Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

গরুর দুধে যদি অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়, তাহলে এর মাংস খাওয়া কতোটা নিরাপদ?

সম্প্রতি গরুর দুধের নমুনায় অ্যান্টিবায়োটিকের অস্তিত্ব ধরা পড়ায় এখন গরুর মাংসের মান নিয়েও ভোক্তাদের মনে প্রশ্ন উঠেছে।

বিবিসি বাংলা৯ জানুয়ারি ২০২০ · ১ মিনিটের পড়া

সম্প্রতি গরুর দুধের নমুনায় অ্যান্টিবায়োটিকের অস্তিত্ব ধরা পড়ায় এখন গরুর মাংসের মান নিয়েও ভোক্তাদের মনে প্রশ্ন উঠেছে।

যেহেতু গরুর দুধে অ্যান্টিবায়োটিক শনাক্ত হয়েছে, তাহলে গরুর মাংস কতোটা নিরাপদ - এমন প্রশ্ন এখন বেশিরভাগ ভোক্তার।

ঢাকার বাসিন্দা কুলসুমা বেগম সপ্তাহে অন্তত দুইবার গরুর মাংস খেয়ে থাকেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি যেন কোন কিছুতেই ভরসা পাচ্ছেন না।

বিবিসি বাংলাকে মিসেস কুলসুমা আক্ষেপ করে বলেন, "যেখানে গরুর দুধের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়, তাহলে ওই গরুর মাংসেও তো অ্যান্টিবায়োটিক থাকবে। ওই শরীরটা থেকেই তো দুধটা আসে।"

"আমরা এই দূষিত মাংস কিভাবে খাব? মাংস তো আর নিষিদ্ধ করা যাবেনা।"

সম্প্রতি সরকারের জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরীক্ষাতে গরুর দুধের পাশাপাশি, এর মাংসেও অ্যান্টিবায়োটিকের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়।

এ ব্যাপারে পশু চিকিৎসকরা বলছেন, গরু যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং এর শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয় তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা।

কিন্তু পশুর অ্যান্টিবায়োটিক সহজলভ্য হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মর্জিনা আক্তার।

"এখানে যেটা সমস্যা হচ্ছে যে, গরু বাছুরকে কোন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই না হলে হাতুড়ে ডাক্তারের মাধ্যমে একটা ওষুধ লিখিয়ে পশুগুলোকে খাইয়ে দেয়া হচ্ছে। আবার অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ালে কোর্স কমপ্লিট করছেনা। এক কথায় নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা করছে না কেউ।"

গরুকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হলে, তাহলে সেটার রেসিডিউটা গরুর শরীরে ওষুধ ভেদে ৭ থেকে ১৫ দিন থেকে যায় বলে জানান মিজ আক্তার।

ট্যাগ#গরুর দুধে#গরু#খাওয়া#দুধ#অ্যান্টিবায়োটিক
বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()
গরুর দুধে যদি অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়, তাহলে এর মাংস খাওয়া কতোটা নিরাপদ? | দা এগ্রো নিউজ