সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

একবার রোপণে বারবার ফসল: আবেদ চৌধুরীর পঞ্চব্রীহি ধানে হেক্টরে ১৯ টন

বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী জানালেন, তাঁর উদ্ভাবিত পঞ্চব্রীহি ধান একবার রোপণে বোরো ও দুই দফা আউশ মিলিয়ে হেক্টরে ১৯ টন দিয়েছে; সোলার প্যানেলের ছায়ায় চাষের জাত ছায়াব্রীহি এখন পরীক্ষায়।

একবার রোপণে বারবার ফসল: আবেদ চৌধুরীর পঞ্চব্রীহি ধানে হেক্টরে ১৯ টন
ফসল

একবার রোপণ করা ধানগাছ থেকে বারবার ফসল তোলার পদ্ধতি পঞ্চব্রীহি। এর উদ্ভাবক বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী দেশ রূপান্তরের কৃষি পাতা ধানতারাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর মাঠে একই গাছ প্রথমে হেক্টরে ৮ টন বোরো, পরে ৬ টন আউশ এবং আবার ৫ টন আউশ দিয়েছে। সব মিলিয়ে ১৯ টন খাদ্যশস্য, যা সাধারণ ধানগাছ থেকে সারা বছরেও পাওয়া যায় না বলে তাঁর দাবি।

প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রতি মৌসুমে জমি চাষ ও নতুন করে রোপণের খরচ লাগে; পঞ্চব্রীহিতে সেই খরচ বাঁচে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ফলনে খুব অল্প পরিমাণ সার লাগে বলে জানান তিনি। ধারণাটি এসেছিল আম, কাঁঠাল, লিচুর মতো প্রতিবছর ফল দেওয়া গাছ দেখে। চীনে রাটুন নামে একটি পদ্ধতি থাকলেও পঞ্চব্রীহির বিশেষত্ব হলো এটি বারবার ফলন দেয়।

জলবায়ু বদলের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের জন্য খরা, তাপ ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাত সবচেয়ে বেশি দরকার হবে বলে মনে করেন এই বিজ্ঞানী। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মাথায় রেখে তিনি এমন একটি জাত তৈরি করেছেন যা ওপরে সোলার প্যানেল আর নিচে ছায়ায় ফলবে। নাম দিয়েছেন ছায়াব্রীহি, এখন তার ট্রায়াল চলছে। বন্যাসহিষ্ণু ও গভীর পানির ধান ফিরিয়ে আনার ওপরও জোর দেন তিনি।

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর হিসাব, দেশে হেক্টরপ্রতি ধানের গড় ফলন ৪ টন, যা ৮ টনে তোলা গেলে অর্ধেক জমি অন্য কাজে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব। এ জন্য ধানের উৎপাদন বাড়ানোর গবেষণায় সরকারের আরও অর্থ দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। ভিয়েতনামে দেখা গ্রামভিত্তিক সমবায় মাঠের উদাহরণও দেন, যেখানে যার যতটুকু জমি সে সেই অনুপাতে ফসল পায়।

আবেদ চৌধুরীর মতে, দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি এখনো টিকে থাকা কৃষিজমি আর ধানের উপযোগী আবহাওয়া। আর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সেই শক্তি কাজে লাগাতে না পারা। গ্রাম উপশহরে পরিণত হওয়ায় কৃষিজমি হারিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেন তিনি। "কৃষিজমি যদি হারিয়ে যায় তাহলে এই ধান-চাল কে আমাদের দেবে," প্রশ্ন তাঁর।

মাত্র তেইশ বছর বয়সে জেনেটিক রিকম্বিনেশনের একটি নতুন জিন আবিষ্কার করে পরিচিতি পাওয়া এই বিজ্ঞানী পিতৃহীন বীজ নিয়েও কাজ করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা ছেড়ে গ্রামে ফিরে শুরু করা কাজ থেকেই পঞ্চব্রীহি ও ছায়াব্রীহি এসেছে। কৃষকের জন্য এর তাৎপর্য, একবার রোপণে একাধিক মৌসুমের ফসল এলে চাষ, চারা ও শ্রমের খরচ কমতে পারে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন এনাম-উজ-জামান।

ছবি: Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: দেশ রূপান্তর

দেশ রূপান্তরসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)