সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

খাবার হজম না হলে করণীয়

অনেককেই বলতে শোনা যায়- খাবার হজম হচ্ছে না। বুক জ্বালাপোড়া করছে। খাবার গলার কাছাকাছি চলে আসছে। এমন অস্বস্তিকর সমস্যাকে রিফ্লাক্স বলা হয়।

অনেককেই বলতে শোনা যায়- খাবার হজম হচ্ছে না। বুক জ্বালাপোড়া করছে। খাবার গলার কাছাকাছি চলে আসছে। এমন অস্বস্তিকর সমস্যাকে রিফ্লাক্স বলা হয়।

রিফ্লাক্স কী : রিফ্লাক্স গ্রিক শব্দ, যার মানে উল্টা প্রবাহ। পাকস্থলীর ভেতরের পদার্থগুলো নিচের দিকে না গিয়ে ওপরের দিকে বা উল্টোদিকে গলায় উঠে আসে। যখন আমরা খাবার খাই খাবার পাকস্থলীতে যায় এবং হজম শুরু হয়ে যায়, এ খাবার যখন হজম না হয়ে ওপরের দিকে গলাতে উঠে আসে, তখন তাকে রিফ্লাক্স বলে।

খাবার হজম না হয়ে উল্টোদিকে উঠে আসলে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন ইমপালস হাসপাতালের নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহির আল-আমিন।

যাদের রিফ্লাক্স থাকে তাদের সবার বুকজ্বালা বা হজমের অসুবিধা নাও থাকতে পারে। যাদের স্বরযন্ত্র ও গলার রিফ্লাক্স থাকে তাদের অনেকেরই বুকজ্বালা থাকে না। এ জন্যই স্বরযন্ত্র ও গলার রিফ্লাক্সকে সুপ্ত রিফ্লাক্স বলা হয়। ফলে এ রোগ ধরতে অনেক সময় অসুবিধা হতে পারে।

* গলা বারবার পরিষ্কার করা।

* গলার শ্লেষা বৃদ্ধি পাওয়া।

* খাদ্য, পানি বা বড়ি গিলতে অসুবিধা হওয়া।

* খাবার পর বা শোয়ার পর কাশি হওয়া।

* শ্বাস নিতে অসুবিধা বা শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া।

* কষ্টকর বা বিরক্তিকর কাশি।

* গলার ভেতর কিছু আটকে থাকা বা গলার ভেতর টিউমারের মতো কিছু বোধ করা।

* বুকজ্বলা, বুকব্যথা, হজমের অসুবিধা বা ঢেঁকুরের সঙ্গে টক পানি উঠে আসে।

* গলায় টিউমারের মতো বাধ করা।

* ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া।

গলায় টিউমারের মতো মনে হওয়া

গলার মধ্যে চাকার মতো বোধ করা। এটা সাধারণ সমস্যা যার সঙ্গে স্বরযন্ত্র ও গলার রিফ্লাক্সের যোগাযোগ আছে। একে গ্লোবাস ফেরিনজিস বলে। কেউ বলে গলায় কিছু চেপে আছে অথবা গলায় শ্লেষা এমনভাবে জমে আছে যে তারা এটা কফের সাহায্যে পরিষ্কার করতে পারছেন না। অনেকে ভাবেন যে তাদের গলায় ক্যান্সার হয়েছে। এটা সবসময় ক্যান্সারের উপসর্গ নয়। এ দুশ্চিন্তা রোগীর একই অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। গ্লোবাস মানে হচ্ছে গলায় একটা অস্বস্তিবোধ যার জন্য টিউমার বা ক্যান্সার দায়ী নয়।

কীভাবে বুঝবেন স্বরযন্ত্র ও গলায় রিফ্লাক্স হচ্ছে : অনেক দিন ধরে গলার স্বর বসে যাওয়া, বারবার গলা পরিষ্কার করা এবং কাশি হওয়া, তার সঙ্গে গলার ভেতর টিউমারের মতো বোধ করা অথবা ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া- এগুলোই হচ্ছে স্বরযন্ত্র বা গলার রিফ্লাক্সের উপসর্গ।কারও কারও বুকজ্বলা থাকতে পারে। কারও গলার স্বর মাঝে মাঝে বসে যায়, আবার হঠাৎ করে ঠিক হয়ে যায়। কারও কারও বেশি শ্লেষা হওয়া এসব উপসর্গ থাকতে পারে। কেউ কেউ শুয়ে থাকলে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো মনে হতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটা মারাত্মক কিছু নয়। কারও যদি এসব উপসর্গ থাকে এবং কেউ যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন তবে সমস্যাগুলোর কারণ জানার জন্য নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞ আপনার গলা ও স্বরযন্ত্র ভালোভাবে দেখবেন। অনেক সময় গলার এন্ডোসকোপি করা লাগতে পারে। এটা পেটের এন্ডোসকোপি থেকে ভিন্ন। যেহেতু এটা অনেক সরু এবং নাক অবশ করে ঢুকানো হয় সেহেতু এটা করার সময় ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয় না বললেই চলে।

চিকিৎসা : বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ রোগের চিকিৎসা কিছু দিন নিতে হয়, এটা হতে পারে মাস অথবা বছর। চিকিৎসা আবার নিতে হয় যখন এ রোগ আবার হয়। কারও কারও আবার সবসময় চিকিৎসা নিতে হয়।

স্বরযন্ত্র ও গলার রিফ্লাক্স (এলপিআর) কোনো মারাত্মক জটিলতা করে না, যদি কেউ চিকিৎসা না নিয়ে থাকেন তাহলে এ রোগ মারাত্মক ও বিপজ্জনক হতে পারে।

যাদের ওষুধে কাজ হয় না তাদের ক্ষেত্রে ‘এনিটি রিফ্লাক্স’ সার্জারি করতে হয় এবং যাদের সার্জারি হয় তারা এলপিআর থেকে অনেক বছর সুস্থ থাকেন।

যেভাবে এলপিআর চিকিৎসা করা হয়

অনেক ধরনের চিকিৎসা আছে, যেমন-

* খাদ্যাভ্যাস বদলানো যাতে রিফ্লাক্স কম হয়।

* ওষুধ ব্যবহার করা যাতে পাকস্থলীর এসিড কম বের হয়।

* সার্জারি করা যাতে রিফ্লাক্স না হয়।

খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রা বদলালে এবং সঙ্গে কিছু ওষুধ ব্যবহার করলে এলপিআরের চিকিৎসা করা সহজ, খুব কম ক্ষেত্রে সার্জারির দরকার হয়।

রিফ্লাক্স ও এলপিআর কমানোর জন্য উপদেশ

* খুব টাইট জামাকাপড় না পরা, বিশেষ করে কোমরের দিকে।

* স্বল্প চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। মাখন, গরু ও খাসির মাংস না খাওয়া। ভাজা-পোড়া কম খাওয়া। পনির, চকলেট ও পেসট্রি বর্জন করা। লেবু জাতীয় পানীয় না পান করা।

* মোটা হলে ওজন কমিয়ে ফেলা।

* উত্তেজক পানীয় (মদ) না খাওয়া।

আমাদেরসময়.কমসূত্র

দৈনন্দিন

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

সাতক্ষীরার বস্তিতে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত পরিবারের ৭৪.৯ শতাংশ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীন

ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও নদীভাঙনে ঘর হারিয়ে সাতক্ষীরা শহরের বস্তিতে ওঠা ৩৫৮ পরিবারের ওপর খানি বাংলাদেশ ও প্রানের গবেষণায় দেখা গেছে, ৭৪.৯ শতাংশ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীন, সামাজিক সুরক্ষার আওতায় মাত্র ৭.৫ শতাংশ।

চ্যানেল আই অনলাইন১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

এলপিজি ব্যবসায়ীদের দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার, ২৯ অক্টোবর গণশুনানি করবে বিইআরসি

সরকারের কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি আর বিইআরসির সঙ্গে আলোচনার পর ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দোকান বন্ধ রাখার কর্মসূচি তুলে নিয়েছেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা; তাঁদের দাবি নিয়ে ২৯ অক্টোবর গণশুনানি।

নিউজবাংলা ২৪১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

ঘাটাইলের চান্দশীতে মাসের পর মাস জলাবদ্ধতা, পানির নিচে আবাদি জমি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভার চান্দশী গ্রামে ড্রেনেজ না থাকায় শত শত পরিবার পানিবন্দি, আবাদি জমি তলিয়ে চাষ করতে পারছেন না কৃষকেরা; ইউএনও বলছেন, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হবে।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)