বিশ্বের অন্যতম বড় মিঠাপানির মাছচাষ খাত ভিয়েতনামের পাঙাশ শিল্পে অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধ নিয়ে ২৪ লাখ পাউন্ডের (৩২ লাখ ডলার) একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিক থেকে সরে আসার চাপে থাকা চাষিদের প্রেক্ষাপটে খবরটি দিয়েছে অ্যাগনেভিগেটর।
যুক্তরাজ্যের গবেষণা ও উদ্ভাবন সংস্থা (ইউকেআরআই) সংক্রামক রোগ, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ও নতুন প্রজন্মের পশু-টিকা নিয়ে ১৮টি প্রকল্পে ৫ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ করছে, এটি তারই অংশ। নেতৃত্বে স্টার্লিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্গারেট ক্রামলিশ, সঙ্গে আছে গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যান থো বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিয়েতনাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
ক্রামলিশ বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্যের জন্য বৈশ্বিক সমস্যা, আর ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার উদ্ভব ও বিস্তারে জলজ পরিবেশের বড় ভূমিকা আছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মাছচাষিদের হাতে প্রায়ই কার্যকর বিকল্প থাকে না, তাই কাজ কমে গেলেও তাঁরা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার চালিয়ে যান।
গবেষকেরা দেখবেন কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে, উৎপাদনে এর প্রভাব কী, চাষিরা কেন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন এবং নতুন সমাধান নিতে তাঁরা কতটা আগ্রহী। চাষি, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করা হবে, যাতে প্রস্তাবিত পদক্ষেপ বাস্তবে খামারে কাজে লাগে। এর ভিত্তি হবে স্টার্লিংয়ের নতুন প্রজন্মের মাছের টিকা নিয়ে আগের গবেষণা।
প্রকল্পের মূল মনোযোগ ভিয়েতনামে হলেও গবেষকেরা এমন একটি কাঠামো তৈরি করতে চান, যা একই সমস্যায় থাকা অন্যান্য দেশের মিঠাপানির মাছচাষে কাজে লাগানো যাবে।
ছবি: Lerdsuwa / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: AgNavigator




মন্তব্য
(০)