সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

বৃষ্টির অভাবে আমন নিয়ে উৎকণ্ঠায় কৃষক

আষাঢ় শেষে শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টি নেই। প্রখর রোদে সব শুকিয়ে যাচ্ছে। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় বর্ষায় আমনের আবাদ হয়। তাই আমন চাষ সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীল। এখন বর্ষা চলছে। অথচ বৃষ্টির দেখা নেই। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এই উপজেলার কৃষকরা।

আষাঢ় শেষে শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টি নেই। প্রখর রোদে সব শুকিয়ে যাচ্ছে। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় বর্ষায় আমনের আবাদ হয়। তাই আমন চাষ সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীল। এখন বর্ষা চলছে। অথচ বৃষ্টির দেখা নেই। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এই উপজেলার কৃষকরা।

অনেকে গভীর-অগভীর নলকূপ চালু করে ক্ষেতে সেচ দিয়ে হালচাষ শুরু করেছেন। এতে এবারের আমন চাষ নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন কৃষকরা।

রোববার (২৮ জুলাই) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত বছরগুলোতে আষাঢ় মাসের শুরুতে বৃষ্টির দেখা মেলে। বৃষ্টির পানি জমিতে বেঁধে রেখে চাষাবাদ করা হতো। চারিদিকে পানি থৈ থৈ করতো। নদী-নালা, খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি দেখা যেত। এসব পানি দিয়ে জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হতো। আবার কখনো লাগানোর কিছুদিনের মধ্যে ফসল ডুবে যেত।

কিন্তু এ বছর আষাঢ় মাস শেষ হয়ে শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টির দেখা নেই। কাঠফাটা তপ্ত রোদে ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির দিকে চেয়ে আছে মানুষসহ প্রাণীকুল। লাগানো জমিতে ধান বাঁচাতে গভীর ও অগভীর নলকূপ দিয়ে সেচ দেওয়া হচ্ছে।

নন্দীগ্রাম উপজেলার ইউসুবপুর গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, তীব্র রোদে আমনের ক্ষেতগুলো চৌচির হয়ে গেছে। বেশ কিছু মাঠে কৃষকেরা আমন ধান লাগাতে গভীর-অগভীর নলকূপ চালু করে সেচ দিচ্ছেন।

ওই গ্রামের কৃষক বকুল হোসেন জানান, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিতে আমনের আবাদ করা হয়। এতে খরচ কম হয়। কিন্তু এবার খরায় জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে, বৃষ্টির দেখা মিলছে না। এভাবে চলতে থাকলে বিঘাপ্রতি অতিরিক্ত প্রায় তিন হাজার টাকা খরচ হবে। এতে করে ধানের উৎপাদন খরচ উঠবে কি না তা বুঝতে পারছেন না তিনি।

উপজেলার কাথম, রিধইল, বিজয়ঘাট, চাকলমা, তেঘরি এলাকার অনেক কৃষকরা জানান, সাধারণত আমনের জমি প্রস্তুতের জন্য বিঘাপ্রতি ব্যয় হয় চার হাজার টাকা। কিন্তু এবার আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় অতিরিক্ত এক হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। আমন ধান চাষে সেচের দরকার হয় না। বৃষ্টির পানিতেই আমন চাষ হয়ে থাকে। কিন্তু এবার বিঘাপ্রতি সেচের জন্য অতিরিক্ত এক হাজার টাকা খরচ হবে।

কাথম গ্রামের কৃষক ফেরদৌস সরদার মাঠের শুকনো জমিতে হাল চাষ দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, 'বর্ষা চলে যাচ্ছে, বৃষ্টির দেখা নাই। শুকনা জমি ঘাসে ভরে যাচ্ছে। বসে থেকে আর কী করমু! শুকনা জমিতেই হালচাষ দিচ্ছি।'

বিজয়ঘাট গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, 'শাওন (শ্রাবণ) মাসের ১৩ দিন চলে যাচ্চে। বর্ষার দেকা নাই। জমিতো আর খালি ফেলে রাখা যাচ্চে না। তাই শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিয়ে আমন লাগাবার জমি তৈরি করিচ্চি।'

এদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে, উদ্বেগের কিছু নেই। শ্রাবণের শেষ ভাগে বৃষ্টি হলেও চাষাবাদ ব্যাহত হবে না। এই উপজেলায় ১৯ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। উপজেলায় ছোট-বড় মিলে প্রায় তিন হাজার ৫০০ গভীর ও অগভীর নলকূপ রয়েছে।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজিউল হক জানান, ক্ষরার কবলে পড়ে আমন চাষাবাদ ব্যাহত হতে চলেছে। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকদের বাড়তি সেচ দিয়ে আমনের আবাদ করতে হচ্ছে। এতে আমন আবাদে লাভ এবার কম হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বৃষ্টি হয় তাহলে কৃষকরা উপকৃত হবেন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)