সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৪৮%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কেমোথেরাপির বাইরে প্রিসিশন থেরাপি: কার জন্য, কীভাবে, কোথায় সীমাবদ্ধতা

টিউমারের জেনেটিক মিউটেশন ও বায়োমার্কার পরীক্ষা করে ব্যক্তিভিত্তিক ক্যান্সার চিকিৎসা ঠিক করাই প্রিসিশন থেরাপি; সব রোগীর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়, লিখেছেন বগুড়ার টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টারের অনকোলজিস্ট ডা. মো. তৌছিফুর রহমান।

কেমোথেরাপির বাইরে প্রিসিশন থেরাপি: কার জন্য, কীভাবে, কোথায় সীমাবদ্ধতা
স্বাস্থ্য

প্রচলিত কেমোথেরাপি সাধারণত দ্রুত বিভাজনশীল কোষকে লক্ষ্য করে। ক্যান্সার চিকিৎসার আধুনিক পদ্ধতি প্রিসিশন থেরাপি বা প্রিসিশন অনকোলজিতে শুধু ক্যান্সারের ধরন নয়, রোগীর টিউমারের জেনেটিক মিউটেশন, মলিকুলার প্রোফাইল ও বায়োমার্কার বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসা ঠিক করা হয়। ডেইলি বাংলাদেশে প্রকাশিত এক লেখায় এ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেছেন বগুড়ার টিএমএসএস ক্যান্সার সেন্টারের মেডিকেল ও রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট ডা. মো. তৌছিফুর রহমান। লেখার মতামত লেখকের নিজস্ব।

তাঁর ব্যাখ্যায়, প্রিসিশন থেরাপি ক্যান্সারের নির্দিষ্ট মলিকুলার টার্গেট শনাক্ত করে সেটিকে আক্রমণ করে। উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে এতে চিকিৎসার কার্যকারিতা বাড়ে, অপ্রয়োজনীয় বা কম কার্যকর চিকিৎসা এড়ানো যায় এবং কিছু ক্যান্সারে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও বেঁচে থাকার সময় বাড়তে পারে। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়; টার্গেট করার মতো বায়োমার্কার এবং কার্যকর ওষুধ পাওয়া জরুরি।

প্রধান ধরনগুলোর মধ্যে আছে টার্গেটেড থেরাপি, যা নির্দিষ্ট মলিকুলার টার্গেটকে বাধা দেয়; ইমিউনোথেরাপি, যা রোগপ্রতিরোধব্যবস্থাকে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সক্রিয় করে; হরমোননির্ভর ক্যান্সারে হরমোনাল থেরাপি; অ্যান্টিবডির মাধ্যমে ক্যান্সার কোষে ওষুধ পৌঁছানো এডিসি; এবং ডিএনএ মেরামতের পথে বাধা দেওয়া পার্প ইনহিবিটর। টার্গেটেড থেরাপি শুরুর আগে প্রায়ই টিউমার পরীক্ষা করে দেখতে হয় ওষুধের উপযুক্ত টার্গেট আছে কি না।

লেখক যেসব ক্যান্সারে এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন: ফুসফুসের ক্যান্সার (ইজিএফআর, এএলকে, আরওএস১, কেআরএএস জি১২সি), স্তন ক্যান্সার (ইআর, পিআর, এইচইআর২, পিআইকে৩সিএ, বিআরসিএ১/২), কোলোরেক্টাল ক্যান্সার (আরএএস, বিআরএএফ, এমএসআই-এইচ), ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার (বিআরসিএ১/২ বা এইচআরডি) এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার (বিআরসিএ১/২ ও অন্যান্য জিন পরিবর্তন)। পরীক্ষার মধ্যে আছে টিস্যু বায়োপসি ও হিস্টোপ্যাথলজি, ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি (আইএইচসি), পিসিআর, ফিশ ও নেক্সট-জেনারেশন সিকোয়েন্সিং, লিকুইড বায়োপসি এবং প্রয়োজনে জার্মলাইন জেনেটিক পরীক্ষা।

সীমাবদ্ধতার কথাও বলেছেন তিনি: সব ক্যান্সারে টার্গেট করার মতো মিউটেশন পাওয়া যায় না, ওষুধের দাম ও প্রাপ্যতা বড় চ্যালেঞ্জ, টার্গেটেড থেরাপিতেও প্রতিরোধ তৈরি হতে পারে, মিউটেশন থাকলেই সব সময় কার্যকর ওষুধ মেলে না, আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সহ-রোগও বিবেচনায় নিতে হয়।

বাংলাদেশের জন্য তাঁর পরামর্শ: চিকিৎসা শুরুর আগে সঠিক হিস্টোপ্যাথলজি ও আইএইচসি নিশ্চিত করা, ফুসফুসের ক্যান্সারে মলিকুলার প্রোফাইলিংয়ের সুযোগ বাড়ানো, স্তন ক্যান্সারে ইআর, পিআর ও এইচইআর২ পরীক্ষা নিশ্চিত করা, কোলোরেক্টাল ক্যান্সারে এমএমআর/এমএসআই ও আরএএস/বিআরএএফ পরীক্ষা করা, উপযুক্ত রোগীর জেনেটিক কাউন্সেলিং এবং জটিল রোগীর জন্য মলিকুলার টিউমার বোর্ড গড়ে তোলা।

ছবি: Livestock Industries, CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0); একটি ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি গবেষণাগার (প্রতীকী ছবি)।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশসূত্র

স্বাস্থ্য

সম্পর্কিত খবর

স্বাস্থ্য

বংশগত ক্যানসারের ঝুঁকি জানতে তিন জিন পরীক্ষা, কারা করাবেন

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের তথ্যে বংশগত ক্যানসারের ঝুঁকি মূল্যায়নে বিআরসিএ১-বিআরসিএ২, লিঞ্চ সিনড্রোম ও মাল্টিজিন প্যানেল পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ; দেশে বিআরসিএ পরীক্ষার খরচ সাধারণত ২০-৩০ হাজার টাকা, তবে পজিটিভ ফল মানেই ক্যানসার নয়।

বাংলাভিশন২৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

হাড় মজবুত রাখতে দরকার ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও আমিষ: পুষ্টিবিদের পরামর্শ

অস্টিওপোরোসিস ঠেকাতে খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও যথেষ্ট প্রোটিন রাখার পরামর্শ দিয়েছেন দিনাজপুরের পুষ্টিবিদ লিনা আকতার; দুধ, দই, কাঁটাসহ ছোট মাছ, তিল, শাকসবজি, ডিম ও ডাল এর সহজ উৎস।

প্রথম আলো২৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

খাওয়ার সময় অস্বাভাবিক ঘাম: কখন ডায়াবেটিস বা স্নায়ুর সমস্যার লক্ষণ

খাবার খাওয়ার সময় বা খাবারের গন্ধেই মুখ ও গলায় অতিরিক্ত ঘাম, চিকিৎসাবিজ্ঞানে যার নাম গাস্টেটরি সোয়েটিং, দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা কিছু অস্ত্রোপচারের পর দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক নাজমুল হক।

প্রথম আলো২৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)