সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ।

উদ্যোক্তা মো. ইব্রাহীমের শুরুটা হয়েছিল ছোট পরিসরে। এখন তার ৭৫ শতাংশ জমির ড্রাগন বাগান। গাছে গাছে ঝুলছে লাল ড্রাগন ফল। ফলন ও বিক্রি থেকে লাভও পাচ্ছেন তিনি। তার এই সাফল্য দেখে এলাকার তরুণদের মধ্যেও ড্রাগন চাষে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে।

মাগুরা পৌরসভার নান্দুয়ালী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি খুঁটির ওপর ড্রাগন গাছ। গাছের ডালে ঝুলছে পাকা ও আধাপাকা ফল। বাগানের পরিচর্যা ও ফল সংগ্রহে ব্যস্ত শ্রমিকেরা। প্রচলিত ধান-পাটের বাইরে এসে উচ্চমূল্যের ফল চাষের এমন উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার কথাই বলছে।

ড্রাগন বাগানের ম্যানেজার মো. ইকরাম বলেন, ‌'অল্প পরিসরে বাগানটা শুরু হলেও দিনেদিনে এখন বড় হয়েছে। এই বাগানে আমরা কয়েকজন কাজ করি। বাগানে কাজ করে আমাদের সংসার চলে। আশা করি বাগানটি আরও বড় হবে। বাগানটি যদি আরও বড় হয়, আমাদের পরিবার নিয়ে ভালোভাবে বাঁচতে পারব।'

বাগানের উদ্যোক্তা মো. ইব্রাহীম বলেন, 'করোনার সময় ঘরে বসে অনলাইনে ড্রাগন চাষের বিভিন্ন ভিডিও দেখতাম। সেখান থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে ছোট পরিসরে কাজ শুরু করি। এখন মাটির গুণের সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করে ভালো লাভ পাচ্ছি। আমার বাগান দেখে এলাকার অনেক বেকার ছেলেও উৎসাহিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও একটি বাগান করার ইচ্ছা আছে। সেখানে আরও কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।'

ইব্রাহীমের বাগানের ফলের গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও এর চাহিদা তৈরি হয়েছে। পরিবারের জন্য ফল কিনতে কেউ কেউ সরাসরি বাগানে আসেন। তার ভাষায়, পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনের চাহিদা পূরণেও বাগানের ফলই ভরসা। ড্রাগন চাষে ইব্রাহীমের আগ্রহের পেছনে আরেকটি কারণ ফল সংগ্রহের সময়। তার দাবি, এক দফা ড্রাগন ফল কাটার ১০-১৫ দিনের মধ্যে আবার ফল সংগ্রহ করা যায়। ফলে একই মৌসুমে কয়েক দফা ফল সংগ্রহ ও বিক্রির সুযোগ তৈরি হয়।

মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর-এ নবী বলেন, 'সদর উপজেলায় ১০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন চাষ হয়েছে। মাগুরার মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ইব্রাহীমের মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের সাফল্য দেখে অনেকেই এ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।' ড্রাগন ফলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, আয়রন ও ফাইবার আছে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

মাগুরায় ড্রাগন চাষের বিস্তারে অনুকূল মাটি ও আবহাওয়ার পাশাপাশি নতুন ধরনের উচ্চমূল্যের ফসল চাষে কৃষকদের আগ্রহও ভূমিকা রাখছে। ইব্রাহীমের মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের হাত ধরে প্রচলিত কৃষির বাইরে গিয়ে নতুন ফসলের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। ফেসবুক-ইউটিউবের পর্দায় দেখা একটি সম্ভাবনার চাষ এখন তার নিজের জমিতে বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এমএমআইজে/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)