সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

দিনাজপুরে কেজিতে ১০-২৫ টাকা বেড়েছে নতুন আলুর দাম

দিনাজপুরের বাজারে হঠাৎ করে নতুন আলুর দাম বেড়েছে। এতে চাহিদা বেড়েছে পুরাতন আলুর। তবে পুরাতন আলুর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দিনাজপুরের বাজারে হঠাৎ করে নতুন আলুর দাম বেড়েছে। এতে চাহিদা বেড়েছে পুরাতন আলুর। তবে পুরাতন আলুর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দিনাজপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই দৃশ্য দেখা গেছে। বাজারে প্রকারভেদে নতুন আলু ৩০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকা কেজি। তবে পাড়া মহল্লায় দোকানগুলোতে নতুন আলু জাত ভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় ক্ষেত থেকে আলু তোলার জন্য শ্রমিক না পাওয়াকে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছেন।

আবহাওয়া অফিসের সূত্রমতে, দিনাজপুর জেলায় টানা ৭ দিন ধরে চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। দিন ও রাতের তাপমাত্রা কাছাকাছি হওয়ায় প্রচণ্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। হাড় কাঁপানো এই শীতের কারণে মানুষ কোনো কাজেই ঠিকমতো করতে পারছেন না। ক্ষেতে খোলা মাঠে কাজ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে করে কৃষি শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় কনকনে শীতে আগাম জাতের আলু উত্তোলন করার জন্য পর্যাপ্ত শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে চাহিদার তুলনায় আলু উত্তোলন কমে গেছে। যতটুকু উত্তোলন হচ্ছে তা ট্রাকে লোড হয়ে ঢাকায় চলে যাচ্ছে। সে কারণে দিনাজপুরের বাজারে আলু সরবরাহ কমেছে। অনেক সবজির দোকানে নতুন আলু নেই। আর এই সুযোগে বাজারে জাতভেদে আলুর দাম কেজিতে ১০ টাকা থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্টারিস ৭ জাতেল আলু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি, যা দুই দিন আগেও ছিল ১৫ টাকা কেজি, দেশি গোল আলু ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে যা দুই দিন আগে বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা কেজি, সাদা চল্লিশা আলু দুইদন আগেও বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, তা আজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। এছাড়াও বিনা সেভেন, সানশাইন, দেশি শাখিতা আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। পাড়া মহল্লার মুদি দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে।

সদর উপজেলার ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামের কৃষক জুয়েল ইসলাম বলেন, বাজারে যেভাবে দাম বেড়েছে, সে তুলনায় ক্ষেতে দাম বাড়েনি। ক্ষেতে আলু জাতভেদে সর্বচ্চো ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাত বদলে আলুর দাম দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে।

উপশহর এলাকার মুদি দোকানি আমির হামজা জানান, বাজারে আলুর দাম বেড়েছে। আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছি। আজকে সাদা চল্লিশা আলু ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।

এদিকে শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার বাহাদুর বাজারে আলুর অনেক পাইকারি দোকান বন্ধ রয়েছে। বাজারে আলু সরবরাহ কমেছে। তাই বেশি দামে আলু বিক্রি হচ্ছে। ৩০ টাকা কেজির নিচে নতুন আলু নেই। তাই মানুষ বাধ্য হয়ে পুরাতন আলু কিনছেন।

রুপম নামে এক ক্রেতা জানান, নতুন আলুর দাম বেশি হওয়ায় তিনি ৬০ টাকা দিয়ে ৫ কেজি পুরাতন আলু নিয়েছেন।

আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী আজাহার আলী জানান, শীতের কারণে কৃষক আলু উত্তোলন করতে পারছে না। সে কারণে বাজারে আলু সরবরাহ নেই, বড় ব্যবসায়ীরা যতটুকু আলু পাচ্ছে তা দিয়ে ঢাকার বড় ব্যবসায়ীদের ঠিক রাখার চেষ্টা করছে। বাজারে আলু সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। পুরাতন আলু দিয়ে ক্রেতার চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বাজারে নতুন আলুর দাম বাড়লেও পুরাতন আলু দাম বাড়েনি। এখনো খুচরা ১২ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এমদাদুল হক মিলন/এফএ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

কুয়াশায় শিকড় খাওয়ানোর প্রযুক্তিতে রোগমুক্ত আলুবীজ উৎপাদনের পরীক্ষা ইংল্যান্ডে

স্টার্টআপ এয়ারপনিক্স ও ডাইসন ফার্মিং ডেফরার অর্থায়নে দুই বছরের এক পরীক্ষা শুরু করেছে: কুয়াশাভিত্তিক পদ্ধতিতে বর্তমান খরচের অর্ধেকেরও কমে ইংল্যান্ডে রোগমুক্ত প্রথম প্রজন্মের আলুবীজ উৎপাদন সম্ভব কি না।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাশরুমের গাঁজন প্রযুক্তিতে টফুর বর্জ্য হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ সুস্বাদু উপাদান

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সয়া দুধ ও টফুর অবশিষ্ট ওকারা ঝিনুক মাশরুমের মাইসেলিয়াম দিয়ে গাঁজন করে এর প্রোটিন প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশে তুলেছেন, বাড়িয়েছেন উমামি স্বাদ।

Green Queen১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)