সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ড্রাগন ফলের মিল্কশেক: চার উপকরণে তৈরির সহজ রেসিপি

২০২৬ সালের ৩০ জুলাই জাগো নিউজ ২৪ পাকা ড্রাগন ফল, ঠান্ডা দুধ, চিনি বা মধু আর বরফ কুচি দিয়ে এক-দুই মিনিটে ব্লেন্ড করে ড্রাগন ফলের মিল্কশেক তৈরির একটি সহজ রেসিপি প্রকাশ করে।

ড্রাগন ফলের মিল্কশেক: চার উপকরণে তৈরির সহজ রেসিপি
ফল

২০২৬ সালের ৩০ জুলাই অনলাইন সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজ ২৪-এর লাইফস্টাইল ডেস্ক ড্রাগন ফলের মিল্কশেক তৈরির একটি সহজ রেসিপি প্রকাশ করে। মূল উপকরণ চারটি: পাকা ড্রাগন ফল, ঠান্ডা তরল দুধ, চিনি বা মধু এবং বরফ কুচি; সাজানোর জন্য লাগে বাদাম কুচি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ড্রাগন ফল এখন আর শুধু বিদেশি ফল নয়, বরং সহজলভ্য ও তুলনামূলক কম দামের একটি ফল, আর রঙিন এই পানীয় সকাল বা বিকেলের নাশতায় এবং গরমের দিনে খাওয়া যায়।

মিল্কশেকের উপকরণ


জাগো নিউজ ২৪-এর রেসিপিতে উপকরণের পরিমাণ ছিল এরকম:

  • পাকা ড্রাগন ফল ১টি
  • ঠান্ডা তরল দুধ ১ কাপ
  • চিনি বা মধু ১ থেকে ২ চা চামচ
  • বরফ কুচি প্রয়োজনমতো
  • কাজুবাদাম বা কাঠবাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ (সাজানোর জন্য)

যেভাবে তৈরি করবেন


  • ড্রাগন ফলের খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের শাঁস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।
  • ব্লেন্ডারে ড্রাগন ফলের টুকরো, ঠান্ডা দুধ, চিনি বা মধু এবং বরফ কুচি একসঙ্গে দিন।
  • মিশ্রণটি মসৃণ ও ক্রিমি না হওয়া পর্যন্ত ১ থেকে ২ মিনিট ব্লেন্ড করুন।
  • পরিবেশন গ্লাসে ঢেলে ওপরে বাদাম কুচি ও কয়েক টুকরো ড্রাগন ফল ছড়িয়ে দিন।
  • ঠান্ডা অবস্থায় পরিবেশন করুন।

প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, দুধ আর ড্রাগন ফল মিলিয়ে তৈরি এই পানীয় দ্রুত শক্তি জোগায় ও হজমে সাহায্য করে, এবং রঙিন হওয়ায় শিশুরাও এটি পছন্দ করে।

ফিলিপাইনের দাভাও শহরে বিক্রির জন্য রাখা ড্রাগন ফলের শেক ও ডাব। ছবি: PAULIX04 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ফিলিপাইনের দাভাও শহরে বিক্রির জন্য রাখা ড্রাগন ফলের শেক ও ডাব। ছবি: PAULIX04 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ড্রাগন ফল কোন গাছের ফল


ড্রাগন ফল বা পিতায়া কয়েকটি ক্যাকটাস প্রজাতির ফল। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ফলটি ডিম্বাকার, প্রায় ১০ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৬ সেন্টিমিটার চওড়া, আর এর শাঁসে ছড়িয়ে থাকে ছোট ছোট কালো বীজ। গাছের ফুল ফোটে রাতে, আর পরদিন সন্ধ্যার মধ্যেই সাধারণত শুকিয়ে যায়।

ফলটির আদি নিবাস দক্ষিণ মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালা, কোস্টারিকা ও এল সালভাদরের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল। প্রধান তিনটি প্রজাতির মধ্যে Selenicereus undatus-এর খোসা গোলাপি ও শাঁস সাদা, S. costaricensis-এর খোসা ও শাঁস দুটোই লাল, আর S. megalanthus-এর খোসা হলুদ ও শাঁস সাদা। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ড্রাগন ফলে প্রায় ৫৭ কিলোক্যালরি শক্তি, ৮৪ গ্রাম পানি, ১৫.২ গ্রাম শর্করা এবং ৩.১ গ্রাম আঁশ থাকে।

রাতে ফোটা ড্রাগন ফলের (Selenicereus undatus) ফুল, হাওয়াইয়ের মাউই দ্বীপে তোলা। ছবি: Forest & Kim Starr / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
রাতে ফোটা ড্রাগন ফলের (Selenicereus undatus) ফুল, হাওয়াইয়ের মাউই দ্বীপে তোলা। ছবি: Forest & Kim Starr / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের চাষ


দ্য ডেইলি স্টারের ২০১৫ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) হর্টিকালচার সেন্টার ২০১৩ সাল থেকে ২০১৪ সালের শুরুর দিকে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারীর কৃষকদের মধ্যে ড্রাগন ফলের বাণিজ্যিক চাষ ছড়িয়ে দিতে কাজ শুরু করে।

এরপর চাষ দ্রুত বেড়েছে। দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসে উদ্ধৃত ডিএইর হর্টিকালচার উইংয়ের হিসাবে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে ৩৮ হেক্টর জমিতে ২৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন ফল উৎপাদিত হয়েছিল; ২০২১-২২ অর্থবছরে জমি দাঁড়ায় ১ হাজার ১১৫ হেক্টরে আর উৎপাদন ১৩ হাজার ৮৭২ মেট্রিক টনে। ডেইলি স্টার ২০২২ সালের ডিসেম্বরে জানায়, দেশের ড্রাগন ফলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ উৎপাদিত হয় খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে, আর পাহাড়ি এলাকায় তখন প্রতি কেজি বিক্রি হতো ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়।

বরেন্দ্র অঞ্চলেও ফলটি জায়গা করে নিয়েছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ২০২৬ সালের মার্চে জানায়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সেই মৌসুমে প্রায় ১৯০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ হয়েছিল। ডিএইর কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ফসলে বিনিয়োগ তুলনামূলক কম লাগে, পোকামাকড়ের আক্রমণও কম, আর অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া চাষের উপযোগী।

সিলেটের জৈন্তাপুরে সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের বাগানে ড্রাগন ফল। ছবি: Abu Sayeed / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সিলেটের জৈন্তাপুরে সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের বাগানে ড্রাগন ফল। ছবি: Abu Sayeed / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ছবি: Berthgmn / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, দ্য ডেইলি স্টার, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)