সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

কম ধরা পড়ছে ইলিশ, সরবরাহ বেড়েছে অন্য মাছের

দীর্ঘ দুইমাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে তিন দিনেও সরবরাহ বাড়েনি ইলিশের। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ইলিশের অবতরণ কেন্দ্র বড়স্টেশন মাছঘাটে তলানিতে নেমেছে ইলিশের সরবরাহ। মূলত পদ্মা-মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না রুপালি ইলিশ। যে কারণে মাছঘাটে সরবরাহ কম, দাম বেশি। যদিও এখন মাছঘাটে ইলিশের বদলে পাঙাশ, রু

দীর্ঘ দুইমাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে তিন দিনেও সরবরাহ বাড়েনি ইলিশের। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ইলিশের অবতরণ কেন্দ্র বড়স্টেশন মাছঘাটে তলানিতে নেমেছে ইলিশের সরবরাহ। মূলত পদ্মা-মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না রুপালি ইলিশ। যে কারণে মাছঘাটে সরবরাহ কম, দাম বেশি। যদিও এখন মাছঘাটে ইলিশের বদলে পাঙাশ, রুই, কাতলা, পোয়া, চিংড়ি ও আইড় মাছসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছের সরবরাহ বেড়েছে।

১ মে থেকে বড়স্টেশন মাছঘাটে সব ধরনের মাছ বিক্রি শুরু হলেও দাম বেশি থাকায় ইলিশ কেনায় অনাগ্রহ দেখা গেছে ক্রেতাদের। ফলে বিক্রি বেড়েছে পাঙাশ, রুই, কাতলা, পোয়া, চিংড়ি ইত্যাদি মাছের। বর্তমানে আড়তের সামনে ইলিশের স্তূপ না থাকলে বড় বড় সাইজের পাঙাশ, রুই-কাতলা রয়েছে। এতেই সরগরম চাঁদপুর মাছঘাট।

শনিবার (৩ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বড়স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ দেখা যায়নি। তবে পদ্মা-মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়া পাঙাশ, রুই, কাতলা, পোয়া নিয়ে আসছে ঘাটে। সেগুলো আড়তে চড়া দামে বিক্রি করে খুশি জেলেরা।

চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর এলাকার জেলে মাসুদ মিজি জাগো নিউজকে বলেন, 'নদীতে ইলিশ খুব কম। এখন আর ইলিশ ধরি না। জাল দিয়ে পাঙাশ ও আইড় মাছ ধরি। বড় সাইজের মাছ পেলে লাভ বেশি থাকে। আর মাছঘাটে দাম ভালো পাওয়া যায় বিধায় এখানে মাছ নিয়ে আসি।'

বড়স্টেশন মাছঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী নবীর হোসেন বলেন, 'আমাদের মূল ব্যবসা হচ্ছে ইলিশ বিক্রি। তবে এখন ইলিশের সরবরাহ নেই বললেই চলে। এখন অসময় হলেও পাঙাশ, রুই, কাতলা পাওয়া যাচ্ছে। পাঙাশ কেজি ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা, কাতলা হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২২০০-২৫০০ টাকা এবং কেজি ওজনের ইলিশ ৩০০০-৩২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে দাম কমার সম্ভাবনা দেখছি না।'

কুমিল্লা থেকে মাছ কিনতে আসা ফয়সাল বলেন, 'দূর থেকে যা শুনি বা দেখি বাস্তবে এখানে কোনো মিল নেই। মাছঘাটে ইলিশ খুব কম। আর দাম শুনলে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। তবে নদীর একদম ফ্রেশ পাঙাশ, পোয়া, রুই, কাতলা দেখে ভালো লাগছে। ঘুরে ঘুরে দেখছি, সুযোগ হলে নেবো।'

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এবছর অভিযান কড়াকড়ি হয়েছে। জাটকাগুলো বড় হলে জেলেরা ইলিশ পাওয়ার কথা। তবে এখন সিজন না। যে কারণে ইলিশ কম। এক দেড়মাস পর ইলিশসহ সব ধরনের মাছের সরবরাহ বাড়বে।'

শরীফুল ইসলাম/এসআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কম্বোডিয়ার টনলে সাপে মাছের অভয়াশ্রম রক্ষায় স্থানীয় নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ

কম্পং থম প্রদেশের বোয়েং রিম কমিউনিটি মাছের অভয়াশ্রমের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেলা ও কমিউন কর্মকর্তা, গ্রামপ্রধান ও কমিউনিটি সংগঠনের ২৩ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ওয়ার্ল্ডফিশ ও আইডব্লিউএমআই।

WorldFish১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ভিয়েতনামের পাঙাশ খামারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ নিয়ে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে গবেষণা

স্টার্লিং বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে ২৪ লাখ পাউন্ডের একটি প্রকল্প খতিয়ে দেখবে ভিয়েতনামের পাঙাশ চাষে কীভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ গড়ে ওঠে, আর ওষুধ কাজ না করলে চাষিরা কী বিকল্প নিতে পারেন।

AgNavigator১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)