সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

বস্তা থেকে লেকের জলে: পাবনায় অবমুক্ত হলো ১৪টি পাতি সরালি

বিক্রির জন্য বস্তায় ভরে ঘোরানো ১৪টি পাতি সরালি হাঁস উদ্ধার করে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে ছেড়ে দিয়েছেন পাখিপ্রেমীরা; বিক্রেতা আর বন্য পাখি কেনাবেচা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বস্তা থেকে লেকের জলে: পাবনায় অবমুক্ত হলো ১৪টি পাতি সরালি
গ্যালারি

গ্রাম থেকে পাতি সরালি হাঁস কিনে শহরে বিক্রির জন্য ঘুরছিলেন মুরগি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রফিকুল। বস্তার ভেতরে ছিল বাচ্চা হাঁসগুলো। বিষয়টি নজরে পড়ে পাবনায় দীর্ঘদিন পরিবেশ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিউনিটির সদস্যদের।

সংগঠনের সদস্যরা বিক্রেতাকে বন্য প্রাণী রক্ষার আইন সম্পর্কে জানান। তিনি আর কখনো বন্য পাখি কেনাবেচা করবেন না এবং পাখিগুলো ছেড়ে দেবেন, এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তাঁকে সঙ্গে নিয়েই পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাধীনতা হলের সামনের লেকে ১৪টি হাঁস অবমুক্ত করা হয়।

প্রথম আলোর আলোকচিত্রী হাসান মাহমুদের ছবির গল্পে ধরা পড়েছে পুরো ঘটনা: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাতে নিয়ে হাঁসগুলো দেখছেন, সবাই মিলে লেকে ছাড়ছেন, ছাড়া পেয়েই ১৪টি হাঁস একসঙ্গে উড়ে যাচ্ছে।

ক্লান্ত ও দুর্বল পাখিগুলো লেকের পানিতে কিছুক্ষণ জলকেলিতে মেতে ওঠে, তারপর শীতল জলে চোখ বুজে বিশ্রাম নেয়। সবুজ ক্যাম্পাসের চারপাশে এদের থাকার মতো জায়গা অনেক। সন্ধ্যা নামতেই পাখিগুলো দল বেঁধে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উড়াল দেয়।

পাতি সরালি দেশের জলাভূমির পরিচিত হাঁস। হাটে-বাজারে বন্য পাখি বিক্রি থামাতে আইনের কথা জানানো আর উদ্ধার করে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেওয়ার এমন উদ্যোগ স্থানীয় সংরক্ষণকর্মীরা নিয়মিত নিচ্ছেন।

ছবি: পাতি সরালি হাঁস (ফাইল ছবি), JJ Harrison / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)। ঘটনার আলোকচিত্র: হাসান মাহমুদ, প্রথম আলো।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

গ্যালারি

সম্পর্কিত খবর

গ্যালারি

সুখপাড়ার পানের বরজে বছরের ১১ মাস ফলন, বিঘায় দেড় লাখ টাকা আয়

যশোরের অভয়নগরের সুখপাড়ায় পৌষ মাস বাদে বছরের ১১ মাসই বরজ থেকে পান তোলেন চাষিরা; খরচ বাদে বিঘাপ্রতি আয় প্রায় দেড় লাখ টাকা। প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সাদ্দাম হোসেনের ছবিতে বরজের দিনরাত্রি।

প্রথম আলো১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

মৃত শাবক শুঁড়ে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটে হাতি, কিন্তু সে মা নয়: পুরস্কারজয়ী ছবির গল্প

নামিবিয়ার মরু হাতির একটি মাদি নিজের শাবক হারানোর পর চারবার অন্যের মৃত শাবক বয়ে বেড়িয়েছে; ফেদেরিকো ভেরোনেসির তোলা সেই দৃশ্যের ছবি জিতেছে ২০২৬ সালের ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ারের প্রধান পুরস্কার।

বিবিসি বাংলা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

বগুড়ার ‘পদ্মপুকুরে’ হাঁসের জলকেলি, পদ্ম নেই, রয়ে গেছে নাম

বগুড়ার শাজাহানপুরের শিয়ালচাপড় গ্রামের যে পুকুরকে লোকে ‘পদ্মপুকুর’ বলে, সেখানে এখন পদ্ম নেই; আছে একঝাঁক হাঁসের ভেসে বেড়ানো, স্নান আর পাড়ে উঠে খাবার খোঁজা।

প্রথম আলো১৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)