কৃষকদের সারের দাম ও চালান সরাসরি দেখার এবং সরবরাহের চুক্তি করার সুযোগ দেওয়া কানাডার স্টার্টআপ ক্লিয়ারকস্ট (ClearCost) অপ্রকাশিত অঙ্কের সিরিজ এ তহবিল সংগ্রহ করেছে। বিনিয়োগ করেছে সাস্কওয়ার্কস ভেঞ্চার ফান্ড ও মোটিভ ভেঞ্চারস। এজিনেভিগেটরকে এ কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কিথ বুশ (Keith Busch)।
২০২৪ সালে চালু হওয়া প্ল্যাটফর্মটি কৃষকেরা বিনা মূল্যে ব্যবহার করেন, আর লেনদেন ও পরিবহনের তথ্যের মালিক ক্লিয়ারকস্ট। গত দেড় বছরে প্রতিষ্ঠানটি কানাডায় পেমেন্ট সেবাদাতা ও অর্থসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধন নিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রেও অংশীদারত্বের মাধ্যমে একই কাজ করছে। আগামী বছরের শুরুতে পুরো মহাদেশে নতুন নকশার প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা আছে। বুশ বলেন, কৃষি কম লাভ ও বেশি পরিমাণের ব্যবসা; যে সারে লাভ ৫ শতাংশ, তার পেমেন্টে ৩ শতাংশ চার্জ নেওয়া পাগলামি।
তাঁর ভাষায়, সারের দাম ও খামারগুলোর ঝুঁকি এখন এমন পর্যায়ে, যা এক পুরোনো সার ব্যবসায়ী তাঁকে বলেছেন আশির দশকের পর দেখেননি। বুশের হিসাবে ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে বিশ্বের নাইট্রোজেন সরবরাহের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ আটকে আছে; অঞ্চলটি স্থিতিশীল হলে বাজারে আরও নাইট্রোজেন আসবে এবং দাম কমবে।
তবে ফসফরাসের চিত্র আলাদা, বলেন বুশ। এটি তৈরিতে লাগে পেট্রোলিয়ামের উপজাত সালফার, যার সংকট চলছে; প্রতি টন ফসফরাসে লাগে শূন্য দশমিক ৪ টন সালফার। তিনি বলেন, তাঁদের দেখা পূর্বাভাস অনুযায়ী এ বছর বিশ্বে ফসফরাসের উৎপাদন হবে বার্ষিক গড়ের মাত্র ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ।
দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও সারের দাম গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশ ও ভারত তাদের ফসফেট সারের বড় অংশ আমদানি করে; বিশ্বে ফসফরাস উৎপাদন কমলে তার প্রভাব পড়বে আমদানি ব্যয়ে।
ছবি: Suyash Dwivedi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এজিনেভিগেটর





মন্তব্য
(০)