সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ক্যানসার চিকিৎসা চলাকালে যে ফলগুলো সবচেয়ে উপকারী

ক্যানসারের চিকিৎসা চলার সময় খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা অন্য চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অনেক সময় বমি ভাব, মুখে ঘা, ক্ষুধামান্দ্য কিংবা হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে ফল হতে পারে শরীরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও পুষ্টিকর এক ভরসা।

ক্যানসারের চিকিৎসা চলার সময় খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা অন্য চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অনেক সময় বমি ভাব, মুখে ঘা, ক্ষুধামান্দ্য কিংবা হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে ফল হতে পারে শরীরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও পুষ্টিকর এক ভরসা।

চিকিৎসকেরা বলেন, ফল শুধু ভিটামিন বা খনিজের উৎস নয় - চিকিৎসার ধকল সামলাতেও কিছু ফল বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।

চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ফল নির্বাচন

ক্যানসারের চিকিৎসার সময় শরীরের প্রতিক্রিয়া সবার এক রকম হয় না। তাই উপসর্গ বুঝে ফল বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

>> বমি বা বমি ভাব হলে নরম ফল সহজে হজম হয়।>> কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে কাঁচা ফল, শুকনো ফল কিংবা প্রুন জুস উপকার দিতে পারে।>> ডায়রিয়া হলে কলা, আপেল সস ও ফলের রস তুলনামূলক নিরাপদ।>> ক্ষুধামান্দ্য থাকলে শুকনো ফল বা ফল দিয়ে তৈরি স্মুদি শরীরে ক্যালরি জোগাতে সাহায্য করে।>> মুখে ঘা হলে নেকটার, আপেল জুস বা নরম ক্যানড ফল খাওয়া সহজ।

তবে জুস পান করলে সতর্ক থাকতে হবে – এতে অতিরিক্ত চিনি আছে কিনা। কারণ, রিফাইন্ড সুগার ক্যানসার রোগীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সাইট্রাস ফল: রোগ প্রতিরোধে সম্ভাব্য সহায়ক

কমলা, মাল্টা, আঙুরের মতো সাইট্রাস ফল নিয়ে গবেষণা বলছে, এগুলো নিয়মিত খেলে কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমতে পারে। জাপানে করা একটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সাইট্রাস ফল বা ফলের রস খান, তাদের ক্যানসারের ঝুঁকি তুলনামূলক কম।

বিশেষ করে হজমনালী, ফুসফুস, স্তন, প্রোস্টেট ও ত্বকের কিছু ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই ফলগুলো সম্ভাব্য সুরক্ষা দিতে পারে।

আপেল ও সাদা ফলের ভূমিকা

গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আপেল খাওয়ার সঙ্গে ক্যানসারের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক রয়েছে, বিশেষ করে ফুসফুসের ক্যানসারের ক্ষেত্রে। আপেলের মধ্যে থাকা কোয়েরসেটিন ও বিশেষ ধরনের কার্বোহাইড্রেট কোষের ক্ষতি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

আপেল ছাড়াও নাশপাতি, মাশরুম, পেঁয়াজ - সাদা ফল ও সবজি কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সবুজ ফল ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য

কিউই, হানিডিউ মেলন, সবুজ আঙুরের মতো সবুজ ফল অন্ত্রের জন্য উপকারী। বিশেষ করে কিউই ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

শুকনো ফল কেন গুরুত্ব পাচ্ছে?

প্রুন, কিশমিশের মতো শুকনো ফল নিয়মিত খেলে কোলোরেক্টাল পলিপ, প্রোস্টেট ক্যানসার এবং প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারজনিত মৃত্যুঝুঁকি কমতে পারে - এমন তথ্য পাওয়া গেছে কিছু গবেষণায়। তাই সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচবার শুকনো ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্য ফল নিয়ে গবেষণা কী বলছে?

আনারসের ব্রোমেলিন, ডালিমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা কমলা রঙের ফলের ক্যারোটিনয়েড - এসব নিয়ে গবেষণা চলছে। এখনই নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও, এসব ফল উচ্চ ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হজমে সহায়ক, যা ক্যানসার রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখবেন

কোনো একটি ফলই ক্যানসার সারিয়ে তোলে না। তবে চিকিৎসার সময় সঠিক ফল বেছে নেওয়া শরীরকে শক্ত রাখে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায় এবং সুস্থ থাকার লড়াইটা কিছুটা সহজ করে। একারণে চিকিৎসা চলাকালে ডাক্তারের পরামর্শে সঠিক ফল নির্বাচন করুন।

সূত্র: ওয়েব এমডি

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)