সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ম্যানগ্রোভ রেখে মাছচাষ: সুন্দরবনের চাষিদের মতামতে তৈরি হচ্ছে নির্দেশিকা

পশ্চিমবঙ্গে ওয়ার্ল্ডফিশ ও আইডব্লিউএমআই-এর এক কর্মশালায় ভারতীয় সুন্দরবনের প্রায় ৫০ জন চাষি সমন্বিত ম্যানগ্রোভ-মাছচাষের খসড়া নির্দেশিকা ও ব্যবসায়িক মডেল যাচাই করেছেন।

লোনাপানির মাছ ও চিংড়ির ঘেরের সঙ্গে ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার বা রোপণকে একসঙ্গে জুড়ে দেওয়া সমন্বিত ম্যানগ্রোভ মাছচাষ (ইন্টিগ্রেটেড ম্যানগ্রোভ অ্যাকুয়াকালচার বা আইএমএ)-এর খসড়া নির্দেশিকা ও ব্যবসায়িক মডেল পরখ করেছেন ভারতীয় সুন্দরবনের চাষিরা, পশ্চিমবঙ্গের এক সহ-নকশা কর্মশালায়।

৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কর্মশালাটির আয়োজন করে ওয়ার্ল্ডফিশ ও আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (আইডব্লিউএমআই), সিজিআইএআর ক্লাইমেট অ্যাকশন প্রোগ্রামের আওতায়, সস্য শ্যামলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায়। প্রায় ৬০ জন অংশ নেন, যাঁদের প্রায় ৫০ জনই ছয়টি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের চাষি। সেখানে মাছচাষকে লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ভাঙনের সঙ্গে লড়তে হয়।

খসড়া নির্দেশিকায় আছে জায়গা বাছাই, খামারের নকশা ও ম্যানগ্রোভ প্রজাতি নির্বাচন থেকে শুরু করে পুকুর ব্যবস্থাপনা, মাছের স্বাস্থ্য, আহরণ, হিসাব রাখা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। মূল নীতি হলো, একটি মডেল সবখানে চাপিয়ে না দিয়ে প্রতিটি জায়গার অবস্থা অনুযায়ী আইএমএ সাজানো। চাষিরা জানতে চান কোন ম্যানগ্রোভ লাগাবেন, অতিরিক্ত বেড়ে ওঠা গাছ কীভাবে সামলাবেন, কোন মাছ ও চিংড়ি ছাড়বেন এবং উৎপাদন না কমিয়ে ঘেরের কতটা জায়গা ম্যানগ্রোভকে দেওয়া যায়। মাটি ও পানির মান পর্যবেক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়।

চাষিদের সামনে তিনটি পথ রাখা হয়: বিদ্যমান সিলভোফিশারি বা আইএমএ ঘেরের মানোন্নয়ন, সাধারণ লোনাপানির ঘেরকে ম্যানগ্রোভযুক্ত ঘেরে রূপান্তর, আর জায়গা অনুকূল হলে আইএমএ-র সঙ্গে ফসল বা উদ্যান চাষ। তাঁদের মতামত প্রতিটি মডেলের খরচ, শ্রম, ঝুঁকি ও বাজারে প্রবেশের বিশ্লেষণে কাজে লাগানো হবে।

ম্যানগ্রোভ গাছ ও মাটিতে কার্বন জমা রাখে বলে চাষিদের কার্বন হিসাব এবং পরিমাপ, প্রতিবেদন ও যাচাই (এমআরভি) পদ্ধতির সঙ্গেও পরিচয় করানো হয়। তবে আয়োজকেরা জোর দিয়ে বলেছেন, কার্বন অর্থায়ন নিশ্চিত আয় নয়; এটি নির্ভর করবে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি, যোগ্যতা, স্বাধীন যাচাই, সনদ ও বাজার পরিস্থিতির ওপর। ছোট খামারগুলোকে একত্র করলে কিছু খরচ কমতে পারে, তবে তা আরও যাচাই দরকার।

কর্মশালা থেকে চূড়ান্ত কোনো মডেল আসেনি। পরবর্তী ধাপে সুপারিশগুলো যুক্ত করা, ভিন্ন ভিন্ন ঘেরে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া, প্রশিক্ষণ উপকরণ তৈরি এবং কার্বন হিসাবের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হবে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সিজিআইএআর ক্লাইমেট অ্যাকশন।

সূত্র: সিজিআইএআর (CGIAR)

CGIARসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)