সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

জমি না থাকলেও নারী কৃষকের স্বীকৃতি দিচ্ছে মহারাষ্ট্র: সৌম্যা স্বামীনাথন

২ অক্টোবর থেকে মহারাষ্ট্র নারী কৃষক সনদ দিতে শুরু করছে, যাতে জমির মালিক না হলেও কৃষিতে যুক্ত নারীরা কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পান; সৌম্যা স্বামীনাথনের মতে এরপর দরকার যৌথ জমির দলিল।

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্য ২ অক্টোবর থেকে নতুন নারী কৃষক ক্ষমতায়ন আইন ২০২৬-এর আওতায় "নারী কৃষক সনদ" দিতে শুরু করছে। এতে কৃষি বা কৃষিসংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত নারীরা জমির মালিক না হলেও কৃষক হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাবেন। মোঙ্গাবে ইন্ডিয়ায় (Mongabay India) লেখা এক মন্তব্য প্রতিবেদনে এমএস স্বামীনাথন রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (এমএসএসআরএফ) চেয়ার ড. সৌম্যা স্বামীনাথন (Soumya Swaminathan) আইনটিকে রাজনৈতিক সদিচ্ছার শক্তিশালী উদাহরণ বলেছেন। মতামত লেখকের নিজের।

তিনি সমস্যাটি তুলে ধরেছেন পরিসংখ্যান দিয়ে। পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কৃষি শ্রমশক্তির প্রায় ৬০ শতাংশ নারী, অথচ জমির দলিলের ১৫ শতাংশেরও কম তাঁদের নামে। মহারাষ্ট্রে গ্রামীণ নারী শ্রমশক্তির ৮২ শতাংশ কৃষিতে, কিন্তু চাষের জমির মাত্র প্রায় ১৫.৫ শতাংশ নারীর হাতে। দলিল না থাকায় নারীরা ঋণ, সেচের পানি, প্রযুক্তি ও কৃষি সম্প্রসারণ সেবা পেতে হিমশিম খান।

বিল নিয়ে পরামর্শসভায় নারী কৃষকেরা জানান, ভর্তুকির পাম্প, সেচ ভর্তুকি, ফসল ও প্রাণিসম্পদ বিমা, কিষান ক্রেডিট কার্ড ও কৃষিঋণের মতো অনেক সুবিধা জমির মালিকানার সঙ্গে বাঁধা, তাই তাঁরা তা পান না। জমির রেকর্ডভিত্তিক কৃষকদের ডিজিটাল তথ্যভান্ডার "অ্যাগ্রিস্ট্যাক" থেকেও তাঁরা বাদ পড়েন, আর পিএম-কিষান পেতে যে কৃষক পরিচয়পত্র লাগে, তা সাধারণত পুরুষের ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে যুক্ত।

পুরো প্রক্রিয়ায় লেগেছে ১০ মাস। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে বৈঠকের পর এমএসএসআরএফ ও রাজ্য সরকার সমঝোতা স্মারক সই করে; বিধি সেন্টার ফর লিগ্যাল পলিসি বিলের খসড়া করে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মুম্বাই থেকে শুরু হয়ে পুনে, ছত্রপতি সম্ভাজিনগর ও নাগপুরে পরামর্শসভা হয়। জুলাইয়ে বিধানসভা ও বিধান পরিষদে বিলটি সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

আইনে কৃষকের সংজ্ঞা ঠিক হয়েছে কাজ দিয়ে, মালিকানা দিয়ে নয়: ফসল চাষ, পশুপালন, হাঁস-মুরগি, মাছ চাষ, কৃষি-বনায়ন, কেঁচো সার, মাশরুম চাষ ও প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণে মালিক বা শ্রমিক হিসেবে যুক্ত সবাই কৃষক। রাজ্য পর্যায়ে নারী কৃষক ক্ষমতায়ন সেল, তদারকি কমিটি, সনদধারীদের তথ্যভান্ডার এবং প্রতিটি জেলা ও ব্লকে সহায়তা কর্মকর্তা থাকবেন।

তবে সৌম্যা স্বামীনাথনের মতে স্বীকৃতি মানেই মালিকানা নয়। প্রকৃত পরিবর্তনের জন্য রাজ্যগুলোকে যৌথ জমির দলিলসহ নারী-পুরুষে সমতাভিত্তিক ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়তে হবে, কারণ জমির আইনি অধিকার থাকলে নারী কৃষিকাজ ছাড়লে, আবার বিয়ে করলে বা পরিবার ছেড়ে গেলেও তাঁর সিদ্ধান্তের জোর থাকে। এখন জরুরি, নারীদের আইনটি সম্পর্কে জানানো এবং ঋণ, বিমা ও বাজারব্যবস্থায় সনদটিকে কৃষক পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ নিশ্চিত করা।

সূত্র: Mongabay India

Mongabay Indiaসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)