সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

কৃষকের ঘরে নেই ধানের গোলা

সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেল

সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেল

একটা সময় ছিল গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে এক একটি করে ধানের গোলা ছিল। সেই কৃষক হোক বর্গাচাষি অথবা জমির মালিক। এমনকি গ্রামের বিয়ে-শাদি পর্যন্ত হতো গৃহস্থের ঘরে ধানের গোলা আছে কি না, সেটা দেখে। কিন্তু কালের আবর্তে অটো রাইস মিল আর আমদানিকৃত চালের কারণে এখন সেই ধানের গোলা আর দেখা যায় না।

এর অবশ্য অন্য কারণও আছে। বৃষ্টিসহ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, সেই সঙ্গে শ্রমিক সংকটের কারণেও ধান শুকিয়ে গোলায় রাখার মতো কষ্টসাধ্য কাজ সাধারণত কেউ করতে চান না। এ কারণেই ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কাঁচা ধানই সবাই নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছেন। বিপরীতে বেশি দামে নগদ টাকায় চাল কিনে খাচ্ছেন।

যে কারণে ফায়দা লুটছে এক শ্রেণির মৌসুমী ফরিয়া এবং মিল মালিকেরা। ধান ওঠার মৌসুমের শুরুতেই সব ধান চলে যাচ্ছে মিল মালিক এবং মজুতদারদের গোডাউনে। এমনিতেই ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায় না। সেই সঙ্গে মণপ্রতি নিচ্ছে ৪২ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত।

আরও পড়ুনসাতক্ষীরায় নতুন জাতের ধান চাষে সফল কৃষকজলবায়ু পরিবর্তনে ধান চাষে নতুন সমস্যা

স্থানীয় ভাবে ধানের বাজারদর ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা পর্যন্ত। সরকারি বেঁধে দেওয়া ধানের ন্যায্য মূল্য কাগজে-কলমেই রয়ে যায়। এর সুবিধা পায় না স্থানীয় কৃষক, বর্গাচাষি কিংবা জমির মালিকেরা। সব লাভ মধ্যস্বত্বভোগীদের দখলে চলে যায়। কৃষকের উৎপাদিত ধানই পরে তাকে বেশি দামে কিনতে হয়। চাল কিনতে হয় আরও বেশি দাম দিয়ে।

হঠাৎ যদি কোনো কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জাতীয় কোনো সংকট দেখা দেয়। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাবে কয়েক দিন খাদ্য সংকট মেটানোর মতো ধান মজুত ব্যবস্থা নেই স্থানীয় মানুষের হাতে। যা দুর্ভিক্ষের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় ভাবে ধানের মজুতকরণ অত্যন্ত জরুরি।

ফলে আমাদের কৃষিমুখী হতে হবে। যে কোনো পেশার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে কৃষিকাজে মনোনিবেশ করা উচিত। কারোনার মতো সংকটেই দেখেছি, জিনিসপত্রের দাম কীভাবে বেড়ে যায়। তাছাড়া প্রতিনিয়তই বাড়ছে বাজারদর। তাই কৃষকের গোলায় ধান-চাল না থাকলে এক সময় তাকেই থাকতে হবে না-খেয়ে। বিষয়টি ভেবে দেখার সময় এসেছে।

লেখক: কথাশিল্পী ও সংগঠক।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

রাজশাহীর দুর্গাপুরে প্রথমবার পরীক্ষামূলক ব্ল্যাক রাইস চাষ

দুর্গাপুরে দুই চাষি ১৬ কাঠা ও আড়াই বিঘা জমিতে প্রথমবার ব্ল্যাক রাইস লাগিয়েছেন; বিঘায় ১৬ থেকে ১৮ মণ ফলনের আশা, ফলন ও বাজার দেখে আবাদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে কৃষি বিভাগ।

বাসস১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বিশ্ব খাদ্য দিবসের সেমিনারে প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার ও এআইয়ে জোর

বার্ক মিলনায়তনে বিশ্ব খাদ্য দিবসের সেমিনারে নির্ভুল কৃষি, ড্রোন ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তরুণদের প্রশিক্ষণ, জিন সম্পাদনা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় জলবায়ু-স্মার্ট কৃষির আহ্বান জানানো হয়।

বাংলা নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)