সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কীটনাশক বিক্রেতার পরামর্শে ঝুঁকিতে ফসল, দরকার নিরপেক্ষ ডিজিটাল কৃষি পরামর্শ: সমীরণ বিশ্বাসের মত

জাগো নিউজে কৃষিবিদ সমীরণ বিশ্বাস লিখেছেন, ফসলের সমস্যায় কৃষক কৃষি কর্মকর্তার বদলে উপকরণ বিক্রেতার কাছে যান; বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ-সনদ, প্রেসক্রিপশনভিত্তিক বালাইনাশক ও এআই-সেন্সরভিত্তিক ডিজিটাল পরামর্শ চান তিনি।

কীটনাশক বিক্রেতার পরামর্শে ঝুঁকিতে ফসল, দরকার নিরপেক্ষ ডিজিটাল কৃষি পরামর্শ: সমীরণ বিশ্বাসের মত
মতামত

জলবায়ু পরিবর্তন, নতুন রোগ-পোকা, মাটির উর্বরতা কমে যাওয়া, খরচ বাড়া আর কীটনাশক-প্রতিরোধী পোকার যুগে কৃষকের সিদ্ধান্ত আগের চেয়ে অনেক জটিল, আর তাই সঠিক, সময়োপযোগী ও নিরপেক্ষ পরামর্শ সবচেয়ে জরুরি। জাগো নিউজে প্রকাশিত এক লেখায় এ কথা বলেছেন সমীরণ বিশ্বাস। লেখায় প্রকাশিত মত লেখকের নিজের।

লেখকের পর্যবেক্ষণ, ফসলে সমস্যা দেখা দিলে অনেক কৃষক আগে কৃষি কর্মকর্তার কাছে না গিয়ে স্থানীয় কীটনাশক বা উপকরণ বিক্রেতার কাছে যান, কারণ দোকান হাতের কাছে আর তাৎক্ষণিক একটি পণ্যের নাম মেলে। তাঁর প্রশ্ন, যিনি পণ্য বেচে আয় করেন, তাঁর পরামর্শ কি সব সময় কৃষকের স্বার্থ আগে রাখবে? তিনি স্পষ্ট করেছেন, এটি কাউকে অভিযুক্ত করা নয়, পরামর্শব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাতের সম্ভাবনার কথা।

অনেক সময় পুষ্টির ঘাটতি, অতিরিক্ত পানি, মাটির পিএইচ বা আবহাওয়ার প্রভাবকেও পোকা বা রোগ ধরে নেওয়া হয়, ফলে একটি পণ্য দিয়ে সাময়িক সমাধান হলেও আসল কারণ অজানা থেকে যায় আর সমস্যা ফিরে আসে। লেখকের মতে, দরকার মাঠ পর্যবেক্ষণ, ফসলের বয়স, আবহাওয়া, মাটি, আগে ব্যবহৃত বালাইনাশক ও আক্রমণের মাত্রা দেখে সঠিক শনাক্তকরণ।

সমাধান হিসেবে তিনি বিক্রেতাদের বাদ না দিয়ে প্রশিক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত পরামর্শ সহায়ক হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন: বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা যাচাই, লাইসেন্স নবায়নের সঙ্গে প্রশিক্ষণ-সনদ যুক্ত করা এবং বালাইনাশক ব্যবহারে প্রেসক্রিপশনভিত্তিক নির্দেশনা।

পাশাপাশি তিনি নিরপেক্ষ ডিজিটাল কৃষি পরামর্শের প্রস্তাব দিয়েছেন: স্মার্টফোনে ফসলের ছবি, জমি, অবস্থান ও আবহাওয়ার তথ্য দিয়ে কৃষক যেন রোগ-পোকার প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও করণীয় জানতে পারেন। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আবহাওয়া তথ্য, মাটি পরীক্ষা, আইওটি সেন্সর ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ একসঙ্গে কাজে লাগানো যায়, তবে প্রযুক্তি মাঠকর্মীর বিকল্প নয়, সিদ্ধান্তের সহায়ক।

লেখকের উপলব্ধি, ভুল পরামর্শের দাম শুধু একটি ভুল পণ্য নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষকের টাকা, ফসল, মাটি, পরিবেশ আর ভোক্তার খাদ্যনিরাপত্তা। তাই কৃষকের হাতে পণ্য পৌঁছানোর আগে পৌঁছাক সঠিক কৃষি জ্ঞান।

ছবি: T. R. Shankar Raman / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)