সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

অবৈধ মাছ ধরা ঠেকানোর বন্দর-চুক্তির এক দশক, রোমে বসেছে এফএও মৎস্য কমিটি

পোর্ট স্টেট মেজারস অ্যাগ্রিমেন্টে এখন ৮৬টি পক্ষ, যারা এফএওর ১১০ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করে; বছরে ২২ হাজারের বেশি জাহাজ পরিদর্শন হয় প্রায় ৭০০ নির্ধারিত বন্দরে।

মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার খাতের নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক আয়োজন, মৎস্য কমিটির (কোফি) ৩৭তম অধিবেশন শুরু হয়েছে রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে। অধিবেশনের আগে পোর্ট স্টেট মেজারস অ্যাগ্রিমেন্ট (পিএসএমএ) কার্যকর হওয়ার ১০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করা হয়।

এফএওর মধ্যস্থতায় হওয়া পিএসএমএ ছিল অবৈধ, অনিবন্ধিত ও অনিয়ন্ত্রিত (আইইউইউ) মাছ ধরা ঠেকাতে প্রথম বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি। এটি কাজ করে আইইউইউ তৎপরতায় যুক্ত জাহাজকে বন্দরে ঢুকতে ও মাছ খালাস করতে না দিয়ে, ফলে অবৈধভাবে ধরা মাছ আন্তর্জাতিক বাজারে ঢোকা ঠেকানোর তুলনামূলক সাশ্রয়ী উপায় এটি। চুক্তির পক্ষগুলো বিদেশি জাহাজ ঢোকার আগে তার আইনি অবস্থান যাচাই করতে বাধ্য।

চুক্তিতে এখন ৮৬টি পক্ষ রয়েছে, যারা এফএওর ১১০ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করে; উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এখন এর আওতায়। সোমবার মলদোভা তার যোগদানপত্র জমা দিয়েছে। প্রতিবছর প্রায় ৭০০টি নির্ধারিত বন্দরে ২২ হাজারেরও বেশি পিএসএমএ পরিদর্শন হয়, আর ৮০টির বেশি সদস্যদেশকে কারিগরি ও সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা দিয়েছে এফএও।

এফএওর মহাপরিচালক কু ডংইউ বলেন, সদস্য বাড়ার এই ধারা “এই স্বীকৃতিরই প্রতিফলন যে আইইউইউ মাছ ধরার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের জন্য সীমান্ত ও অঞ্চল পেরিয়ে সহযোগিতা দরকার।” তিনি ২০২৩ সালের ‘বালি কৌশল’ পুরোপুরি বাস্তবায়নের তাগিদ দেন, যা আরও দেশকে চুক্তিতে আনা এবং পরিদর্শনের তথ্য দ্রুত বিনিময়ের রূপরেখা।

৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর চলা কোফি৩৭ অধিবেশনে বিশ্ব মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচারের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে, এমন এক প্রেক্ষাপটে, যেখানে জলজ খাদ্যের চাহিদা বাড়ছে আর জলজ বাস্তুতন্ত্রের ওপর চাপও বাড়ছে। আলোচ্যসূচিতে আছে আইইউইউ মাছ ধরা, জলবায়ু অভিযোজন, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী ও অ্যাকুয়াকালচারে সহায়তা, আন্তর্জাতিক সমুদ্র সুশাসন এবং বিপন্ন জলজ প্রজাতি নিয়ে সাইটিসের সিদ্ধান্ত।

কু ডংইউ উল্লেখ করেন, ছয় দশকে এই খাত পাঁচ গুণ বেড়েছে। তিনি অ্যাকুয়াকালচারের দ্রুত সম্প্রসারণ এবং এশিয়ার বাইরেও এর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে কমিটির কাছে এমন সুপারিশ চান, যাতে ভবিষ্যতের অ্যাকুয়াকালচার প্রবৃদ্ধি পরিবেশগতভাবে টেকসই, সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হয়।

এফএওর জুন মাসে প্রকাশিত The State of World Fisheries and Aquaculture প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার উৎপাদন রেকর্ড ২৩ কোটি ৫০ লাখ টনে পৌঁছেছে, বাণিজ্য হয়েছে ১৮ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের এবং ৬০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবিকা এর সঙ্গে জড়িত। অধিবেশনের পার্শ্ব-আয়োজনে থাকছে জলজ খাদ্যের মূল্যশৃঙ্খল, অ্যাকুয়াকালচারে উদ্ভাবন, মৎস্য ভর্তুকি নিয়ে ডব্লিউটিও চুক্তি, বিবিএনজে চুক্তি এবং তথ্য, ট্রেসেবিলিটি ও নিয়ন্ত্রণের নতুন প্রযুক্তি।

উদ্বোধনী দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম ফিশারিজ এজেন্সিকে মার্গারিটা লিসারাগা পদক দেন; সলোমন দ্বীপপুঞ্জে সদর দপ্তর থেকে সংস্থাটি ১৭টি সদস্যকে সেবা দেয়।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)