সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সুন্দরবনের ভোলা নদীতে জেলের জালে ২০ কেজির কোরাল, বিক্রি ৩৬ হাজার টাকায়

বাগেরহাটের শরণখোলার জেলে জহুরুল পহলানের জালে সুন্দরবনের ভোলা নদীতে ২০ কেজির একটি কোরাল ধরা পড়েছে; কেজি ১ হাজার ৮০০ টাকা দরে মাছটি বিক্রি হয়েছে ৩৬ হাজার টাকায়।

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সুন্দরবনের ভোলা নদীতে মাছ ধরার সময় মাছটি জালে ওঠে। পরে শরণখোলা বাজারে সেটি বিক্রি হয় ৩৬ হাজার টাকায়।

শরণখোলা গ্রামের জেলে জহুরুল পহলান বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে ভোলা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। জাল ফেলার কিছুক্ষণ পর অস্বাভাবিক টান টের পান; জাল তুলতেই দেখা যায় বড় আকারের কোরাল। সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় আড়তদার শাহাদাত মুন্সী মাছটি কিনে নেন; কেজিপ্রতি দাম পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত এক মাসে সুন্দরবনের জেলেদের জালে ধরা পড়া মাছের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় কোরাল। শাহাদাত মুন্সী বলেন, বড় কোরালের চাহিদা বেশি থাকায় ভালো দাম পাওয়া গেছে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান বলেন, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তাই এখন জেলেদের জাল ও বড়শিতে বড় আকারের মাছ ধরা পড়ছে এবং জেলে ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন।

সূত্র: ডেইলি অবজারভার

ডেইলি অবজারভারসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)