সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

আম খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

ফলের রাজা আমের স্বাদে মুগ্ধ হয়না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই মৌসুমী ফল সবার প্রিয়। তবে কোনো জিনিস যতই ভালো হোক, অতিরিক্ত হলে তার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই আমের উপকারিতার পাশাপাশি জেনে নিন বেশি খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে।

ফলের রাজা আমের স্বাদে মুগ্ধ হয়না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই মৌসুমী ফল সবার প্রিয়। তবে কোনো জিনিস যতই ভালো হোক, অতিরিক্ত হলে তার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই আমের উপকারিতার পাশাপাশি জেনে নিন বেশি খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে।

আম খাওয়ার উপকারিতা

আমে আছে ভিটামিন-এ, সি, ই, কে, বি৬, ফোলেট, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বছরের মাত্র কয়েক মাস এই ফল খেয়ে এতোসব পুষ্টি উপাদান পাবে আপনার শরীর, যা সারা বছর আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

আমে থাকা ভিটামিন-সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, যা সংক্রমণ ও বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।

আমে রয়েছে অ্যামাইলেজ জাতীয় এনজাইম, যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আমে থাকা ভিটামিন-এ ও বিটা-ক্যারোটিন চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আমে থাকা ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং বলিরেখা কমায়। এছাড়াও চুলের গোড়া শক্ত করে।

আমে থাকা কোয়ারসেটিন, অ্যাস্ট্রাগালিন ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার সেল বৃদ্ধি রোধ করতে পারে।

আমে থাকা পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

আম খাওয়ার অপকারিতা

আমে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা (ফ্রুক্টোজ) থাকে, তাই অতিরিক্ত আম খেলে ওজন বাড়তে পারে।

আম খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। অর্থাৎ আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি থেকে বেশি। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের আম কম খাওয়া উচিত। বেশি আম খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে যা পরবর্তীতে আরও স্বাস্থ্যসমস্যা তৈরি করতে পারে।

অতিরিক্ত পাকা আম খেলে ডায়রিয়া ও কাঁচা আম বেশি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। কাঁচা আম অ্যাসিডিটিও বাড়াতে পারে।

আমে, বিশেষ করে কাঁচা আমে অক্সালেট থাকে। যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাদের জন্য কাঁচা আম বেশি খাওয়া ঠিক নয়।

আম একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল, তবে এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। সঠিক পরিমাণে খেলে এর উপকারিতা পাওয়া যায় এবং অপকারিতা এড়ানো যায়। সেই সঙ্গে আপনার যদি আমে অ্যালার্জি থাকে তাহলে এই মৌসুমে ফল দিয়ে তৈরি যেকোনো ডেজার্ট খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। কারণ ডেজার্টে অনেকেই আম ব্যবহার করেন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)