সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ঈদে চমক বাড়িয়েছে রেকাত আলীর গোলাপি মহিষ

নাটোর শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের ধারে ডাল সড়ক এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে ড্রিমল্যান্ড ক্যাটেল অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম। এই ফার্মে রয়েছে অদ্ভুত ধরনের তিনরঙা মহিষ এবং সাদা রঙের মহিষ। অ্যালবিনো জাতের এই ইন্ডিয়ান জাতের মহিষগুলো বাংলাদেশে দুষ্প্রাপ্য।

নাটোর শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের ধারে ডাল সড়ক এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে ড্রিমল্যান্ড ক্যাটেল অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম। এই ফার্মে রয়েছে অদ্ভুত ধরনের তিনরঙা মহিষ এবং সাদা রঙের মহিষ। অ্যালবিনো জাতের এই ইন্ডিয়ান জাতের মহিষগুলো বাংলাদেশে দুষ্প্রাপ্য।

খামারের মালিক আলহাজ রেকাত আলী জানান, তার ফার্মে সাদা রঙের মহিষ এবং কালো গোলাপি ও সাদা রঙের মিশ্রিত মহিষ রয়েছে। এগুলো মূলত অ্যালবিনো এবং অ্যালবিনো রিভো জাতের মহিষ। ইন্ডিয়ান জাতের এই মহিষগুলো খোদ ইন্ডিয়াতেও দুষ্প্রাপ্য। তিনি অত্যন্ত শখের বসে ভিন্নরকম দেখতে এই মহিষগুলো ইন্ডিয়া থেকেই সংগ্রহ করেছেন। তার ফর্মে এই মহিষগুলো দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করেন ক্রেতা এবং দর্শনার্থীরা।

রেকাত আলী জানান, তিনি তার গরুগুলো হাটে তোলেন না বা হাটে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন না। ক্রেতারা তার ফার্মে এসে দেখেশুনে দমে পোষালে গরু, মহিষ, ছাগল ও দুম্বা কিনে নিয়ে যান। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দাম এবং ক্রেতাদের ভিড় কম।

আরও পড়ুন

ফার্মে পাকিস্তানের শাহীওয়াল, কসবা, হাম বাঙ্কার, ইন্দোনেশিয়ান লাল হুন্ডি এবং দেশি জাতের গরু রয়েছে। এছাড়া তার ফার্মে ছাগল ও দুম্বা লালনপালন করা হয়।

তিনি জানান, ফার্মে ইন্দোনেশিয়ান জাতের কিছু বড় গরু রয়েছে, যেগুলো ১০০০ থেকে ১২৫০ কেজি ওজনের। এই গরুগুলো ১৫ লাখ থেকে ৩০ লাখ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হয়। এছাড়া দেখতে সুন্দর অ্যালবিনো জাতের মহিষগুলো সাড়ে ৫০০ কেজি থেকে ৮৫০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। এগুলো মূলত ৩ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হচ্ছে।

ফার্মের গরুগুলোকে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে লালনপালন করা হয়। এজন্য তিনি ২০ বিঘা জমিতে ঘাসের চাষ করেছেন। এর পাশাপাশি ভাতের মাড়, গমের ভুসি, খৈল, এংকার পাউডার মিশিয়ে গরু, মহিষগুলোকে খাওয়ানো হয়। এ কারণে এই ফার্মের পশুর চাহিদাও থাকে বেশি।

তবে এ বছর ক্রেতাদের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অন্যান্য বছরে তুলনায় এবার গরু, মহিষ, ছাগল ও দুম্বার দামও কম রয়েছে। এর মধ্যে গো-খাদ্য ও শ্রমের দাম বেড়েছে। বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।

নওগাঁ থেকে গরু কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান, অনলাইনে গরু দেখে তার কাছে দাম বেশি মনে হয়েছিল। তাই সরাসরি রেকাত আলীর ফার্মে আসেন এবং গরুর সাইজ দেখে একটি গরু ক্রয় করেছেন।

রেকত আলী জানান, অনলাইনে পশু বিক্রি করা ঝামেলার। ক্রেতা ফার্মে এসে সরাসরি দেখে শুনে কম-বেশি কিছু দামে পশু ক্রয় করতে পারেন। সেটাই অনেকটা ভালো এবং দামাদামি নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হয় না।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)