Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

বিশালাকার ‘শান্ত’র দাম বলছে না কেউ

‘হায়রে কপাল! হাতির মতো এত বড় গরুটার দামই কেউ মুলায় না (দাম বলে না)।’ পুরান ঢাকার ঐহিত্যবাহী রহমতগঞ্জ ফুটবল ক্লাব মাঠে কোরবানির পশুর হাটে আনুমানিক ২০ মণ ওজনের বিশাল আকারের গরু ‘শ

জাগোনিউজ২৪.কম৩০ জুলাই ২০২০ · ২ মিনিটের পড়া

‘হায়রে কপাল! হাতির মতো এত বড় গরুটার দামই কেউ মুলায় না (দাম বলে না)।’ পুরান ঢাকার ঐহিত্যবাহী রহমতগঞ্জ ফুটবল ক্লাব মাঠে কোরবানির পশুর হাটে আনুমানিক ২০ মণ ওজনের বিশাল আকারের গরু ‘শান্ত’র পাশে দাঁড়িয়ে হতাশার সুরে এ কথা বলছিলেন কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা গরু ব্যাপারী আবদুল মান্নান।

অনেক আশা নিয়ে এই একটি মাত্র গরুই হাটে বিক্রি করতে নিয়ে এসেছেন তিনি। সাড়ে পাঁচ লাখ থেকে ছয় লাখ টাকা দামে গরুটি বিক্রি করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু গত চার দিনে কোনো ক্রেতা কেনার মতো দাম বলেনি। তাই ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে আবদুল মান্নানের চেহারায় ততই দুশ্চিন্তার ছাপ পড়ছে।

মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমান করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ক্রেতারা গরুর উল্টাপাল্টা দাম বলছেন। ছয় লাখ টাকার গরুর দাম দুই লাখ, আড়াই লাখ টাকায় দরকষাকষি করছেন। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, লাভতো অনেক দূরের কথা, এখন পুঁজি নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারব কি-না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

বাজারের বড় গরু নিয়ে শুধু আবদুল মান্নান একা নন, তার মতো আরও বেশ কয়েকজন ব্যাপারী দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শন ও ব্যাপারীদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, এ হাটে দুই থেকে পাঁচ ছয় লাখ টাকা দামের বড় গরুগুলোর ক্রেতার দেখা মিলছে না। স্বল্পসংখ্যক ক্রেতা যারা দরদাম করছেন তারাও সঠিক দামের কাছাকাছিও দাম বলছেন না। বাজারে ৬০-৭০ হাজার থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দামের গরুর ক্রেতাই বেশি।

হারিছ মিয়া নামের একজন ব্যাপারী বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুযোর্গ করোনা পরিস্থিতির কারণে তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ক্রেতারা গরুর প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম দাম বলছেন। গরু কিনে লাভ করার মানসিকতা নিয়ে কোরবানি দেয়া কতটুকু ইসলাম ও বিধিসম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই ব্যাপারী।

সরেজমিন হাট পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, বাজারে টুকটাক গরু বিক্রি হলেও বড় বড় গরুর ব্যাপারী ও তাদের সহযোগীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। তবে তারা আশা করছেন, আজ ও আগামীকালের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি হবে। ক্রেতা পেলে কমবেশি লাভ কিংবা লাভ ছাড়া কেনা দামে বিক্রি করে দেবেন। এর কারণ হিসেবে ব্যাপারীরা বলছেন, গরুগুলো বাড়ি ফিরিয়ে নিতে হলে আলাদা করে গাড়ি ভাড়া গুনতে হবে। আবার বাড়িতে রেখে লালনপালন করতে বাড়তি খরচ হবে।

ট্যাগ#কুরবানি#দাম#গরু#পশু#ঈদুল-আজহা
জাগোনিউজ২৪.কমদা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()