সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ফিরিয়ে দাও সেই সুগন্ধি

আমার শুভানুধ্যায়ীদের সুপারিশ যে আমি বিগত জীবনের কথা লিখে রেখে যাই। কিন্তু ছাগল দিয়ে যে ধানচাষ হয় না কিংবা কলম থাকলেই লেখা আসে না, সে কথা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বহু আগে জানিয়ে গেছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর লেখা 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের প্রথম পর্বে বিধৃত বক্তব্য এরকম—

আমার শুভানুধ্যায়ীদের সুপারিশ যে আমি বিগত জীবনের কথা লিখে রেখে যাই। কিন্তু ছাগল দিয়ে যে ধানচাষ হয় না কিংবা কলম থাকলেই লেখা আসে না, সে কথা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বহু আগে জানিয়ে গেছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর লেখা 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের প্রথম পর্বে বিধৃত বক্তব্য এরকম—

"...কিন্তু বলিলেই তো বলা হয় না। ভ্রমণ করা এক, তাহা প্রকাশ করা আর এক। যাহার পা-দুটা আছে, সেই ভ্রমণ করিতে পারে; কিন্তু হাত-দুটা থাকিলেই তো আর লেখা যায় না! সে যে ভারি শক্ত। তাছাড়া মুশকিল হইয়াছে আমার এই যে, ভগবান আমার মধ্যে কল্পনা-কবিত্বের বাষ্পটুকু দেন নাই... এমনি করিয়া ভগবান যাহাকে বিড়ম্বিত করিয়াছেন, তাহার দ্বারা কবিত্ব সৃষ্টি করা তো চলে না। চলে শুধু সত্য কথা সোজা করিয়া বলা। অতএব আমি তাহাই করিব।"

আমার জন্ম গ্রামে, তবে বেড়ে ওঠা আব্বার কর্মস্থল থানা সদরে। দাউদকান্দি, গৌরীপুর এবং দেবীদ্বারে কেটেছে স্কুলজীবন। বিদ্যালয় বন্ধ থাকার দিনগুলোতে কিংবা বিশেষত কুরবানির ঈদে আব্বার কর্মস্থল দাউদকান্দি কিংবা গৌরীপুর থেকে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যেতাম—কখনও লঞ্চে, কখনওবা নৌকায়। প্রথমটিতে কালিপুর হয়ে সরাসরি হেঁটে কিংবা লালপুর নানির বাপের বাড়িতে এক রাত বিরতি নিয়ে; নৌকায় হলে ভোররাতে রওয়ানা দিয়ে অপরাহ্ণে বাড়ি পৌঁছাতাম।

আম্মা খুব ভোরে উঠে খাবার তৈরি করতেন—ইলিশ মাছ কিংবা গরুর মাংস, তার সঙ্গে পোড়া মরিচ এবং একটা পেঁয়াজ। ছইওয়ালা নৌকায় তৃপ্তিযোগে খাওয়াদাওয়া আর নৌকার গলুইতে বসে দুই তীরের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে প্রাণ জুড়াত—'নদীর একূল ভাঙে, ওকূল গড়ে, এই তো নদীর খেলা'। ঢেউয়ের ধাক্কায় নৌকার দোলা, লঞ্চের পেছনে পাখির ওড়াউড়ি কিন্তু জল স্পর্শ করা নয়, কলুর বাড়ি থেকে ভেসে আসা তেলের ঘানির ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ, খৈলের গন্ধ কিংবা কলসি কাঁখে সারিবদ্ধ গ্রামের বধূর নদীতে নাইতে যাওয়া, শিশু-কিশোরের জলকেলি—এসব কিছু বিস্ময়ের অন্য এক দিক ছিল এই বালকের কাছে।

বেশ বাহারি নাম আমার গ্রামের—'সুগন্ধি'। বিস্তৃত পরিচয়ে ইউনিয়ন ষাটনল, থানা মতলব, জেলা কুমিল্লা (এখন চাঁদপুর)। ষাটনল ব্রিটিশ আমলের বিখ্যাত স্টিমারঘাট; রকেট স্টিমার এই ঘাটে ভিড়ে গোয়ালন্দ যেত। ছোটবেলায় দেখা ওখানে একটা ডাকবাংলো এবং ওয়্যারলেস স্টেশন এই ষাটনলের গুরুত্ব সামনে নিয়ে আসে।

যাই হোক, আমার গ্রামের নামটি কেন সুগন্ধি হলো, কিংবা অন্য জায়গায় কীভাবে গ্রামের নামকরণ হয়—যেমন উচিতপুর, হতাশপুর, নিশ্চিন্তপুর—এ নিয়ে অনেক মাথা ঘামিয়েছি, কিন্তু ফলাফল শূন্য। কেবল ইমদাদুল হক মিলনের 'কোথা থেকে আসে সে আলো' উপন্যাসে পাই যে, বিক্রমপুরের দুটি গ্রাম সোনাদীঘি ও লক্ষ্মীদীঘি নাম পেয়েছে দিঘি থাকার জন্য নয়, বরং সোনাদিঘা ও লক্ষ্মীদিঘা নামে দুটি ধানের জাত সেখানে বেশি হতো বলে।

মনে পড়ল, টয়োটা গাড়ির নামটি এসেছে মালিকের নাম টয়োদা থেকে, যার অর্থ 'উর্বর ধান'। অপরদিকে জাপানি ভাষায় হোন্ডার অর্থ হচ্ছে 'আসল ধানের ক্ষেত'। দুটি বিশ্ববিখ্যাত গাড়ির ব্র্যান্ড ধানের নামে—ভাবা যায়?

পৌষ ও মাঘ মাসের হাড়কাঁপানো শীতে খেজুরগাছ থেকে খেজুরের রস সংগ্রহ করার কাজটি আমার বাল্যমনকে নাড়া দিত, অবাক করত। বিকেলবেলায় রোগাপাতলা চেহারার এক বৃদ্ধ লোক আসতেন গোছকাছা দিয়ে। তাঁর কোমরের পেছনে কাঠের হুক দিয়ে আটকানো থাকত একটা কলস, আর হাতুড়ি, বগকাচি, বাটাল এবং দড়ি সমেত গলায় ঝুলানো থাকত একটা ঝোলা।

সুগন্ধি গ্রামের ঠিক পশ্চিমে বয়ে গেছে মেঘনা নদী এবং সম্ভবত সেই সূত্রে বলতে পারি, 'মেঘনাপাড়ের ছেলে আমি, মেঘনা নদীর নেয়ে'। আমার জন্ম ১৯৪৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। তখনকার গ্রামটিতে কয়েকটা কান্দি/পাড়া সমেত খানার সংখ্যা ছিল সম্ভবত শ-খানেক। জমির মালিকানা ব্যতীত সচ্ছল আর অসচ্ছলের পার্থক্য ছিল যথাক্রমে টিন ও ছনের ঘর কিংবা হ্যারিকেন আর কুপির আলোয়।

গ্রামটি নিম্নাঞ্চলে অবস্থিত বলে বর্ষাকালের শুরুতেই পানি ঢুকে যেত প্রায় প্রতিটি ভিটিতে। তখন এক-একটা বাড়ি যেন এক-একটা দ্বীপ। নৌকা ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়ার পথ ছিল না; এমনকি একই গ্রামে থাকা নানার বাড়িতে যেতে লাগত নৌকা। তবে এখন চিত্র অন্য রকম। মেঘনা-ধনাগদা বাঁধের বাইরে গ্রামটার বেশির ভাগ। বিদ্যুৎ আছে, বেশ কটা দালান উঠেছে, বিদেশে গেছে কয়েক খানার বাসিন্দা। এখন আর নৌকা নয়, সব ঋতুতেই ইঞ্জিনচালিত রিকশা হলো প্রধান বাহন।

আমার নানাজান আব্দুর রহিম সরকারকে আমি দেখিনি, তবে নানি রূপজান নব্বই বছরের বেশি বয়সে প্রাণত্যাগ করেন। তাঁকে মশকরা করে বলতাম রূপবান—আসলেই তিনি রূপবতী ছিলেন—যেন রহিম বাদশাহ ও রূপবান। দোতলা টিনের ঘর আর টানা লম্বা বারান্দার বৈঠকখানা সাক্ষ্য দেয়, অত্র এলাকায় একসময় রহিম সরকার বেশ সুপরিচিত ছিলেন।

সুগন্ধি থেকে ফেরার পথে লক্ষ করতাম, যতক্ষণ আমাদের বহনকারী নৌকা দৃষ্টির বাইরে যাচ্ছে, ততক্ষণ নানি চোখ মুছতে মুছতে নদীর তীর বেয়ে হাঁটছেন। নানি কাউনের সঙ্গে চাল মিশিয়ে ভাত, সঙ্গে নাইল্লার শাক (পাটশাক) এবং বদা (ডিম) দিয়ে বলতেন, 'নে খা'। কী অপূর্ব স্বাদ ছিল সে খাবারের—উদরপূর্তি, অসীম ফুর্তি। ফাইভ স্টার হোটেল ফেল।

কবি জসীমউদ্দীন তাঁর 'মামার বাড়ি' কবিতায় বলছেন—

'ফুলের মালা গলায় দিয়ে আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা মামার বাড়ি যাই... ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের শাখায় উঠি রঙিন করি মুখ... কাঁদি-ভরা খেজুরগাছে পাকা খেজুর দোলে...'

আমার মামার বাড়িতে এত রকম গাছগাছালি, পদ্মপুকুর, লাল শালুকের ফুল ছিল না। থাকার মধ্যে পুকুরপাড়ে কয়েকটা আম ও নারিকেলগাছ। অন্দরমহলে একটা দন্দুল ও একটা খেজুরগাছও ছিল। ওই বাড়িতে লুঙ্গি ও শাড়ি বানাতে ব্যস্ত দুটি হ্যান্ডলুমের টটাস টটাস শব্দ ভেসে আসত মাঝেমধ্যেই।

যাই হোক, পৌষ ও মাঘ মাসের হাড়কাঁপানো শীতে খেজুরগাছ থেকে খেজুরের রস সংগ্রহ করার কাজটি আমার বাল্যমনকে নাড়া দিত, অবাক করত। বিকেলবেলায় রোগাপাতলা চেহারার এক বৃদ্ধ লোক আসতেন গোছকাছা দিয়ে। তাঁর কোমরের পেছনে কাঠের হুক দিয়ে আটকানো থাকত একটা কলস, আর হাতুড়ি, বগকাচি, বাটাল এবং দড়ি সমেত গলায় ঝুলানো থাকত একটা ঝোলা।

গাছ বেয়ে লোকটি ওপরে উঠে দড়ি দিয়ে নিজেকে খেজুরগাছের সঙ্গে বাঁধতেন। তারপর সটান হয়ে ছাল ছেঁটে, রস প্রবাহিত হওয়ার নালা বের করে কলসটা বসিয়ে দিতেন। সারারাত টিপটিপ করে কলসিতে রস পড়ত। বিস্ময়ে তাঁর প্রতিটি প্রকৌশলী ধাপ আমি লক্ষ করতাম। দৃশ্যটা অনেকটা সার্কাসের খেলা মনে করিয়ে দিত।

পরের দিন খুব ভোরে, গভীর কুয়াশার মধ্যে, গায়ে তেমন গরম পোশাক নেই, তিনি রসভর্তি কলসি নামাতেন আমাদের সামনে। বলতে গেলে সেই কাঁচা রস খাওয়ার জন্য আকুল হয়ে অপেক্ষা করতাম মধ্যরাত থেকেই।

শুনেছিলাম, নানা বেঁচে থাকতে লম্বা টানা বারান্দাওয়ালা বৈঠকখানায় ক্লান্ত-শ্রান্ত পথিকদের জন্য তামাক ও পানির ব্যবস্থা থাকত। আমি দেখেছি এই বৈঠকখানায় নিয়মিত গ্রামের সালিশি বসছে, শুনেছি হুক্কার গুড়গুড় শব্দ। বিচার করতেন গ্রামের মুরব্বিগণ—'চ্যাংড়া পোলাপাইন' 'আদালতকক্ষের' ধারেকাছেও নেই।

সকালবেলায় কায়দা, আমপারা, কোরআন শরিফ পড়তে দলবেঁধে এই বৈঠকখানায় আসত বালক-বালিকারা। কোরআন খতমকারীর ঘর থেকে পাঠানো হতো গুড়মাখা মুড়ি, চিড়া, খই কিংবা অন্যান্য খাবার। বলা বাহুল্য, এসবের লোভে মাঝেমধ্যে আমিও জনাব জুনাব আলী ক্বারি সাহেবের কোরাসে যোগ দিতাম—আলিফ জবর আ, বে জবর বা...

সুগন্ধি গেলে খেলাধুলা, বাজারে যাওয়া, গল্পগুজবের সার্বক্ষণিক সাথি হিসেবে থাকতেন কয়েক বছরের বড় কিন্তু বন্ধুর মতো অলি মামা। বড় মামা মুজিবুর রহমান ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে চাকরিরত, ভারিক্কি মেজাজের একজন মানুষ। দৈনিক দুধ দিয়ে ভাত না খেলে তাঁর জীবন ছিল বৃথা।

প্রচণ্ড আদরে আবিষ্ট রাখতেন সর্বদা হাস্যময় জবু খালা। আমি ও অলি মামা সুযোগ পেলেই পায়ে হেঁটে চলে যেতাম আট মাইল দূরে জবু খালার শ্বশুরবাড়ি বড় হলদিয়া গ্রামে। আমার খালু দিদার বক্স ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক; লম্বা, পাতলা গড়নের, গায়ের রং অত্যন্ত ফর্সা, সর্বদা হাসিমুখে থাকতেন। পুকুরের মাছ, খোঁয়াড়ের মুরগি এবং এঁটে কলা (বড় বিচিসমেত আইটটা কলা) দিয়ে কচলিয়ে দুধ-ভাত খেয়ে ফিরতাম সুগন্ধিতে।

তখনকার সুগন্ধির কিছু সুন্দর দিকের কথা না বললেই নয়। এক, গ্রামে গাছগাছালিতে ছাওয়া একটা ছাড়াবাড়ি ছিল, সামনে যুবকদের খেলাধুলার জন্য সবুজ প্রান্তর—গোল্লাছুট, হাডুডু, এমনকি ফুটবল। বিকেলে দস্তুরমতো একটা হইহুল্লোড় পড়ে যেত পুরো এলাকাজুড়ে। গবাদিপশুর প্রজননেও ব্যবহৃত হতো ছাড়াবাড়িটা।

রাতের বেলায় ছাড়াবাড়ি অতিক্রমের সময় বাতাসে দোলায়িত ডালপালার সোঁ সোঁ শব্দ আমার বালক-মনে ভূত-পেত্নির ভয় জাগাত। অগত্যা, চোখ বন্ধ করে উচ্চস্বরে 'লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জালিমীন' পড়তে পড়তে ভোঁদৌড় দিতাম।

দুই, পশ্চিমে মেঘনা নদী থেকে একটি ছোট খাল প্রবাহিত ছিল গ্রামের বুক চিরে। অবহেলা ও অযত্নে থাকলেও অন্তত গবাদিপশুর খাদ্যের জন্য কচুরিপানা কিংবা অল্পবিস্তর মাছ ধরার অবকাশ ছিল।

তিন, এদিক-সেদিক ঝোপজঙ্গলে 'বেতুম' ফলসহ নানাবিধ ফলজ উদ্ভিদ ছিল।

এখন অবশ্য বাড়িঘর বানাবার জন্য সবই ভরাট হওয়ার পথে। সারা দেশের মতো সুগন্ধিতেও অক্সিজেন আউট, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইন। হাঁটাহাঁটির গ্রামটিতে এখন রিকশার ক্রিং ক্রিং শব্দ। ফসল উৎপাদন ও মাড়াইয়ে হালের বলদ আর মানবশ্রমিকের জায়গায় এখন মেশিনের জয়গান।

বলতে ইচ্ছে করে, ফিরিয়ে দাও সেই সুগন্ধি—যখন 'ঝোপে ঝোপে ঝিল্লি ডাকিত, অন্ধকার দাওয়ায় একলা বসিয়া গাছের কম্পন দেখিলে কবিহৃদয়েও ঈষৎ হৃৎকম্প উপস্থিত হইত।'

(চলবে)

লেখক : অর্থনীতিবিদ, সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)