সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

শিশুর প্রথম এক হাজার দিনের পুষ্টি উন্নয়নের মাপকাঠি হোক: দেমেকে মেকোনেন

ইথিওপিয়ার সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী মনে করেন, গর্ভ থেকে দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টিকে জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে জায়গা দেওয়া উচিত, আর এর তথ্য দেশগুলোর হাতে এখনই আছে।

শিশুর প্রথম এক হাজার দিনের পুষ্টি উন্নয়নের মাপকাঠি হোক: দেমেকে মেকোনেন
মতামত

গর্ভাবস্থা থেকে শিশুর দ্বিতীয় জন্মদিন পর্যন্ত প্রথম এক হাজার দিনের পুষ্টিকে উন্নয়ন মাপার মূল মানদণ্ড করা উচিত, এমন যুক্তি দিয়েছেন ইথিওপিয়ার সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেমেকে মেকোনেন (Demeke Mekonnen)। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উন্নয়ন নিয়ে এক সপ্তাহের আলোচনার পর সায়েডেভ ডট নেটে (SciDev.Net) লেখা কলামে তিনি এ কথা বলেন। মতামত লেখকের নিজের।

তিনি শুরু করেছেন একটি বৈপরীত্য দিয়ে: শিশুখাদ্যের ফর্মুলা কিনলে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বাড়ে, অথচ বুকের দুধ খাওয়ানো, যা সুস্থ ও সক্ষম শিশু গড়ার সবচেয়ে মূল্যবান বিনিয়োগগুলোর একটি, হিসাবে আসে না। তাঁর মতে, এতে বোঝা যায় পৃথিবী মানব উন্নয়ন মাপছে উল্টো দিক থেকে: প্রাপ্তবয়স্কেরা কী অর্জন করলেন সেটা দেখা হয়, কিন্তু সেই অর্জনের ভিত কীভাবে তৈরি হলো তা নয়।

শৈশবের পুষ্টি যে পরের জীবন গড়ে দেয়, তার প্রমাণ হিসেবে মেকোনেন কয়েকটি গবেষণার কথা বলেছেন। গুয়াতেমালায় তিন বছর বয়সের আগে উচ্চ আমিষের সম্পূরক খাবার পাওয়া শিশুরা বড় হয়ে না-পাওয়াদের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি মজুরি পেয়েছে। জিম্বাবুয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, অপুষ্টিতে খর্বকায় শিশুরা কম বছর স্কুলে পড়েছে এবং সারা জীবনে প্রায় ১০ শতাংশ কম আয় করেছে। শৈশবে অপুষ্টির শিকার মেয়েদের সন্তানদেরও বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, ফলে ক্ষতি গড়ায় পরের প্রজন্মে।

তাঁর লক্ষ্য মানব উন্নয়ন সূচক (এইচডিআই), যা জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) আয়, শিক্ষা ও গড় আয়ু দিয়ে তৈরি করে। এই সূচকগুলো প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের ফল দেখায়, শৈশবে শিশু কী পুষ্টি পেয়েছে তা নয়। তিনি স্পষ্ট করেছেন, তিনি নতুন কোনো র‍্যাংকিং চাইছেন না; চাইছেন বিদ্যমান সূচকেই শৈশবের পুষ্টিকে অর্থবহ জায়গা দেওয়া হোক।

এর জন্য ব্যয়বহুল নতুন ব্যবস্থা লাগবে না, কারণ দেশগুলোর জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপে প্রয়োজনীয় তথ্যের বড় অংশ আগে থেকেই আছে। শক্ত পুষ্টি-তথ্য ব্যবস্থা আছে এমন কয়েকটি দেশ স্কেলিং আপ নিউট্রিশন (সান) আন্দোলনের কাঠামোর মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কাজটি শুরু করতে পারে, যাতে বড় পরিসরে যাওয়ার আগে তথ্য, তুলনাযোগ্যতা ও পদ্ধতির প্রশ্নগুলো মীমাংসা হয়।

উন্নয়ন সহায়তা কমে আসার এই সময়ে মেকোনেন সতর্ক করেছেন, পুষ্টিকে স্কুল, হাসপাতাল ও সড়কের সঙ্গে বরাদ্দের প্রতিযোগী একটি খাত হিসেবে দেখা ভুল। অপুষ্টিতে বিকাশ আটকে থাকা শিশু শ্রেণিকক্ষে এলে ভালো অর্থায়নের স্কুলও প্রত্যাশিত ফল দেয় না। মেকোনেন অপুষ্টি নিয়ে কাজ করা অলাভজনক সংস্থা ইয়াদাম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান।

ছবি: USAID Ethiopia / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: SciDev.Net

SciDev.Netসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)