শ্রবণশক্তি যেভাবে ভালো রাখবেন
আমাদের জীবনে কোনো কিছু দেখা যেমন গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শোনা। আর এ শোনার কাজটি করে দেয় আমাদের কান দুটি।
আমাদের জীবনে কোনো কিছু দেখা যেমন গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শোনা। আর এ শোনার কাজটি করে দেয় আমাদের কান দুটি।
ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে পাকা কলার স্থায়িত্ব বাড়ানোর কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানানো যায়।
ফুসফুসের সমস্যা যেকোনো বয়সের মানুষেরই হতে পারে
চারদিকে ভ্যাপসা গরম। বৃষ্টি হলেও গরমভাব তেমন কমছে না। এই অতিরিক্ত ঘাম হওয়াটা অস্বস্তিকর ব্যাপার। বাইরে বের হওয়ার পর কাপড়-চোপড় ভিজে একাকার। আপাতদৃষ্টিতে এ সমস্যাটিকে বিরক্তিকর ম
একজন নারী তাঁর জীবনচক্রের শৈশব, কৈশোর এবং পূর্ণ বিকশিত প্রজননক্ষম সময় পেরিয়ে একসময় মধ্য বয়সে উপনীত হন। প্রতিটি পর্যায়েই নারীর জীবনে হরমোনজনিত নানা রকম পরিবর্তন ঘটে। এ বয়সও ব্
দেশি ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা পুষ্টিতে ভরপুর, বেশ সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সবারই পেয়ারা বেশ পছন্দের একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক।
ভিটামিন সি স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি। ভিটামিন সি এমন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকেও আমাদের
বিভিন্ন কারণেই ক্লান্তি আসতে পারে শরীর ও মনে। কারও আবার ঘুমের আগে ক্লান্তি, ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্তি এমনকী সারা দিনই ক্লান্ত লাগে।
শরীরের যত্ন বাইরে থেকে যতই নেন না কেন, সঠিক খাবারগুলো শরীরের ভেতর না পৌঁছালে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখা মুশকিল। নিয়মিত ফল খেলে ভালো থাকে ত্বক।আর এমন বেশ কিছু ফল রয়েছে যা খেলে আপনা
হৃৎপিণ্ড রক্ত সঞ্চালন করার সময় শিরা ও ধমনীর ওপরে যে পরিমাণ চাপ দিয়ে থাকে তাই হচ্ছে রক্তচাপ। কিন্তু যখন বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালি সরু হয়ে শক্ত হয় ও হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে
অনেকেই খাওয়ার সময়ে চামচ ব্যবহার করেন। হাত দিয়ে খাবার খেতে চান না। পদ্ধতিগত পার্থক্য ছাড়াও, স্বাস্থ্যের উপরেও এই দু’টি অভ্যাসের আলাদা আলাদা প্রভাব রয়েছে।
বয়স যতই হোক, মুখে বলিরেখা পড়া মানেই বুড়িয়ে যাওয়া। আর এটি দূর করতে বাজারে আছে হরেক ক্রিম। কিন্তু এ রেখা দূর করা যায় নিয়মিত স্বাস্থ্যকর একটি চা খেয়েও। বিউটি চায়ের রেসিপিটা এ
অ্যালার্জি সর্দি নাকের একটি সমস্যা, যা নাসিকা ঝিল্লির প্রদাহের ফলে হয়ে থাকে। যেহেতু এর ব্যাপ্তি চারদিকে; তাই বলা যায় এটি বিশ্বময় স্বাস্থ্য সমস্যা। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০