সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মিরসরাইয়ে কচু চাষে লাভবান কৃষক

মিরসরাই পৌরসভার কৃষক মো. হারুন অর রশিদ প্রায় ২২ বছর ধরে কচু চাষ করছেন। তার কৃষিজমি নিচু হওয়ায় অন্যান্য সবজির চাষ ভালো না হওয়ায় তিনি দীর্ঘ দিন ধরে কচু চাষ করে আসছেন।

মিরসরাই পৌরসভার কৃষক মো. হারুন অর রশিদ প্রায় ২২ বছর ধরে কচু চাষ করছেন। তার কৃষিজমি নিচু হওয়ায় অন্যান্য সবজির চাষ ভালো না হওয়ায় তিনি দীর্ঘ দিন ধরে কচু চাষ করে আসছেন।

এবছরও নিজের ১০০ শতক জমিতে কচু চাষ করেছেন। অন্যের কাছ থেকে চাষকৃত আরও ৭০ শতক আবাদি ক্ষেত কিনেছে হারুন। এরই মধ্যে ১২০ শতক জমির কচু বাজারে বিক্রিও করেছেন। আরও এক মাস ধরে কচু বিক্রি করতে পারবেন তিনি। ১২০ শতকের কচু তিনি ২ লাখ ২০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন।

শুধু হারুন নয়, এভাবে কচু চাষের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার অনেক কৃষক। কচু চাষ করে তারা এখন বেশ স্বাবলম্বী। উপজেলার এবার ১৫০ একর জমিতে কচুর চাষ হয়েছে।

মিরসরাই উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় গিয়ে কথা হয় কৃষক নুর হোসেন ও নওশা মিয়ার সঙ্গে। নুর হোসেন বলেন, এবার ৬০ শতক জমিতে কচু চাষ করেছি। এরই মধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকার কচু বিক্রি হয়েছে। আরও ১৫ দিন বিক্রি করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, কচু চাষে কষ্ট হলেও ভালো লাভ হয়। কচুর ফুল (স্থানীয় ভাষায় পোঁপা) ও লতি বিক্রি করা যায়।

কয়েকদিন পর পর জমি থেকে কচু তুলে পিকআপ যোগে সীতাকুন্ড, বারইয়ারহাট, মিঠাছরা, আবুতোরাব বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে নিয়ে পাইকারি মূল্যে বিক্রি করে থাকি। সেখান থেকে পাইকাররা ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনীসহ বিভিন্ন শহরে নিয়ে যান।

আরেক চাষি আবুল হোসেন বলেন, মিরসরাই উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমাদের গ্রামে কচু চাষ করা হয়। আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে কচু চাষ হয়ে আসছে। আমরা এখনো কচু চাষ করে যাচ্ছি। কচু চাষের কারণে কচুয়া গ্রাম নামকরণ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হতে পারে। তবে সঠিক বলতে পারবো না।

জানা গেছে, জমি থেকে কচু তোলার কাজ ভালো আয় করছেন একাধিক কৃষি শ্রমিক। তবে সবাই একাজ করতে পারেন না। তাই কৃষকদের কাছে তাদের আলাদা কদর রয়েছে। কথা হয় এমনই একজন শ্রমিক মো. ফারুকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ২৫ শতক জমিতে কচু চাষ করেছিলেন। ২২ হাজার টাকার ফুল ও লতি বিক্রি করেছি।

এরপর অন্যের কাছে ৬৫ হাজার টাকায় ক্ষেত বিক্রি করে দিয়েছি। আমার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। এখন অন্যের জমিতে কাজ করছি। ১৫০টি কচু জমি থেকে তুলে বিক্রির জন্য তৈরি করে দিলে ৭০০ টাকা বেতন পাই। ভোর ৬টা থেকে কাজ শুরু করলে বেলা ১১টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এ কাজ করে ভালোই চলে যাচ্ছে আমাদের সংসার।

মিরসরাই উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলম বলেন, উপজেলায় এবার ১৫০ একর জমিতে কচু চাষ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চাষ হলেও সর্বোচ্চ চাষ হয় মিরসরাই পৌরসভা ও মঘাদিয়া ইউনিয়নে। এসব এলাকার কৃষকরা কচু চাষে ভালো করেছেন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

কুয়াশায় শিকড় খাওয়ানোর প্রযুক্তিতে রোগমুক্ত আলুবীজ উৎপাদনের পরীক্ষা ইংল্যান্ডে

স্টার্টআপ এয়ারপনিক্স ও ডাইসন ফার্মিং ডেফরার অর্থায়নে দুই বছরের এক পরীক্ষা শুরু করেছে: কুয়াশাভিত্তিক পদ্ধতিতে বর্তমান খরচের অর্ধেকেরও কমে ইংল্যান্ডে রোগমুক্ত প্রথম প্রজন্মের আলুবীজ উৎপাদন সম্ভব কি না।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

মাশরুমের গাঁজন প্রযুক্তিতে টফুর বর্জ্য হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ সুস্বাদু উপাদান

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সয়া দুধ ও টফুর অবশিষ্ট ওকারা ঝিনুক মাশরুমের মাইসেলিয়াম দিয়ে গাঁজন করে এর প্রোটিন প্রায় ২৮ থেকে ৩০ শতাংশে তুলেছেন, বাড়িয়েছেন উমামি স্বাদ।

Green Queen১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)