সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

রোমে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের সম্মেলন, প্রায় ৫০ কোটি মানুষের জীবিকা নিয়ে কর্মপরিকল্পনা

এফএও সদর দপ্তরে তৃতীয় ক্ষুদ্র মৎস্য সম্মেলনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ হয়েছে; বিশ্বের মোট মাছ আহরণের অন্তত ৪০ শতাংশই আসে এই খাত থেকে।

গত ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে তৃতীয় ক্ষুদ্র মৎস্য সম্মেলন। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ যে খাতের ওপর নির্ভরশীল, তার অগ্রাধিকার ঠিক করতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন মৎস্যজীবী, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও গবেষকেরা।

শেষ দিনের মন্ত্রী পর্যায়ের অধিবেশনে এফএওর মহাপরিচালক কু ডংইউ জানান, বিশ্বের মোট মাছ আহরণের অন্তত ৪০ শতাংশ আসে ক্ষুদ্র মৎস্য খাত থেকে, আর আহরণ-মৎস্যের মূল্যশৃঙ্খলে বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মসংস্থানও এখানেই।

তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা, দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্র মৎস্য খাত অপরিহার্য। সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ, দুই ধরনের ক্ষুদ্র মৎস্যই বহু পরিবার ও গোটা সমাজকে পুষ্টিকর খাবার জোগায়, যা প্রায়ই তাদের পরিচয়, স্থানীয় ঐতিহ্য ও জীবনধারার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।”

ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, কেপ ভার্দে ও মাদাগাস্কারের মন্ত্রীদের উদ্দেশে কু বলেন, ২০১৪ সালে গৃহীত ‘টেকসই ক্ষুদ্র মৎস্য নিশ্চিত করার স্বেচ্ছামূলক নির্দেশিকা’ এখনো প্রধান হাতিয়ার। তাঁর ভাষায়, এর কার্যকর বাস্তবায়ন “সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনাকে যুক্ত করে, যাতে খাতটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায্য এবং পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই হয়।”

সম্মেলনে নির্দেশিকা আরও এগিয়ে নেওয়া এবং জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়। ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগরের দেশগুলো, যেখানে টেকসইতার চাপ সবচেয়ে বেশি, একটি আঞ্চলিক কর্মপরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে, আর সাতটি দেশ অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চালু করেছে।

তবু কাজ বাকি অনেক। উপকূলীয় মৎস্যজীবী জনগোষ্ঠীকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে পরিবেশের অবনতি, মাছ ধরার ধরন বদল, প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়া, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, দূষণ ও জলবায়ুর পরিবর্তন, এবং একই পানি ও উপকূল নিয়ে অন্য অর্থনৈতিক খাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা।

সম্মেলনটি আয়োজন করে এফএও, খাদ্য সার্বভৌমত্বের আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা কমিটির মৎস্য কর্মদল, সুইডবায়ো এবং ইন্টারন্যাশনাল কালেকটিভ ইন সাপোর্ট অব ফিশওয়ার্কার্স। অর্থায়ন করেছে সুইডেন, নরওয়ে, জার্মানি ও এফএও (ইএএফ নানসেন কর্মসূচিসহ), ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফিশ৪এসিপি কর্মসূচি এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিনক্রোনিসিটি আর্থ, টার্নিং টাইডস ও ব্লু ভেঞ্চার্স।

মৎস্য কমিটির ৩৭তম অধিবেশনের ঠিক আগে সম্মেলনটি রাখা হয়েছিল ইচ্ছাকৃতভাবে, যাতে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের বক্তব্য এফএওর পরিচালনা পর্ষদের সামনে পৌঁছায়। এমন আলোচনায় ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের কণ্ঠ সাধারণত কম শোনা যায়, অথচ তাঁরাই নিজেদের বাস্তুতন্ত্রের রক্ষক এবং তাঁদের প্রথাগত জ্ঞান সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)