সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

চায়ের অনুপযোগী পতিত জমিতে ১৫ হাজার ড্রাগন গাছ, সিরাজনগর বাগানে ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু; দ্বিতীয় বছরেই ফলন, থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাতের ফল জৈব পদ্ধতিতে ফলিয়ে রপ্তানির পরিকল্পনা করছে বাগান কর্তৃপক্ষ।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় চা চাষের অনুপযোগী পতিত জমিতে ড্রাগন ফল ফলিয়ে নতুন আয়ের পথ খুলেছে সিরাজনগর চা-বাগান কর্তৃপক্ষ। একসময় অনাবাদি পড়ে থাকা জমিতে এখন সারি সারি ড্রাগন গাছ; ফলন ও বিক্রি বাড়ায় বাগান কর্তৃপক্ষ এই খাত থেকে আরও ভালো আয়ের প্রত্যাশা করছে।

২০২৪ সালে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন চাষ শুরু করে বাগানটি। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১৫ হাজার ড্রাগন গাছ রয়েছে এবং থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক, এই তিন জাতের ফল উৎপাদন হচ্ছে। দ্বিতীয় বছরেই ফলন আসতে শুরু করে এবং চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে ফল পাঠানোর পরিকল্পনাও তাদের আছে।

সিরাজনগর চা-বাগানের ম্যানেজার শামীম ইসলাম বলেন, চা চাষের অনুপযোগী পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে ড্রাগন চাষ করা হচ্ছে; উৎপাদনে ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার না করে জৈব পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বাগানের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ড্রাগন চাষে বাগানের শ্রমিকদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং উৎপাদিত ফল শ্রমিকদের মধ্যেও সরবরাহ করা হচ্ছে। বাগানটি এখন দর্শনার্থীদেরও টানছে; প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষ পরিবেশ ও ফলের বৈচিত্র্য দেখতে আসছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জসীম উদ্দিন বলেন, চা চাষের অনুপযোগী জমি বিকল্প কৃষিতে ব্যবহার করা গেলে বাগানের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থান হবে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে; কুলাউড়ার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যত্র, এমনকি বিদেশেও ড্রাগন ফল পাঠানোর সুযোগ আছে। কৃষিসংশ্লিষ্টদের মতে, পতিত জমি পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে ড্রাগন ছাড়াও উপযোগ অনুযায়ী অন্য ফসলও ফলানো সম্ভব।

সিলেট অঞ্চলের চা-বাগানগুলোতে এমন অনুপযোগী জমির পরিমাণ কম নয়; সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিচর্যায় সেসব জমি উৎপাদনমুখী করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা, সিরাজনগর তার একটি প্রমাণ।

সূত্র: বাংলানিউজ২৪

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)