সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ঔষধি গাছ চাষে গ্রামের কৃষকের বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা

তুলসি, থানকুনি, অ্যালোভেরা, নিম, কালোজিরা, হলুদ ও আদার মতো ঔষধি উদ্ভিদ প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি চাষ করে কৃষক বাড়তি আয় করতে পারেন বলে মনে করেন লেখক মাহমুদা তাসমিহ; তবে প্রশিক্ষণ, সংরক্ষণ ও বাজার সংযোগ ছাড়া সম্ভাবনা কাজে লাগবে না।

ঔষধি গাছ চাষে গ্রামের কৃষকের বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা
মতামত

শুধু প্রচলিত ফসলের ওপর নির্ভর করে কৃষকের আয় বাড়ানো কঠিন, তাই ঔষধি গাছের চাষ গ্রামের কৃষকের জন্য নতুন আয়ের পথ খুলে দিতে পারে। জাগো নিউজ ২৪-এ প্রকাশিত এক লেখায় এমন যুক্তি তুলে ধরেছেন ইডেন মহিলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদা তাসমিহ। মতামতটি লেখকের নিজস্ব।

লেখকের মতে, দেশে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ও চাষযোগ্য বহু ঔষধি উদ্ভিদ আছে। তুলসি, থানকুনি, অ্যালোভেরা, নিম, কালোজিরা, হলুদ ও আদা মানুষের কাছে বহুদিনের পরিচিত। এগুলো বাড়ির আঙিনা, পতিত জমি বা অন্য ফসলের পাশে চাষ করা যায়, ফলে মূল ফসল না ছেড়েও কৃষক বাড়তি আয় করতে পারেন।

তিনি লিখেছেন, সম্ভাবনা শুধু চাষেই সীমাবদ্ধ নয়। একটি ঔষধি গাছ জমি থেকে বাজারে পৌঁছাতে সংগ্রহ, শুকানো, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেট করা ও বিক্রির মতো অনেক ধাপ পার হয়। এসব কাজে প্যাকেজিং কর্মী, পরিবহনকর্মী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

গ্রামের নারীদের জন্য এ খাতে বিশেষ সুযোগ দেখছেন লেখক। বাড়ির পাশে অল্প জায়গায় চাষ, চারা উৎপাদন, উদ্ভিদ সংগ্রহ ও প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ ঘরে বসেই করা যায়। দেশের ওষুধ ও হারবাল পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামালের চাহিদা আছে; তাদের সঙ্গে কৃষকের কার্যকর বাজার সংযোগ গড়ে উঠলে একটি নির্ভরযোগ্য বাজার তৈরি হতে পারে।

তবে বাধাও কম নয়। লেখকের ভাষায়, অনেক কৃষক ঔষধি উদ্ভিদের সঠিক চাষ পদ্ধতি, বাজারের চাহিদা ও দাম সম্পর্কে যথেষ্ট জানেন না। মানসম্মত চারা পাওয়া, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ন্যায্য দামে বিক্রিতেও সমস্যা আছে। ভালো বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত না করে শুধু চাষে উৎসাহ দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল না-ও আসতে পারে।

সমাধান হিসেবে তিনি কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক চাষ ও বাজার বিষয়ে সঠিক তথ্য, স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণকেন্দ্র এবং বিক্রেতা, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলার কথা বলেছেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভরতা কমবে এবং গ্রামে ঔষধি চাষকে ঘিরে ছোট শিল্প উদ্যোক্তা তৈরি হতে পারে। রপ্তানির সম্ভাবনার জন্য উৎপাদনের পরিমাণের পাশাপাশি গুণগত মান ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহে জোর দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

ছবি: Challiyan at Malayalam Wikipedia / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.5)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)