সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

দুই মাসে গুজরাট থেকে সাড়ে তিন লাখ কেজি ইলিশ আমদানি, মন্ত্রীর আপত্তিতে বন্ধের উদ্যোগ

ব্যবসায়ীদের আবেদনে মৎস্য অধিদপ্তর ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি দিলেও মন্ত্রণালয় তা জানত না; বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং নতুন করে কোনো অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে সরবরাহ সংকট দেখা দেওয়ায় ব্যবসায়ীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল মৎস্য অধিদপ্তর। গত দুই মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাড়ে তিন লাখ কেজির বেশি ইলিশ এসেছে। বিশ্বের অন্যতম প্রধান ইলিশ উৎপাদক দেশে এই আমদানি নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে খোদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টে ২২টি প্রতিষ্ঠান বেনাপোল দিয়ে তিন লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি করেছে, যার আমদানিমূল্য প্রায় ছয় কোটি ৯২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। পুরো ইলিশই এসেছে ভারতের গুজরাটের ভারুচ এলাকা থেকে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, আমদানির বিষয়টি জানার পর কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে ব্যাখ্যা চান। এরপর আমদানি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন এবং সেই চিঠির ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানি বন্ধের সুপারিশ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

মহাপরিচালকের ব্যাখ্যা, ইলিশ সমুদ্রের মাছ এবং প্রজননের জন্য নদীতে আসে; ভারতের জেলেরা সমুদ্র থেকেই বেশি ইলিশ ধরে ফেলায় দেশের মজুত কমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এবার বাজারে ইলিশ কম থাকায় ব্যবসায়ীদের চাপে সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল; ইলিশ আমদানি নিষিদ্ধ নয়, তবে নতুন করে আর কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্সের সাম্প্রতিক সভায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উৎপাদন কমে গিয়ে বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করতে হচ্ছে, এটি উদ্বেগের; কেন এমন পরিস্থিতি হলো, তা চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলমের মতে, এই প্রথম বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি হচ্ছে, যা লজ্জার; দুই দেশের ব্যবসায়ীরা মানুষের ইলিশ খাওয়ার চেয়ে নিজেদের মুনাফাকেই বড় করে দেখছেন, আর জাতীয় গুরুত্বের এই মাছের আমদানি-রপ্তানি দুটোতেই জাতীয় নীতি মানতে হবে।

মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বৃহস্পতিবার রাতে সমকালকে বলেন, ‘ইলিশ আমদানির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি আমারও জানা ছিল না। জানার পর আমি মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে জানতে চেয়েছি, কীভাবে এ আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো।’ মহাপরিচালক ব্যবসায়ীদের চাপে সামান্য পরিমাণ আমদানির অনুমতির কথা জানানোর পর তিনি আর কোনো অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান।

দেশের ইলিশ আহরণ কমে যাওয়া নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, তখন আমদানির এই সিদ্ধান্ত ও তার প্রত্যাহার জেলে, আড়তদার ও রপ্তানিকারক, সবার জন্যই বাজারের দিকনির্দেশ বদলে দিচ্ছে।

সমকালে জাহিদুর রহমানের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)