সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

নিজের খাবার নিজে ফলানো পরিবার কমছে দক্ষিণ আফ্রিকায়, দুর্বল হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তার ঢাল

দক্ষিণ আফ্রিকায় চাষাবাদ বা পশুপালনে যুক্ত পরিবারের হার ২০১১ সালের ১৯.৯ শতাংশ থেকে ২০২২ সালে ১৩.৮ শতাংশে নেমেছে; যারা এখনো চাষ করছে, তাদের বেশির ভাগ পরিবারের প্রধান নারী।

নিজের খাবার নিজে ফলানো পরিবার কমছে দক্ষিণ আফ্রিকায়, দুর্বল হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তার ঢাল
আঙিনা কৃষি

দক্ষিণ আফ্রিকায় ধীরে ধীরে কমছে এমন পরিবারের সংখ্যা, যারা নিজের আঙিনা বা জমিতে ফসল ফলায় কিংবা পশুপাখি পালে। এতে ক্ষুধার বিরুদ্ধে একটি কম খরচের সুরক্ষা দুর্বল হচ্ছে। জেনারেল হাউসহোল্ড সার্ভে (২০০৮-২০২৪) এবং ২০১১ ও ২০২২ সালের আদমশুমারির তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ফার্মিং পোর্টালে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে।

আদমশুমারির হিসাবে ২০১১ সালে ১৯.৯ শতাংশ পরিবার (২৮,৭৯,৫৯০টি) কৃষিকাজে যুক্ত ছিল, ২০২২ সালে তা নেমে ১৩.৮ শতাংশ (২৪,৬৩,৪২৯টি)। পরিবার জরিপে এই হার ২০১০-এর দশকের শুরুতে ২০ থেকে ২৩ শতাংশে উঠেছিল, এখন ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি কমেছে কোয়াজুলু-নাটাল (২৮.২ থেকে ১৯.২ শতাংশ), ইস্টার্ন কেপ (৩৫.৪ থেকে ২৬.২), লিম্পোপো (৩৩.০ থেকে ২৮.৭), এমপুমালাঙ্গা (২৪.৫ থেকে ১৮.০) ও ফ্রি স্টেটে (২৪.৪ থেকে ১৬.১)। ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ লিম্পোপোতে, ৩৬.৪ শতাংশ; সর্বনিম্ন ওয়েস্টার্ন কেপে, ৩.১ শতাংশ।

চাষি পরিবারগুলোর প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ চাষ করে নিজেদের খাবারের জন্য, আয়ের জন্য নয়; ২০২২ সালে গরু আছে এমন পরিবারের ৬০ শতাংশের গরু ১০টির কম। লেখকদের মতে, আঙিনার এক টুকরো সবজিবাগান, কয়েকটি মুরগি বা ছোট পশুর পাল খাবারের দামের ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করে; এর হারিয়ে যাওয়া ক্ষতিকর কি না, তা নির্ভর করে চাকরি, সরকারি ভাতা ও বাজার সেই জায়গা নিতে পারছে কি না তার ওপর। ২০২১ সালে গ্রামের ৩৯.৪ শতাংশ পরিবার চাষ করত, শহরে মাত্র ৭.৪ শতাংশ, তাই নগরায়ণও এই পতনের একটি কারণ।

২০২২ সালে চাষি পরিবারের ৫৩.৯ শতাংশের প্রধান ছিলেন নারী, ২০১১ সালে যা ছিল ৪৭.৯ শতাংশ; পুরুষেরা অন্য কাজে যাচ্ছেন, তরুণেরা শহরমুখী, ফলে কৃষকেরা বয়স্ক হয়ে পড়ছেন। লেখকেরা ক্ষুদ্র চাষিকে শুধু বাণিজ্যিক কৃষক বানানোর বদলে পরিবারের বিদ্যমান উৎপাদনকে টিকিয়ে রাখার নীতির আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি: Ryanj93 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: FarmingPortal

ফার্মিংপোর্টালসূত্র

আঙিনা কৃষি

সম্পর্কিত খবর

আঙিনা কৃষি

বসতবাড়ির গাছের কার্বন বেচে কৃষকের আয়: গাকৃবির ‘কার্বোডিট’ উদ্ভাবন এশিয়ায় রানার্সআপ

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দল কার্বোডিট বসতবাড়ি ও কৃষি বনায়নের গাছের কার্বন মজুত মেপে ক্ষুদ্র কৃষককে কার্বন ক্রেডিটের বাজারে আনার মডেল দিয়ে কলম্বোয় সিরডাপের আঞ্চলিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় ১৮৭ প্রস্তাবের মধ্যে রানার্সআপ হয়েছে।

সমকাল১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

ইউটিউব দেখে ছাদে আর আঙিনায় ড্রাগন, বছরে লাখ টাকা লাভ মতলবের বিদেশফেরত হানিফের

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বাড়ির ১,৪০০ বর্গফুট ছাদে ও সাড়ে ৬ শতক আঙিনায় ২০২৪ সালে ড্রাগন লাগিয়েছিলেন ৬২ বছরের আবু হানিফ; এখন বছরে লাখ টাকার বেশি লাভ করছেন, এবার ইজারা নিয়েছেন আরও ৬০ শতক জমি।

প্রথম আলো১২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

বাড়িতে চারটি চারা থেকে প্যাশন ফলের বাগান, কেজি বিকোচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়

কুমিল্লার দাউদকান্দির ইছাপুরা গ্রামের দন্তচিকিৎসক আবুল হাসান ফারুক ২০২৪ সালে শখ করে বাড়িতে চারটি প্যাশন ফলের চারা লাগান; এখন মাচাভরা বাগান থেকে দুই দফায় ফল পেয়েছেন।

কৃষি সময়১২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)