সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

পাঁচ বছরে ১২ শতাংশের বেশি ধান সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য বিভাগ

পাঁচ বছরে ১২ শতাংশের বেশি ধান সংগ্রহ করতে পারেনি রাজশাহী খাদ্য বিভাগ। নানা ভোগান্তির কারণে সরকারি গুদামে ধান বিক্রিতে অনীহা কৃষকদের।

পাঁচ বছরে ১২ শতাংশের বেশি ধান সংগ্রহ করতে পারেনি রাজশাহী খাদ্য বিভাগ। নানা ভোগান্তির কারণে সরকারি গুদামে ধান বিক্রিতে অনীহা কৃষকদের।

খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, ২০২০-২১ মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৯ হাজার ৮৪৫ মেট্রিকটন। এ বছর সংগ্রহ করা হয় এক হাজার ১০৮ মেট্রিকটন। যা লক্ষ্যমাত্রার ১ দশমিক ২২ শতাংশ।

২০২১-২২ মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৩ হাজার ৪০৪ মেট্রিকটন। এ বছর সংগ্রহ করা হয় পাঁচ হাজার ৫৭৫ মেট্রিকটন। যা লক্ষ্য ১২ শতাংশ।

২০২২-২৩ মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ হাজার ৭৬৭ মেট্রিকটন। এ বছর সংগ্রহ করা হয় মাত্র ৭ মেট্রিকটন। যা লক্ষ্যমাত্রার ০ দশমিক ১৫ শতাংশ।

২০২৩-২৪ মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩১ হাজার ৫৫৬ মেট্রিকটন। এ বছর সংগ্রহ করা হয় ৩ হাজার ৪৮২ মেট্রিকটন। যা লক্ষ্যমাত্রার ১১ শতাংশ।

সর্বশেষ ২০২৪-২৫ মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫৬ হাজার ৩৫৯ মেট্রিকটন। এ বছর এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয় ৩৯৫ মেট্রিকটন। যা লক্ষ্যমাত্রার ০ দশমিক ৭ শতাংশ।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বিভাগে চলতি মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহে ভাটা পড়েছে। সরকারি বেঁধে দেওয়া ১৩২০ টাকা মন ধানের বিপরীতে কৃষক বাজারে পাচ্ছে ১৫ থেকে ১৬শ টাকা। বাজারদর বেশি হওয়ায় গুদামে আমন ধান দিতে আগ্রহ নেই কৃষকদের। এ অবস্থায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান অনেকটা ব্যর্থ সরকারি গুদামগুলোতে।

এনামুল হক নামের এক কৃষক বলেন, সরকারের কাছে বিক্রি করার চেয়ে বাহিরে বিক্রি করাই ভালো। সরকার দাম দিবে ১৩২০ টাকা আর বাহির দেড় হাজার টাকার ওপরে। তাও আবার বাকিতে কিনবে দরকার। আর বাহিরে নগদ।

তিনি আরও বলেন, আমরা ঋণ করে ধান চাষ করি। ফলে ধান ওঠামাত্র পাওনাদার চলে আসেন। তাহলে কীভাবে সরকারের কাছে ধান দিবো? তাই আমরা বাইরের ধান বিক্রি করি।

পবার কৃষক আলিমুদ্দিন বলেন, আমরা তো বাইরে বেশি দাম পাচ্ছি। তাহলে লোকসান করে ক্যানো কম দামে সরকারের কাছে দিবো। সরকারের কাছে ধান বিক্রি করার চেয়ে খোলা বাজারে ধান বিক্রিতে ঝামেলা কম, দামও বেশি।

রাজশাহীর এফএম অটোরাইস মিলের মালিক মো. মতিউর রহমান বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চাল সরবরাহ করতে গিয়ে বিপাকে মিলারা। গুনতে হচ্ছে লোকসান। লাইসেন্স বাঁচাতে বাধ্য হয়ে সরকারকে চাল দিচ্ছেন।

তবে বিভাগীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তারা মো. মাইন উদ্দিন বলেন, বাজারে ধানের দাম বেশি ভয় কৃষকের আগ্রহ কমছে। তবে এ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ অধ্যাপক ড. আমিনুল হক বলেন, সাধারণত সরকার ধান উঠার ১০-১৫ দিন পরে ধান কেনে। এতে করে দেরি হয়ে যায়। পাশাপাশি দামও কম দেওয়া হয়। এ জন্য কৃষক আগ্রহ হারাচ্ছেন।

সাখাওয়াত হোসেন/আরএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)