সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ভেস্তে গেছে হাতি তাড়ানোর বৈদ্যুতিক বেড়া

শেরপুরে বন্যহাতি ঠেকাতে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের প্রথম সোলার ফেন্সিং (বৈদ্যুতিক বেড়া) প্রকল্প ভেস্তে গেছে । বাস্তবায়নের মাত্র চার মাসেই প্রকল্পের ব্যাটারি অকেজো এবং দীর্ঘদিন পরিচর্যা ও দেখভাল না থাকায় চুরি হয়ে গেছে বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি।

শেরপুরে বন্যহাতি ঠেকাতে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের প্রথম সোলার ফেন্সিং (বৈদ্যুতিক বেড়া) প্রকল্প ভেস্তে গেছে । বাস্তবায়নের মাত্র চার মাসেই প্রকল্পের ব্যাটারি অকেজো এবং দীর্ঘদিন পরিচর্যা ও দেখভাল না থাকায় চুরি হয়ে গেছে বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি।

বৈদ্যুতিক বেড়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হচ্ছে, ব্যাটারি নয় বরং বিভিন্ন সময় বেড়ার তারে গুল্মলতা আঁকড়ে ধরছে, সৃষ্টি হচ্ছে শর্টসার্কিট। এসব কারণেই কাজ করছে না বৈদ্যুতিক বেড়া।

তাদের অভিযোগ, সীমান্তে স্থানীয়দের অসহযোগিতা আর আগ্রহ না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নের অল্প দিনেই অকেজো হয়েছে বৈদ্যুতিক বেড়া।

তবে বন বিভাগের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর রক্ষণাবেক্ষণে লোক নিয়োগ না দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

আরো পড়ুন- নানা সংকটে শেরপুরের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো, সেবাবঞ্চিত দরিদ্ররা

হাতির উপদ্রব থেকে বাঁচতে ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও আফ্রিকার আদলে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী সীমান্তের ১৩ কিলোমিটারজুড়ে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে তার দিয়ে বেড়া নির্মাণ করে বন বিভাগ। ৯১ লাখ টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে ঢাকার নিউ ন্যাশন সোলার লিমিটেড নামের এক প্রতিষ্ঠান।

বুয়েটের প্রতিনিধি দল বৈদ্যুতিক বেড়া পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলের পর ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্টার মামুন অর রশীদ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সম্পূর্ণ কাজ বুঝে নেন। এর মাত্র চার মাস পরই ত্রুটি দেখা দেয় বৈদ্যুতিক বেড়ায়।

বন বিভাগের তথ্য পেয়ে নিউ ন্যাশন সোলার লিমিটেডের একটি প্রতিনিধি দল পরে পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে স্থানীয়দের অসহযোগিতা, দক্ষ ইলেকট্রেশিয়ান না থাকা, নিয়মিত পরিচর্যার অভাব ও গুল্মজাতীয় গাছের কারণে বৈদ্যুতিক বেড়ার ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় ৩০ বছর সীমান্তবাসী মশাল জ্বালিয়ে ও ঢাকঢোল পিটিয়ে হাতি তাড়াতেন। বিদ্যুতের বেড়া নির্মাণের ফলে প্রথম দিকে এর সুবিধা অনেকে ভোগ করেছেন। কিন্তু বছর না যেতেই বৈদ্যুতিক বেড়া অকেজো হয়ে পড়ে। পাঁচ বছর ধরে এই বেড়া এমনই পড়ে আছে। কোনো কাজেই আসে না। সরকারের কোটি টাকা অযথা নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত এই বেড়া আবার ঠিক করা হোক।

আরো পড়ুন- শেরপুরে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব মিটবে কিসে?

স্থানীয় বিমল কোচ বলেন, সরকার এত টাকার একটা প্রজেক্ট করে দিয়েছে, কিন্তু কোনো দক্ষ লোক রাখেনি। এ জন্য বৈদ্যুতিক বেড়া কোনো কাজে আসছে না। ফলে সীমান্তে বসবাসরত লক্ষাধিক মানুষ আবারও হাতির আক্রমণে জীবন ও ফসল হারানোর শঙ্কায় দিন পার করছে।

রঞ্জিত সাংমা বলেন, বৈদ্যুতিক বেড়ায় ব্যবহৃত ব্যাটারি মেরামত এবং এর রক্ষণাবেক্ষণে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা না করলে এটি কোনো কাজে আসবে না। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না করলে সীমান্তের মানুষ বন্যহাতির কবলে পড়ে ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হবে।

ওই সময় দায়িত্বে থাকা বন বিভাগের রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বৈদ্যুতিক বেড়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণেই দ্রুত ভেস্তে গেছে প্রকল্পটি। তাদের সময়মতো সব বিল পরিশোধের পরও এ বিষয়ে তারা কোনো খোঁজ নেয়নি। তাদের কয়েক দফায় চিঠি দিয়েও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকার নিউ ন্যাশন সোলার লিমিটেডের পরিচালক শাহ আহসান হাবিব বাবু বলেন, বৈদ্যুতিক বেড়া এবং এর যন্ত্রাংশ সঠিকভাবে পরিচালনা না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষ লোক নিয়োগ না দেওয়ায় দীর্ঘদিন অকার্যকর ছিল সোলার। পরে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আরো পড়ুন- শেরপুরে দখল হচ্ছে বনভূমি, উজাড় হচ্ছে গারো পাহাড়

তিনি আরও বলেন, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বুয়েট টেস্টের রিপোর্ট, তৎকালীন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র রায় স্বাক্ষরিত সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ কাজ বুঝে পাওয়ায় সন্তোস প্রকাশের চিঠির কপি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বন বিভাগকে চিঠি দিয়ে বৈদ্যুতিক বেড়া রক্ষণাবেক্ষণে স্থায়ীভাবে ইলেকট্রিশিয়ান নিয়োগের মতামতও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বন বিভাগ জনবল নিয়োগ না দেওয়ায় প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পেড়েছে।

শেরপুর বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পর তা রক্ষণাবেক্ষণে লোক নিয়োগ না দেওয়ায় প্রকল্পের এমন দুরবস্থা হয়েছে। তবে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের প্রধান বন সংরক্ষক মোল্ল্যা রেজাউল করিম।

বন বিভাগের তথ্য মতে, শেরপুর সীমান্তের তিন উপজেলার প্রায় ৪০ কিলোমিটার হাতির বিচরণক্ষেত্র। হাতির আক্রমণে জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে মারা পড়েছে ২৮ হাতি।

এফএ/এএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

শিকড়ের কাছে তরল সার পৌঁছাবে হালকা যন্ত্র, পরের লক্ষ্য সার দেওয়ার রোবট

নেদারল্যান্ডসের এক প্রদর্শনীতে দেখানো হালকা ডিস্ক যন্ত্রটি তরল সার সরাসরি মাটির ভেতরে দেয়। এর উদ্ভাবকেরা একে বিদ্যুৎচালিত এমন রোবটে রূপ দিতে চান, যা নিজেই ডকিং স্টেশনে গিয়ে ট্যাংক ভরে নেবে।

Future Farming১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

২০ নভেম্বরের আগে গম বুনুন: উত্তর প্রদেশে শূন্য চাষ পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিল ইরি ও সিমিট

খড় পোড়ানোর বিকল্প হিসেবে শূন্য চাষে গম বপন ও ফসলের অবশিষ্টাংশ ব্যবস্থাপনায় পূর্ব উত্তর প্রদেশের ৬৩ জন কৃষক, যন্ত্রসেবাদাতা ও সম্প্রসারণকর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইরি ও সিমিট।

IRRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)