সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ছাদ বাগান কি ওজোন স্তর সুরক্ষা করতে পারে?

কংক্রিটের শহরে ছাদ বাগানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। নগরবাসী নিজেদের ছাদে সবজি, ফল, ফুল ও নানা ধরনের গাছ লাগাচ্ছেন। একদিকে যেমন তারা তাজা খাদ্য পাচ্ছেন, অন্যদিকে ছাদের তাপমাত্রায়ও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। প্রশ্ন উঠতে পারে, ছাদের বাগানগুলো কি সত্যিই ওজোন স্তর রক্ষায় কোনো ভূমিকা রাখে?

কংক্রিটের শহরে ছাদ বাগানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। নগরবাসী নিজেদের ছাদে সবজি, ফল, ফুল ও নানা ধরনের গাছ লাগাচ্ছেন। একদিকে যেমন তারা তাজা খাদ্য পাচ্ছেন, অন্যদিকে ছাদের তাপমাত্রায়ও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। প্রশ্ন উঠতে পারে, ছাদের বাগানগুলো কি সত্যিই ওজোন স্তর রক্ষায় কোনো ভূমিকা রাখে?

ওজোন স্তর মূলত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থান করে। যেখানে ওজোন অণুগুলো সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে নেয়। যদি ওজোন স্তরের সুরক্ষা না থাকে, তাহলে মানুষের শরীরে চর্মরোগ, চোখের সমস্যা, এমনকি ফসল ও জীববৈচিত্র্যের ওপরও মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। ওজোন ধ্বংসের প্রধান কারণ হচ্ছে মানুষের তৈরি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন এবং অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস। তবে পৃথিবীর প্রতিটি গাছপালা বায়ুমণ্ডলকে সুরক্ষিত রাখতে পরোক্ষভাবে অবদান রাখে।

বিশেষ করে যান্ত্রিক শহরে ছাদের বাগানগুলো এ প্রক্রিয়ায় কয়েকভাবে ভূমিকা রাখছে। প্রথমে যদি বলি, গাছ কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন নিঃসরণ করে। কার্বন-ডাই-অক্সাইড কমলে বৈশ্বিক উষ্ণতা কিছুটা হলেও হ্রাস পায়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং ওজোন স্তরকে দুর্বল করে। তাই পরোক্ষভাবে ছাদের বাগান তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

এরপর ছাদের বাগান শহরের 'হিট আইল্যান্ড' প্রভাব কমায়। ঢাকার মতো শহরে কংক্রিট, টিন ও পাকা রাস্তার কারণে অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়, যা পরিবেশকে আরও গরম করে তোলে। গাছপালা এ তাপ কমিয়ে শহরের তাপমাত্রা হ্রাস করে। বায়ুমণ্ডলকেও স্বাভাবিক রাখতে নিরলস কাজ করে চলে।

এ ছাড়া ছাদের বাগান বায়ুদূষণ কিছুটা হলেও শোষণ করে। ঢাকা শহরে গাড়ির ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন, নির্মাণকাজের ধুলা সব মিলে বায়ুদূষণ ভয়াবহ। এই দূষিত উপাদানের অনেকটাই ওজোন স্তরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। গাছের পাতা ও কাণ্ড ধূলা ও ক্ষুদ্র কণিকা আটকে পরিবেশ কিছুটা পরিষ্কার রাখে।

গবেষণা বলছে, সবুজায়ন যদি বড় আকারে বিস্তৃত হয়, তবে তা নগর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ যদি দিই, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের গবেষণার তথ্যমতে, গ্রিন রুফ বা ছাদ বাগান ওজোন স্তরের সুরক্ষায় অবদান রাখে।

ঢাকায় বর্তমানে শত শত ভবনের ছাদে ছোট-বড় বাগান আছে। এ সংখ্যা যত বাড়বে; ততই একটি সম্মিলিত প্রভাব তৈরি হবে। যদিও একেকটি ছাদের বাগান সরাসরি ওজোন স্তর মেরামত করে না কিন্তু সম্মিলিতভাবে এ ধরনের উদ্যোগ বৈশ্বিক পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে।

আজ আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস। ওজোন স্তর রক্ষার লড়াই কেবল আন্তর্জাতিক চুক্তি বা বড় শিল্পনীতির ওপর নির্ভর নয়; বরং আপনার আমার প্রতিটি গাছ, প্রতিটি সবুজ উদ্যোগও এতে অবদান রাখছে।

বলা যায়, শুধু সৌন্দর্য বা খাদ্যের জন্য নয়; বরং পরিবেশ সুরক্ষারও অংশীদার ছাদ বাগান। আসুন আমরা সচেতন হই, প্রতিরোধ গড়ে তুলি। নগরবাসীর ছোট ছোট সবুজ পদক্ষেপই পৃথিবীর নীল আকাশ রক্ষার বড় কৌশল হতে পারে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

কুয়াশায় শিকড় খাওয়ানোর প্রযুক্তিতে রোগমুক্ত আলুবীজ উৎপাদনের পরীক্ষা ইংল্যান্ডে

স্টার্টআপ এয়ারপনিক্স ও ডাইসন ফার্মিং ডেফরার অর্থায়নে দুই বছরের এক পরীক্ষা শুরু করেছে: কুয়াশাভিত্তিক পদ্ধতিতে বর্তমান খরচের অর্ধেকেরও কমে ইংল্যান্ডে রোগমুক্ত প্রথম প্রজন্মের আলুবীজ উৎপাদন সম্ভব কি না।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাশরুমের গাঁজন প্রযুক্তিতে টফুর বর্জ্য হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ সুস্বাদু উপাদান

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সয়া দুধ ও টফুর অবশিষ্ট ওকারা ঝিনুক মাশরুমের মাইসেলিয়াম দিয়ে গাঁজন করে এর প্রোটিন প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশে তুলেছেন, বাড়িয়েছেন উমামি স্বাদ।

Green Queen১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)