ফলআমের আঁটি কুড়িয়ে শুরু, পানছড়ির শিক্ষিকার নার্সারিতে এখন ৫০ হাজার চারা
করোনায় স্কুল বন্ধে বেতন না পেয়ে আমের আঁটি থেকে চারা করা শুরু করেছিলেন খাগড়াছড়ির ম্রানুচিং মারমা; এক একরের নার্সারির চারা বেচে এখন বছরে আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।
ফলকরোনায় স্কুল বন্ধে বেতন না পেয়ে আমের আঁটি থেকে চারা করা শুরু করেছিলেন খাগড়াছড়ির ম্রানুচিং মারমা; এক একরের নার্সারির চারা বেচে এখন বছরে আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।
ফলস্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সাবেক চিফ ম্যানেজার নিহাল সিং রাজস্থানের জালোরে প্রায় ৫,০০০ ডালিম গাছের বাগান করেছেন; ধাপে ধাপে রাসায়নিক থেকে জৈব উপকরণে যাওয়া আর ড্রিপ সেচে তাঁর বাগানের খরচ প্রায় ২০ লাখ রুপি থেকে এ বছর ৮-৯ লাখে নেমেছে বলে তাঁর দাবি।
ফলবুধবার দুপুরে প্রবল বাতাসে শোলাকুড়ী, ফুলবাগচালা, অরণখোলা, ভুটিয়া ও কুড়াগাছার বাগান তছনছ হয়েছে; মাঠের হিসাব শেষ হলে ক্ষতি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস।
এগ্রোটেকজন ডিয়ারের মালিকানাধীন গাস অটোমেশন তাদের চালকবিহীন ফলবাগান স্প্রেয়ারে আউস্টারের রঙিন লিডার সেন্সর বসাচ্ছে, যাতে গাছের ছাউনির নিচে স্যাটেলাইট সংকেত না পেলেও যন্ত্র সারি ধরে চলতে পারে।
এগ্রোটেকজর্জিয়া টেকের নেতৃত্বে তৈরি ক্ল্যাস্প রোবটের ঘুরন্ত সিলিকন ফিতা পুরো থোকা ধরে শুধু পাকা ব্লুবেরি টেনে তোলে, কাঁচা ফল গাছেই থাকে; মাঠপরীক্ষায় ২৫ বারের চেষ্টায় সফলতার হার ৯২ শতাংশ।
ফলজিন সম্পাদনায় তৈরি দুটি ইউরোপীয় প্লাম লাইন, যেগুলো অল্প বয়সে এবং বারবার ফুল দেয়, সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার আবেদনে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত মতামত নিচ্ছে মার্কিন কৃষি বিভাগ; উদ্দেশ্য ফলগাছের জাত উদ্ভাবনের সময় কমানো।
ফলকচ্ছপিয়ার নাপিদেরচরের আনোয়ার হোসেন ৪০ শতকে ৭০ হাজার টাকা খরচে প্রায় তিন হাজার চারা লাগিয়েছেন, খেতে সাত-আট হাজার তরমুজ; তবে দরকার ৪০০-৫০০ কেজি সার, পেয়েছেন মাত্র ১০০ কেজি।
ফলজুনে পরীক্ষামূলকভাবে দেড় লাখ টাকা খরচে শুরু করে জসিম হোসেন ও রাজিব হাসান অনলাইনে ১০০ টাকা কেজিতে ফল বেচছেন; উপজেলায় এখন ৬০ থেকে ৭০ বিঘায় রক মেলনের চাষ।
গ্যালারিরেললাইনের পাশে ভোর থেকে নিলামের হাঁকডাকে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর, ড্রাগন ফল আর ডালিম বিক্রি হয়; পাইকারি দরে কিনে ভ্যানে করে নিয়ে যান খুচরা বিক্রেতারা।
ফলচরাঞ্চল থেকে ১০-১২ টাকা কেজিতে কেনা শক্ত সবুজ পেঁপে কাগজে মুড়িয়ে ট্রাকে তোলা হয়, কারওয়ান বাজারে পৌঁছানোর আগেই পেকে বিক্রি হয় ১৫০-২০০ টাকায়; ব্যবসায়ী রাসায়নিকের কথা অস্বীকার করছেন।
ফলনলেয়া গ্রামের তরুণ তাওহিদুল ইসলাম তাওহিদ ১০ শতক জমিতে ৮৫টি গাছ দিয়ে বাণিজ্যিক আঙুর চাষ শুরু করে ফলন পেয়েছেন; এখন প্রায় চার বিঘায় বাগান করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
ফলহাকিমপুরের বলরামপুর গ্রামের কৃষক আতিয়ার রহমান কৃষি অফিসের প্রদর্শনী প্রকল্পে ৫০ হাজার টাকা খরচে মাচায় তরমুজ চাষ করে ৭০ দিনে ফলন পেয়েছেন; প্রথম দফাতেই বিক্রি সোয়া লাখ টাকা।
ফসলজামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বছরের দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকা যে জমিতে অন্য ফসল হয় না, সেখানে কম খরচে পানিফল চাষ করে আয় করছেন কৃষকেরা; উপজেলা কৃষি অফিস বলছে এ চাষের ভালো সম্ভাবনা আছে।