Skip to content
দা এগ্রো নিউজদা এগ্রো নিউজকৃষি ও কৃষকের সংবাদ
সাবস্ক্রাইব

পাঙ্গাস মাছের চাষ পদ্ধতি: আধুনিক প্রযুক্তিতে লাভজনক মাছ চাষ

পাঙ্গাস মাছ চাষ বর্তমানে বাংলাদেশে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং লাভজনক কৃষি উদ্যোগ। এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা অর্জন করা যায়। চলুন, আধ

তানিয়া চৌধুরী২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ · ২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পাঙ্গাস মাছ চাষ বর্তমানে বাংলাদেশে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং লাভজনক কৃষি উদ্যোগ। এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা অর্জন করা যায়। চলুন, আধুনিক পদ্ধতিতে পাঙ্গাস মাছের চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

পাঙ্গাস মাছ চাষের মূল কারণ হলো এর দ্রুত বর্ধনশীলতা এবং বাজারে প্রচুর চাহিদা। এটি একটি স্বল্প খরচে অধিক উৎপাদনযোগ্য মাছ, যা দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখছে।

দ্রুত বৃদ্ধি: মাত্র ৬-৮ মাসের মধ্যে বিপণনের উপযুক্ত আকারে পৌঁছায়।

বাজার চাহিদা: সারাবছরই পাঙ্গাস মাছের বাজারমূল্য ভালো থাকে।

সহজ পরিচর্যা: কম খরচে ও সহজে চাষ করা যায়।

উচ্চ উৎপাদন: এক একর জমিতে বেশি সংখ্যক মাছ চাষ করা সম্ভব।

আবহমানকাল থেকে পাঙ্গাস মাছ এদেশের মানুষের জন্য রসনার উৎস হিসেবে পরিচিত। এই মাছটি প্রাকৃতিক মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদীসহ উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। এক সময়ে পাঙ্গাস মাছ আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে উচ্চবিত্তের মাছ হিসেবে বিবেচিত ছিল। বর্তমানে পরিবেশগত পরিবর্তনের ফলে নদীর নাব্যতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। সাথে সাথে এর প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্রসমূহ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ফলে পাঙ্গাস মাছের উৎপাদনও ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে। তবে পুকুরে পাঙ্গাস চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকায় আশির দশক থেকেই এর ওপর কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।

পাঙ্গাস মাঝের জাতগুলোর মধ্যে দেশী পাঙ্গাস ও থাই পাঙ্গাস সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। চলুন এদের পরিচয় সম্পর্কে এখন কিছু তথ্য জেনে নেই

দেশী পাঙ্গাস: দেশী পাঙ্গাসের রূপালী রঙের পিঠের দিকে কালচে এবং পার্শ্ব রেখার ওপরে সামান্য ধূসর। এ মাছের দেহে কোন আঁশ নেই। এখনও আমাদের দেশীয় প্রজাতির পাঙ্গাস সুস্বাদু এবং বেশি মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে। বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা, বহ্মপুত্র ও যমুনা নদীতে এ মাছটি বেশি পাওয়া যায়। এরা প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে। মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন নদীসহ প্রধান নদীগুলোতে এর পোনা পাওয়া যায়।

থাই পাঙ্গাস: এদের আদিবাস থাইল্যান্ডে, কম্পুচিয়া, ভিয়েতনাম এবং পাশ্ববর্তী অঞ্চলের দেশে। আমাদের দেশে সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সনে বিদেশী এ প্রজাতির মাছের সফল প্রজনন করানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে বাণিজ্যিক চাষাবাদের ক্ষেত্রে থাই পাঙ্গাস একটি জনপ্রিয় নাম। দেশী পাঙ্গাসের চেয়ে এ জাত দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এ মাছটি সর্বোচ্চ ১০-১২ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ট্যাগ#মাছ চাষ#মৎস্য#পাঙ্গাস মাছ চাষ#মাছ#পাঙ্গাস মাছ
তানিয়া চৌধুরীদা এগ্রো নিউজ

সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য

()