সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

নজরকাড়া দুর্লভ ফুল গোলাপি সোনালু

দেখতে একদম সোনালু ফুলের মতো। মিলে যায় গঠন এবং বৈশিষ্ট্য। যদিও এখন পর্যন্ত এর তেমন কোনো নাম নির্ধারণ করা হয়নি। তবে প্রজাতিটিকে ‌'পিঙ্ক ক্যাসিয়া' বলে থাকেন কেউ কেউ। যাকে বাংলায় বলা হয় 'গোলাপি সোনালু'। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এ ফুলের গাছ। যেমন শোভা; তেমন সুঘ্রাণ। দুয়ে ম

দেখতে একদম সোনালু ফুলের মতো। মিলে যায় গঠন এবং বৈশিষ্ট্য। যদিও এখন পর্যন্ত এর তেমন কোনো নাম নির্ধারণ করা হয়নি। তবে প্রজাতিটিকে ‌'পিঙ্ক ক্যাসিয়া' বলে থাকেন কেউ কেউ। যাকে বাংলায় বলা হয় 'গোলাপি সোনালু'। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এ ফুলের গাছ। যেমন শোভা; তেমন সুঘ্রাণ। দুয়ে মিলে মৌমাছির পাশাপাশি বিমোহিত হচ্ছেন ফুলপ্রেমীরাও।

গোলাপি সোনালু বা সোনাইল উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের একটি দৃষ্টিনন্দন মাঝারি আকারের চিরসবুজ গাছ। যা গাঢ় ও হালকা গোলাপি ফুলের জন্য পরিচিত। উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলভেদে এ ফুলের গাছগুলো সাধারণত ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, মায়ানমারে হয়ে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এ গাছ রোপণ করা হয়। এ ফুলের গাছগুলো দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় রোপণের কয়েক বছরের মধ্যে মাঝারি আকারের হয়ে ফুল ফুটতে শুরু করে। গাছগুলো সচারাচর ৩০ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে।

শীতকালের মাঝামাঝি গাছের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকাল শুরু হতেই কচিপাতায় ছেয়ে যায় গাছ। পরে গাছের কাণ্ড ভেদ করে গুচ্ছ আকারে ফুটতে শুরু করে গোলাপি রঙের ফুল। ফুলগুলো পাঁচ পাঁপড়ি বিশিষ্ট এবং ফুলের মাঝ বরাবর হলুদ রঙের পরাগধানী থাকে। রঙের দিক থেকে আলাদা হলেও ফুলগুলো অনেকটা দেশীয় কাঞ্চন ফুল ও হলুদ সোনালু ফুলের বৈশিষ্ট্য বহন করে। যখন গাছগুলোতে ফুল আসে; তখন অসংখ্য ফুল ফোটে। ফুলগুলোতে কিছুটা সুঘ্রাণ থাকায় এবং রঙের ছটায় মৌমাছিরা ভীষণ আকৃষ্ট হয়। এ ছাড়া প্রজাপতি ও ছোট পাখিরাও এ ফুলের মধুর টানে ছুটে আসে। পাশাপাশি গাছগুলোর পাতা, ছাতার ন্যায় আকৃৃতি ও বিন্যাস সবকিছুই দৃষ্টিনন্দন।

সম্প্রতি এ ফুলের গাছগুলোর তিনটির দেখা মিলেছে শরীয়তপুর জেলা মডেল মসজিদের পাশে। ২০২৩ সালে সাবেক জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানের উদ্যোগে রোপণের পর এই প্রথম ফুটেছে ফুল। ফুলগুলো ফোটার পর গাছগুলোর সৌন্দর্য এখন ঠিকরে বের হচ্ছে। এমন ফুল প্রথমবারের মতো দেখে উল্লসিত অনেকেই। স্থানীয় বাসিন্দা আকাশ মাহমুদ বলেন, 'কয়েকদিন ধরে মসজিদে নামাজ পড়ার সময় নতুন ফুলগুলো দেখছি। মিষ্টি ঘ্রাণের পাশাপাশি অপরূপ। দেখতে আমাদের দেশের সোনালু ফুলের মতো। তবে রংটা গোলাপি। ফুলগুলোর কারণে মসজিদ প্রাঙ্গণ আরও সুন্দর হয়ে উঠেছে। এ ধরনের ফুল গাছ যদি প্রত্যেক মহাসড়কের পাশে লাগনো হয়, তাহলে বেশ ভালো লাগবে।'

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় জেলা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহর সাথে। তিনি বলেন, ‌'মসজিদের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য গাছগুলো রোপণ করেন তখনকার জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান। যখন গাছগুলো রোপণ করা হয়, তিনি বলেছিলেন গাছগুলোতে সুন্দর ঘ্রাণযুক্ত গোলাপি ফুল ফুটবে। এবার গাছগুলোতে ফুল ফুটেছে। এই প্রথম আমি এ ফুল দেখলাম। যেমন ঘ্রাণ তেমন তার সৌন্দর্য। মাশাআল্লাহ! আমি সব সময় গাছগুলোর পরিচর্যা করি। যাতে কেউ ফুলগুলো নষ্ট না করে। তাছাড়া গাছগুলো ছায়া দেওয়ায় মসজিদের হাঁটার রাস্তাটিও ঠান্ডা থাকে।'

এই ফুল নিয়ে কথা হয় মাদারীপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান বেদানন্দ হালদারের সাথে। তিনি জানান, এটি লাল সোনালু বা বাঁদরলাঠি নামে পরিচিত। লাল সোনালু হচ্ছে ফ্যাবাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া জাভানিকা। এর আদি নিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বর্তমানে সারা পৃথিবীর উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মাতে দেখা যায়। এটি গোলাপি বা গাঢ় লাল রঙের ফুলের জন্য নান্দনিক ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন বাগান বা রাস্তার পার্শ্বে বা রাস্তার মাঝ লেনে লাগানো হয়। এটি দেশের দুর্লভ ও দৃষ্টিনন্দন ফুলের মধ্যে অন্যতম।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফুল

সম্পর্কিত খবর

জৈব

গরুর চারণের আচ্ছাদন ফসলে সূর্যমুখী, সেই মাঠেই ফুল তুলতে আসেন দর্শনার্থী

কানাডার ম্যানিটোবার আর্নেসের দুগিদ পরিবার পুনরুৎপাদনশীল চারণের আচ্ছাদন ফসলে কাটা ফুলের সূর্যমুখী জাত যোগ করেছে। এখন একই মাঠ তাদের গরুর খাবার জোগায়, আবার দর্শনার্থীদের নিজ হাতে ফুল তোলার দিনেও ভিড় টানে।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফুল

আগুনরঙা সুগন্ধি পানামা রোজ: গোলাপ নয়, রঙ্গনের আত্মীয়; কাটিংয়েই চারা

মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে ফোটা কমলা-লাল পানামা রোজ (Rondeletia odorata) পানামা ও কিউবার গুল্ম; অক্টোবর থেকে মে পর্যন্ত ফোটে, ১০-১৫ সেন্টিমিটার ডাল কেটে পুঁতলে তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহে শিকড় গজায়।

সমকাল১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফুল

পাবনার বিল-ঝিলে লাল-সাদা শাপলার সমারোহ, তবু কমছে শাপলা জন্মানোর জায়গা

গাজনার বিল, ডিকশির বিল, চলনবিলসহ পাবনার জলাশয়ে এখন লাল ও সাদা শাপলা ফুটেছে; তবে জলাশয় ভরাট, অপরিকল্পিত মাছ চাষ আর কীটনাশকে শাপলার জায়গা সংকুচিত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

দেশ রূপান্তর১২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)