সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

গর্ভবতী নারীরা যে ৫ ফল খাবেন না

গর্ভবতী নারীর পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত জরুরি। ফলমূল, সবজি, খনিজ, প্রোটিন– এসবই শিশুর গঠন ও বিকাশের জন্য প্রয়োজন। তবে গর্ভাবস্থায় মায়ের খাদ্যাভ্যাস সরাসরি গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই কিছু ফল পুষ্টিকর হলেও গর্ভাবস্থায় সেগুলো খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

গর্ভবতী নারীর পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত জরুরি। ফলমূল, সবজি, খনিজ, প্রোটিন– এসবই শিশুর গঠন ও বিকাশের জন্য প্রয়োজন। তবে গর্ভাবস্থায় মায়ের খাদ্যাভ্যাস সরাসরি গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই কিছু ফল পুষ্টিকর হলেও গর্ভাবস্থায় সেগুলো খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে বাড়ির বয়স্ক নারীদের কাছে বিভিন্ন খাবার খাওয়া ও না খাওয়ার পরামর্শ পেয়ে এসেছেন গর্ভবতী নারীরা। সেগুলোর কিছু কিছু কুসংস্কার হলেও বাকিগুলো তাদের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া জ্ঞান। তবে বর্তমানে বিজ্ঞানের উৎকর্ষের কারণে আমরা স্পষ্ট করে জানি যে, কোন পরামর্শগুলো মেনে নেওয়া উচিত এবং কেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভবতী নারীরা কোন কোন ফল খাবেন না।

পাকা পেপেতে ল্যাটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে, যা জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে পারে। এতে গর্ভপাত বা অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া পেপেতে থাকা প্যাপাইন এনজাইম গর্ভফুল (প্লাসেন্টা) এর কোষ ধ্বংস করতে পারে, যা ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর।

আনারসে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম থাকে, যা জরায়ু মুখ নরম করে সংকোচন সৃষ্টি করতে পারে। প্রথম তিন মাস আনারস খেলে গর্ভপাতের সম্ভাবনা থাকে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শেষের দিকে পরিমিত আনারস খাওয়া যেতে পারে।

আঙুরে রেসভেরাট্রল নামক যৌগ থাকে, যা গর্ভাবস্থায় বিষাক্ত হতে পারে। বিশেষ করে কালো আঙুর না খাওয়াই ভালো, কারণ এটি শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া আঙুরে সাধারণত কীটনাশকের মাত্রা বেশি থাকতে পারে, যা গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তেঁতুলে ভিটামিন-সি বেশি থাকলেও এটি অ্যাসিডিক প্রকৃতির। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত তেঁতুল খেলে অম্লতা ও বমি বেড়ে যেতে পারে। এছাড়া তেঁতুলের ল্যাক্সেটিভ প্রভাব থাকায় ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর।

লিচুতে শর্করা ও তাপ উৎপাদনকারী উপাদান বেশি থাকে, যা গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। এছাড়া লিচু গরম প্রকৃতির ফল, তাই শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কিছু গবেষণায় লিচুর সঙ্গে গর্ভপাতের সম্পর্কও পাওয়া গেছে।

তাই গর্ভাবস্থায় যে কোনো ফল খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। খওয়ার আগে ফল ভালোভাবে ধুয়ে কীটনাশকের ঝুঁকি কমাতে হবে। অতিরিক্ত কোনো ফলই খাওয়া ঠিক নয়, বিশেষ করে প্রথম তিন মাস সতর্ক থাকুন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

কুয়াশায় শিকড় খাওয়ানোর প্রযুক্তিতে রোগমুক্ত আলুবীজ উৎপাদনের পরীক্ষা ইংল্যান্ডে

স্টার্টআপ এয়ারপনিক্স ও ডাইসন ফার্মিং ডেফরার অর্থায়নে দুই বছরের এক পরীক্ষা শুরু করেছে: কুয়াশাভিত্তিক পদ্ধতিতে বর্তমান খরচের অর্ধেকেরও কমে ইংল্যান্ডে রোগমুক্ত প্রথম প্রজন্মের আলুবীজ উৎপাদন সম্ভব কি না।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাশরুমের গাঁজন প্রযুক্তিতে টফুর বর্জ্য হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ সুস্বাদু উপাদান

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সয়া দুধ ও টফুর অবশিষ্ট ওকারা ঝিনুক মাশরুমের মাইসেলিয়াম দিয়ে গাঁজন করে এর প্রোটিন প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশে তুলেছেন, বাড়িয়েছেন উমামি স্বাদ।

Green Queen১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)