এগ্রোটেকবৃহৎ কৃষিযন্ত্রের প্রদর্শনীতে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের পসরা
চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে অনুষ্ঠিত এশিয়ার বৃহৎ কৃষিযন্ত্রের প্রদর্শনীতে এবার প্রাধান্য পেয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র।
এগ্রোটেকচীনের হুবেই প্রদেশের উহানে অনুষ্ঠিত এশিয়ার বৃহৎ কৃষিযন্ত্রের প্রদর্শনীতে এবার প্রাধান্য পেয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র।
সম্প্রসারিত হচ্ছে হাইড্রোপনিক ঘাস উৎপাদন প্রযুক্তি। বিসিএসআইআর এর সহযোগিতায় বিশ্বমানের এমন প্রকল্প গড়ে তুলেছেন নারায়ণগঞ্জের এক উদ্যোক্তা। দেশীয় পদ্ধতি অনুসরণ করে অল্প ব্যয়ে হাউড্রোপনিক ঘাস উৎপাদনের দৃষ্টান্তও গড়েছেন অনেকে।
বিশ্বব্যাপী কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বাড়ছে। হস্তচালিত যন্ত্রগুলো পরিণত হচ্ছে যান্ত্রিক, আর মোটর চালিত যন্ত্রগুলোকে করে তোলা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের পসরা।
ঢাকার দোহারে নেট হাউজে হাইড্রোপনিক কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। শিল্প উদ্যোক্তা মিজানুর রহমান পরীক্ষামূলক আধুনিক পদ্ধতির কৃষিতে এসে অল্পদিনেই বেশ তৃপ্ত।
গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে গড়ে উঠেছে মাটি ছাড়াই কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত গ্রিন হাউজ। আলো ও তাপ নিয়ন্ত্রিত ওই গ্রিন হাউজে উৎপাদিত বিভিন্ন ফল ও সবজি ইতোমধ্যেই বাজারজাত শুরু হয়েছে।
বিশ্বের আধুনিকতম কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রাসারণে কাজ করছে নেদারল্যান্ড। বিশেষ করে গ্রিন হাউজ কৃষিতে নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করছে তারা। ফসল আবাদকে পরিকল্পিত শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে তারা তুলে ধরছে এক বিস্ময়।
উন্নয়ন সাংবাদিকতা
জরাজীর্ণ মাটির ঘরে পাঠদান চলছে রাজশাহীর একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের। সাড়ে তিন’শরও বেশি শিক্ষার্থীর ওই বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিকশিত শিক্ষার যুগে বিদ্যালয়টি রয়ে গেছে মান্ধাত্বার আমলেই।
মাটি ছাড়া কি গাছ হয়? এমন প্রশ্নে ভ্রু কুঁচকাবে অনেকেই। সেও কি সম্ভব? কিন্তু আজকের বিজ্ঞান যেন শোনাচ্ছে অন্য গল্প। বলছে মাটি ছাড়া মাত্র দুই-একটি গাছ নয়, রীতিমত বাণিজ্যিক কৃষিও সম্ভব। গাছ উৎপাদন করতে মাটির ভেতরের যে উপাদান দরকার হয়, তা পাওয়া যেতে পারে মাটি ছাড়াও অন্য উৎস থেকে। এর আগে যেমন আমরা
ডাচ্ সভ্যতার এক জীবন্ত প্রতীক হয়ে আছে উইন্ড মিল। যা কৃষি ও শিল্পনির্ভর জীবনব্যবস্থার পাশাপাশি জানান দেয় একটি জাতির ঐতিহ্যপ্রেম। যা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই সারাবিশ্বের পর্যটকের। বিশেষ করে এশিয়াবাসীর।