশোরের চুড়ামনকাঠিতে আগাম শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদনকারী কৃষকরা বলছেন এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় চারা বিক্রি কমেছে।
বছর তিনেক আগে করোনাকালীন সময়ে গাছপালা ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে নিজের ভুবন সাজিয়েছেন যশোরের ইসমত জেরিন খান ও তার পরিবার। এখন বিষমুক্ত ফল ফসল আর শৌখিন কৃষির সঙ্গেই তাদের বসবাস।
যশোর শহরের পূর্ব-বারান্দিপাড়ায় ফলে ফলে সমৃদ্ধ ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন এক চিকিৎসক পরিবার। পেশাগত ব্যস্ততার ফাঁকে ছাদের কৃষির মাঝে কাটে তাদের মনোমুগ্ধকর সময়।
যশোর'চিনি খান'-এর নারকেলি কুল
যশোরের চুড়ামনকাঠিতে গড়ে উঠেছে চারা উৎপাদনের অত্যাধুনিক নার্সারি। পলিনেট হাউসে সম্পূর্ণ মাটি ছাড়াই সেখানে কৃষকের চাহিদা নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ফসলের চারা।
যশোরফুল চাষকে ঘিরে জেগে উঠেছে একটি জনপদ। যশোরের গদখালী একসময়ের পিছিয়ে থাকা ক্ষেত্র আজ এক সফল পেক্ষাপট। একটি জনপদ ও বহু মানুষের পরিবর্তিত জীবন গাঁথার সঙ্গে ছিল গণমাধ্যমের এক সুর। আজকের এই পরিবর্তনের পেছনে আছে ঝলমলে এক সকালের গল্প।
যশোরএই আয়োজন শুধু আবর্জনা ব্যবস্থাপনা নয়, আবর্জনা প্রক্রিয়াজাতকরণের। শহরবাসী দৈনন্দিন যে বর্জ্যগুলো ফেলে দেন, সেগুলোই সংগ্রহ করে আনা হচ্ছে এখানে তারপর বেশ কয়েকটি ধাপ শেষ করে আবর্জনা পরিণত হচ্ছে শক্তিতে। এখানেই পরিকল্পিতভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জৈব সার। তার মানে কৃষিতে নাগরিকদের অবদান যুক্ত করার এক বড় উদ্যোগ।
পৃথিবীর নানা প্রজাতির প্রাণী পালন করেও যে বহুমুখী সাফল্য অর্জন করা যায়, এমন নজির গড়েছেন যশোরের মাহমুদুল ইসলাম। তিনি গত দশ বছর ধরে দেশি-বিদেশি ১৬ প্রজাতির প্রায় একশ’র মতো প্রাণীর এক সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন।
মাছের হরমোন প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করে সাফল্যের নজির গড়েছেন যশোরের এক উদ্যোক্তা। ইতোমধ্যেই তিনি পরীক্ষামূলক পৃথিবীর ২০টি দেশে রপ্তানি করেছেন পিটুইটারি গ্লান্ড নামের প্রাকৃতিক হরমোন। এই খাতে অনেক সম্ভাবনার কথাও জানাচ্ছেন ওই উদ্যোক্তা।
সব আশা নিরাশার মধ্যেও বছরটি ভালো ছিল ফল ফসল উৎপাদন ও বাণিজ্যে। আগের চেয়ে কিছুটা ভালো দিন কাটিয়েছেন কৃষক। ফসলের মাঠে সৌন্দর্যে মিশে সে হয়েছে আত্মবিশ্বাসী। সুখের স্বপ্ন দেখিয়েছে শহর নগরের মানুষকে। এই দৌড়ে এবারও অনেকটা এগিয়ে সৌন্দর্যের কারবারি যশোরের ফুলচাষীরা।