সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

২০ বছর বন্ধ গাংনীর সরকারি মৎস্য হ্যাচারি, পোনার জন্য মেহেরপুরের চাষিরা অন্য জেলায়

জেলার ৬,৪৩৮টি চাষযোগ্য পুকুরের জন্য পোনা আসছে যশোর, ঝিনাইদহ, নওগাঁ, সান্তাহার থেকে; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, সদরের সরকারি হ্যাচারিটি আগামী বছর উৎপাদনে ফেরানোর প্রস্তুতি চলছে।

২০ বছর বন্ধ গাংনীর সরকারি মৎস্য হ্যাচারি, পোনার জন্য মেহেরপুরের চাষিরা অন্য জেলায়
মৎস্য

মেহেরপুরের দুটি সরকারি মৎস্য হ্যাচারি বহু বছর ধরে বন্ধ। গাংনী উপজেলার হ্যাচারিটি প্রায় ২০ বছর উৎপাদনের বাইরে, জেলা সদরেরটিও দীর্ঘদিন বন্ধ। ফলে জেলার মাছচাষিদের পোনা আনতে হচ্ছে বাইরের জেলা থেকে, তাতে খরচ বাড়ছে আর ভালো পোনার অভাবে লাভ কমছে।

স্থানীয় উদ্যোক্তা ও রেণু-পোনা ব্যবসায়ীদের ভাষ্যে, গাংনীর হ্যাচারি ১৯৯৬ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত চালু ছিল, তখন সেখানে নানা প্রজাতির রেণু-পোনা উৎপাদন হতো, যা মেটাত স্থানীয় চাহিদা, যেত চুয়াডাঙ্গা-কুষ্টিয়াতেও। এখন হ্যাচারিগুলো পরিত্যক্ত, পোনা উৎপাদনের যন্ত্রপাতি খোয়া গেছে, খামারের জমি বেদখলের অভিযোগও আছে।

জেলা মৎস্য বিভাগের হিসাবে সদরে ১ হাজার ৮২৯টি, গাংনীতে ৩ হাজার ৯৯৫টি আর মুজিবনগরে ৬১৪টি, মোট ৬ হাজার ৪৩৮টি চাষযোগ্য পুকুর, এর বাইরে ১৬টি উন্মুক্ত জলাশয়। এসব পুকুরের পোনা এখন আসে যশোর, ঝিনাইদহ, নওগাঁ ও সান্তাহারের হ্যাচারি থেকে। দূরের পথে পরিবহন খরচ বাড়ে, পোনা মারা যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে, আর সময়মতো পোনা না পেয়ে অনেক খামারির উৎপাদন পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। মৎস্য অধিদপ্তর নিজেও প্রতিবছর সরকারি টাকায় বাইরে থেকে লাখ টাকার বেশি পোনা কিনে পুকুরে ছাড়ে।

মৎস্য বিভাগ বলছে, হ্যাচারি বন্ধ থাকার পেছনে লোকবল সংকট, যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়া আর উৎপাদন অলাভজনক হওয়ার মতো কারণ আছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, জেলায় মাছ চাষ বাড়লেও মানসম্মত পোনার জন্য এখনো বাইরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। মোট চাষযোগ্য পুকুরের প্রায় ৬২ শতাংশই গাংনীতে, তাই সেখানকার হ্যাচারিসহ সরকারি হ্যাচারিগুলো সচল হলে পোনা সরবরাহে বড় পরিবর্তন আসবে। সদরের হ্যাচারিটি আগামী বছর উৎপাদনে ফেরানোর প্রস্তুতি চলছে, এতে বাইরের নির্ভরতা, পরিবহন খরচ আর পোনা মরার ঝুঁকি কমবে বলে জানান তিনি। প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের মেহেরপুর সংবাদদাতার।

ছবি: Syed Sajidul Islam / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)